বন্ধুত্বের স্মারক

আগের সংবাদ

শেখ হাসিনার কারণে আসাম শান্তিতে আছে: হিমন্ত বিশ্বশর্মা

পরের সংবাদ

নড়াইলের ঘটনা এবং বিভক্ত না হওয়ার জন্য মাশরাফির আহ্বান

বিভুরঞ্জন সরকার

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২২ , ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুলাই ২০, ২০২২ , ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় লোডশেডিংয়ের মাধ্যমে আপাতত স্বস্তি পেতে চাইছে সরকার। ওদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের একজন কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, এশিয়ার আরো চারটি দেশের পরিণতি শ্রীলঙ্কার মতো হতে পারে। তার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। দেশের অর্থনীতি সত্যি অতটা ঝুঁকিতে পড়েছে কি-না, তা নিয়ে বিতর্ক করা যেতে পারে। তবে সরকারের যে সতর্ক হওয়া দরকার তা নিয়ে বুঝি বিতর্ক করা অর্থহীন। সারাবিশ্ব যখন জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সংকটে জেরবার হচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশের নিশ্চিন্ত থাকার কোনো কারণ নেই। বাংলাদেশ পৃথিবীর বাইরের কোনো নিরাপদ ভূমি নয়। তবে অর্থনৈতিক সংকটের বাইরেও বাংলাদেশে একটি নতুন প্রবণতা বেশ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এই প্রবণতাটি হলো ইসলাম ধর্মের অবমাননা বা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির আক্রমণ, মন্দির ভাঙচুর; বাড়িঘর আক্রমণ, লুটপাট, আগুন লাগানো ইত্যাদি ঘটে চলেছে। একটার রেশ কাটতে না কাটতে আর একটা ঘটনা ঘটছে। এগুলো কি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা? না, দাঙ্গা হয় সাধারণত দুই পক্ষে। বাংলাদেশে দাঙ্গা হচ্ছে না। হচ্ছে একতরফা হামলা। সবল পক্ষ দুর্বল পক্ষের ওপর হামলা চালাচ্ছে।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ, তা সেটা পাহাড়ে কিংবা সমতলে, সবখানেই অনেকটা যেন অনিরাপদ জীবন কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। নড়াইলে এক মাসের ব্যবধানে দুটি ঘটনা ঘটল, যা হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি বড় আতঙ্ক তৈরি করেছে। এসব ঘটনা যে পরিকল্পিতভাবেই ঘটছে এবং এগুলো প্রতিহত করার জন্য যে সরকার ও প্রশাসনের কোনো আগ্রহ নেই, তা ঘটনাগুলো বিশ্লেষণ করলেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সরকার না চাইলে, প্রশাসন কঠোর হলে এসব অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা ঘটতে পারে না। নড়াইলের দুই ঘটনার মাঝখানে গত ৫ জুলাই খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মহালছড়িতে ৩৭টি আদিবাসী পরিবারের ওপর হামলা ও তাদের বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। তবে এই ঘটনাটি খুব ফলাও করে জাতীয় গণমাধ্যমে প্রচারও হয়নি। তবে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স ৭ জুলাই এক বিবৃৃতিতে ওই ঘটনার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, আদিবাসীদের জমি, সম্পত্তি দখল এবং জাতিগত নিষ্পেষণ চালানোর উদ্দেশ্যে স্থানীয় আদিবাসীদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে একের পর এক এ ধরনের হামলা, অপহরণের ঘটনা পাহাড়ে ঘটে চললেও আদিবাসীদের নিরাপত্তা সরকার নিশ্চিত করতে পারছে না। বিবৃতিতে নেতৃবৃৃন্দ অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি দাবি করে বলেন রাষ্ট্রের সব জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। দেশের সর্বত্র সব মানুষের নিরাপদ ও স্বাধীন জীবনযাপনের পরিবেশ জনগণের মৌলিক অধিকার।
