মৎস্য উৎপাদনে স্বর্ণ পদক পেয়েছে সাভানা ফার্ম প্রোডাক্টস

আগের সংবাদ

গায়ক ইলিয়াসের বিরুদ্ধে মামলা চালাতে চান না সুবহা

পরের সংবাদ

শিল্পকলা একাডেমিতে কথামালায় গানে আলম খানকে স্মরণ

প্রকাশিত: জুলাই ২৪, ২০২২ , ৯:৫৮ অপরাহ্ণ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০২২ , ৯:৫৯ অপরাহ্ণ

কথামালা, স্মৃতিচারণ আর সুরে সুরে সদ্যপ্রয়াত বরেণ্যে সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলম খানকে স্মরণ করল বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।

রবিবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী সভাপতিত্বে আলোচনা পর্বে বক্তব্য দেন গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার, বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী এবং সংগীত পরিচালক সৈয়দ আব্দুল হাদি, সুরকার শেখ সাদি খান, সংগীত পরিচালক জাহাঙ্গীর হায়াত খান রুমু, বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন এবং আলম খানের পুত্র আরমান খান ও আদনান খান। স্বাগত বক্তব্য দেন একাডেমির সংগীত বিভাগের পরিচালক আফতাব উদ্দিন হাবলু। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন একাডেমির সচিব মো. আছাদুজ্জামান।

আলোচনা ও স্মৃতিচারণ পর্বের পর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতে শিল্পী খুরশিদ আলম পরিবেশন করেন ‘তবলার তেরে তেকে তাক,’ও ‘আজকে না হয় ভালোবাসো আর কোন দিন নয়’ শিরোনামে দুটি একক গান। কণ্ঠশিল্পী স্বরণের কণ্ঠে ‘চাঁদের সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা’, ‘আমি রজনীগন্ধা ফুলের মত গন্ধ বিলিয়ে যাই’। পান্থ কানাইয়ের কণ্ঠে ‘ওরে নীল দরিয়া’; ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’। রন্টি দাস গেয়ে শোনান ‘মনে বড় আশা ছিল’, ‘কাল তো ছিলাম ভালো’। সম্রাট-এর কণ্ঠে ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস’; ‘জীবনের গল্প আছে বাকী অল্প’ শিরোনামে সংগীত পরিবেশন করে আলম খানকে স্মরণ করেন শিল্পীরা।

যন্ত্রশিল্পী হিসেবে তবলায় ছিলেন মিলন ভট্টাচার্য, কিবোর্ড এ রুপতনু, গীটারে সেলিম হায়দার, বাঁশীতে মো. মনিরুজ্জামান এবং প্যাড এ ছিলেন পুলক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন দিনাত জাহান মুন্নি।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়