কিন্তু কিছু স্বার্থান্ধ মানুষ নানা অপকৌশলে মানুষের অধিকার কেড়ে নেয়ার কাজটি নীরবে করে চলেছে। মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। কিন্তু সরকার যে সে দায়িত্ব পালনে সফল নয়, তার প্রমাণ একের পর এক ঘটনায় পাওয়া যাচ্ছে। বরং দেখা যাচ্ছে যেসব জায়গায় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে, সেসব জায়গায় পুলিশ উপস্থিত থেকেও হামলা বন্ধের জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। এ থেকে এটা মনে হওয়া স্বাভাবিক যে এসবের পেছনে সরকারের কোনো অংশের কোনো সংযুক্তি নেই তো! আওয়ামী লীগকে বহু বছর ধরে হিন্দুদের প্রতি সহানুভূতিশীল দল হিসেবেই মনে করা হতো। এখন হয়তো ক্ষমতার রাজনীতির জটিল সমীকরণ মিলাতে গিয়ে আওয়ামী লীগ কিছুটা দোদুল্যমানতায় ভুগছে। আওয়ামী লীগের তৃণমূলের কথা বাদ দিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মধ্যে অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির দৃঢ় সমর্থক কতজনকে পাওয়া যাবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশের সুযোগ আছে। আওয়ামী লীগ আর হিন্দুদের প্রতি আলাদা দরদ দেখানোর গরজ বোধ করে না। কারণ দেশের বেশিরভাগ মানুষের মন-মনন এখন ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি বেশি আস্থাবান। আওয়ামী লীগ সম্ভবত বেশিরভাগ মানুষের সঙ্গে থাকার নীতিতে আছে। মানুষের চিন্তা-চেতনায় পরিবর্তন আনার কঠিন কাজটি এড়িয়ে যাওয়ার দিকেই এখন আওয়ামী লীগের ঝোঁক।
তবে নড়াইলের ঘটনা নিয়ে ওই এলাকার সংসদ সদস্য ও জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা নিজের ফেসবুক পেজে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা কিছুটা আশাব্যঞ্জক। মাশরাফি সম্ভবত এখনো পুরো আওয়ামী লীগার হয়ে উঠতে পারেননি। তাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের মতো ঘটনা ঘটলে আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব মূলত মুখ বন্ধ রাখার কৌশল নিয়ে চলেন। কিন্তু মাশরাফি মুখ খুলেছেন।
মাশরাফি লিখেছেন : গতকাল আমাদের এলাকায় এমন একটি ঘটনা ঘটেছে, যা আমাকে ভীষণভাবে মর্মাহত করেছে এবং প্রতিটি মুহূর্তে পোড়াচ্ছে। সবাইকে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি, এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট হয়, এমন কাজ করা থেকে দয়া করে বিরত থাকুন।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের ফাঁদে পড়ে নড়াইলের হাজার বছরের ঐতিহ্য আর সম্প্রীতির বন্ধনকে এক নিমিষে মøান করে দেবেন না। ছেলেবেলা থেকে যে নড়াইলকে দেখে এসেছি, যে নড়াইলকে নিয়ে আমরা গর্ব করি, সেই নড়াইলের সঙ্গে এই নড়াইলকে আমি মেলাতে পারছি না।
ইসলাম শান্তির ধর্ম। আজীবন শান্তি ও সম্প্রীতির দূত ছিলেন আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। অজ্ঞতা থেকে হোক কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে, কেউ যদি মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি করে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কেউ যদি সত্যিই এমনটি করে থাকে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে অবশ্যই তার বিচার হবে। দেশের আইন আছে, প্রশাসন আছে, তারা ব্যবস্থা নেবেন। কোনো পরিস্থিতিতেই আমরা আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারি না। অভিযোগ যদি সত্যিও হয়, একজনের জন্য গোটা সমাজের নিরপরাধ মানুষদের ওপর অন্যায় করার কোনো অধিকার কারো নেই। কেউ সত্যি অপরাধ করলে তার বিচার আদালত করবে, তবে আমি-আপনি এজন্য কাউকে কোনো শাস্তি দিতে পারি না।
এলাকাবাসীকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে মাশরাফি বলেছেন, উত্তেজিত না হয়ে একটু ভাবুন। ষড়যন্ত্রকারীদের ফাঁদে পা দিয়ে একের পর এক এমন ঘটনা ঘটিয়ে হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির আমার নড়াইলকে এমন কলঙ্কিত করবেন না। নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে মাশরাফি বলেছেন, ঘটনা শোনামাত্র আমি স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনকে বলেছি, যত দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা নিতে। তাৎক্ষণিক নড়াইলের পুলিশ সুপার, ডিআইজি মহোদয়, এমনকি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছি যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হয়। পাশাপাশি আমার স্থানীয় নেতাকর্মীদেরও ঘটনাস্থলে দ্রুত পাঠিয়েছি, তারা যেন অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ায়। খুলনা থেকে র‌্যাব পাঠানো হয়েছে। এত কিছুর পরও ভীষণ দুঃখজনক কিছু ঘটনা ঘটে গেছে। থামানোর চেষ্টা করতে গিয়ে স্থানীয় বেশ ক’জন নেতাকর্মী আঘাত পেয়েছেন। তবে অসহায় মানুষের আর্তনাদের কাছে সেটা কিছুই নয়। একজন সাধারণ মানুষও আক্রান্ত হলে সেই ক্ষতি অপূরণীয়। যারা আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের জন্য আমার মন কাঁদছে।
মাশরাফি বলেছেন, ঘটনার সময় শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করে গেছি, ঘটনার পর আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদেরকে সব ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা থেকে শুরু করে মানসিকভাবেও পাশে থাকব বলে কথা দিয়েছি। তাতে অবশ্যই ক্ষতিপূরণ হবে না। তবে আপনাদেরকে বলছি, আমরা আপনাদের পাশে সর্বোতভাবে আছি। আপনারা স্বাভাবিক জীবন-যাপন করুন। এই দেশ, এই মাটি, এই আলো-বাতাস, আপনার-আমার সবার।
ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন উল্লেখ করে মাশরাফি বলেন, আমরা নিজেরা এভাবে বিভক্ত হয়ে পড়ব, আমি এটা কখনোই ভাবতে পারি না। এই নড়াইলকে তো আমি চিনি না! একদিকে নবীর কটূক্তির কথা শুনে ধর্মপ্রাণ মুসলমানের বুকে কষ্ট, অপরদিকে আমার ঘরপোড়া সনাতন ধর্মাবলম্বী মায়ের আর্তনাদ। এ রকম নড়াইল গড়ার জন্য আমি আপনাদের সমর্থন চাইনি। আমরা সবাই মিলেমিশে চলব, বিপদে-আপদে পরস্পরের পাশে দাঁড়াব, যার যার ধর্ম পালন করব, এটাই তো আমাদের ঐতিহ্য।
নড়াইলের ঘটনা যে হঠাৎ করে ঘটেনি, এটা দীর্ঘ পরিকল্পনার ফল- সেটাও মাশরাফির আরেক বক্তব্য থেকে পরিষ্কার হয়েছে। মাশরাফি লিখেছেন : প্রথম আক্রমণের কথা হয়তো সবাই ভুলে গেছেন, তাই মনে করিয়ে দিচ্ছি। তারা প্রথম ঝামেলা করল মাওলানা মামুনুল হককে নিয়ে। তাকে যখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিষেধাজ্ঞা দিল, ঠিক সেই সময় তাকে ওয়াজ করার জন্য নড়াইলে আমন্ত্রণ জানানো হলো। নিয়ম অনুযায়ী, যখন ওয়াজ মাহফিল হয়, সেটার পারমিশন দিয়ে থাকে জেলা প্রশাসন, নিরাপত্তার ব্যাপার দেখে পুলিশ প্রশাসন। অনুমতি দেয়া বা না দেয়া অথবা নিরাপত্তার বিষয়ে সংসদ সদস্যের এখানে কোনো দায়িত্ব নেই। জেলা প্রশাসন বা পুলিশ প্রশাসন বা আয়োজকদের পক্ষ থেকে আমাকে বিন্দুমাত্র না জানিয়ে ওয়াজ মাহফিল দেয়া হলো নোয়াগ্রামে, যেখানে আমার শ্বশুরবাড়ি। বক্তাকে আগেই বলা হলো যে ওয়াজ মাহফিলের অনুমতি নেয়া আছে, আপনি চলে আসেন। অথচ কালনা ঘাট পর্যন্ত আনার পর তবেই কেবল জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে জানানো হলো। ঘাট থেকে যখন ওনাকে বলা হলো যে, ‘আপনার চিঠি কোথায়?’ তিনি দিতে পারলেন না। মাহফিল কর্তৃপক্ষ তখন আমাকে ফোন করে বলল, ‘আপনি এই সমস্যা ঠিক করেন।’ কথা হলো, তখন এই সমস্যার সমাধান করা কীভাবে সম্ভব? এটা তো পুরোটাই একটা প্রক্রিয়া, যা আরো সাত দিন আগে থেকে করতে হয়! তখন ওই লোকগুলো বলা শুরু করে দিল, আমি নাকি ওয়াজ মাহফিল হতে দিচ্ছি না। পুরো খেলাটা খেলেছে এমনভাবে, তাকে আমার নির্বাচনী এলাকায়, আমার শ্বশুরবাড়ি এলাকায় এনে সরকারের কাছে প্রমাণ করতে চেয়েছে যে, আমি মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মানছি না। আর যদি না আসতে পারে, তাহলে প্রচার করা হবে যে, মাশরাফি ওয়াজ করতে দেয় না। দুই দিক থেকেই তাদের জয়। আর দুই পক্ষের কাছেই আমাকে খারাপ বানাবে।
এই ঘটনাগুলো ঘটিয়ে মাশরাফির ইমেজ নষ্ট করাও নেপথ্য পরিকল্পনাকারীদের উদ্দেশ্য উল্লেখ করে মাশরাফি লিখেছেন, এবার উল্টো খেলা খেলল তারা। সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষদের ওপর আক্রমণ করে তাদের বিপদে ফেলা, পাশাপাশি আমাকেও বিপদে ঠেলে দেয়া। এমনকি কিছুদিন আগে কালিয়ার মির্জাপুরে সম্মানিত একজন শিক্ষককে অপমানের ঘটনায়ও আমাকে জড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে, অথচ ওটা আমার নির্বাচনী আসনের ভেতরই নয়। সবশেষে মাশরাফি ষড়যন্ত্রীদের উদ্দেশ্যে গোপন খেলা বন্ধ করে প্রকাশ্যে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আপনারা সব তো করলেন। এবার আপনাদের কাছে একটা অনুরোধ, পেছন থেকে আঘাত করতে করতে আপনারা ক্লান্ত হয়ে যাবেন। তো আসুন, সামনে থেকে আঘাত করুন। আমার সঙ্গে সরাসরি লড়াই করুন। আমি সাধুবাদ জানাব। কিন্তু আমাকে ভোগানোর জন্য দয়া করে সাধারণ ও অসহায় মানুষদের আর ক্ষতি করবেন না। মানুষকে শান্তিতে থাকতে দিন, লড়াই আমার সঙ্গে করুন।
না, শুধু আহ্বান জানিয়ে লাভ হবে না। মাশরাফির ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা এবং তিনি এখন যে দলের সংসদ সদস্য সেই দল ও সরকারি প্রশাসন একযোগে সচেষ্ট হলেই কেবল অন্ধকারের অপশক্তিকে পরাভূত করা সম্ভব হবে।

বিভুরঞ্জন সরকার : জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
[email protected]

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়