পরিবেশ সূচকে ডেনমার্ক অনুসরণীয়

আগের সংবাদ

বন্যায় দুর্বিষহ জীবন : সর্বহারা মানুষের পাশে দাঁড়ান

পরের সংবাদ

পরিবেশবান্ধব প্রকল্পের অনুমোদন জরুরি

মো. রাসেল হোসাইন

শিক্ষার্থী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত: জুন ৩০, ২০২২ , ১:২২ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুন ৩০, ২০২২ , ১:২২ পূর্বাহ্ণ

পৃথিবী এখন উন্নত, উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বিভক্ত। প্রত্যেকের সমস্যা তাদের নিজেদের মতো সমাধান করার চেষ্টা করে। প্রায় ১১৫টি দেশের বসবাসযোগ্যতার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৩তম। ভালোভাবে বাঁচার জন্য মানুষের যেমন খাদ্যবস্ত্রের প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন একটি বাসযোগ্য পরিবেশ। কিন্তু সে নিশ্চয়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে মানুষ। রাজধানী ঢাকা পরিবেশ দূষণে ভীষণভাবে আক্রান্ত। শুধু ঢাকা মহানগর নয়, পুরো দেশের পরিবেশ নিয়ে মানুষ উদ্বিগ্ন। বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা নিয়ে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলাগুলোতে কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে ২৫ জুন দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতুকে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়ে সাধারণ মানুষের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়ে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে সরকার।
আমাদের চারপাশে যা আছে, তাই পরিবেশ এই বোধ ধারণ করতে পারলে প্রতিদিন ঝাড়–দারদের একগাদা কাগজ, খালি বোতল আর পলিথিন সংগ্রহ করতে হতো না। আমাদের ব্যক্তিগত অভ্যাস পরিবর্তন প্রয়োজন। রাজধানীতে কয়েকটি ফ্লাইওভার চালু রয়েছে। প্রতিটি ফ্লাইওভারে বিভিন্ন মহলের জনপ্রতিনিধিদের ব্যানার-ফেস্টুন লিফলেট লাগানো হচ্ছে এবং বিভিন্ন ছোট-বড় ব্যবসায়ী, কোম্পানি ও ইন্ডাস্ট্রিগুলোরও ব্যানার-ফেস্টুন লিফলেট দেখা যায় এমনকি কিছু কিছু মিডিয়ারও ব্যানার চোখে পড়ে। ফলে দেশের কোটি কোটি টাকা ব্যয় করা এই প্রকল্পগুলোর পরিবেশ ও সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে যে ব্যানার-ফেস্টুন ও লিফলেট লাগাবে না এর কোনো নিশ্চয়তা নেই। এর ব্যাপক প্রচার, প্রসার ও ব্যবহারই পারে পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত করতে। পরিবেশ রক্ষায় ঢাকা দুই সিটি করপোরেশন ও সরকারকে পরিবেশবান্ধব নির্মাণে আইনের প্রয়োগ ও তদারকিতে কঠোর হয়ে সবধরনের জনসাধারণ থেকে শুরু করে পথচারী, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, কোম্পানি ও শিল্প ইন্ডাস্ট্রিকে সমন্বিতভাবে সতর্কতা জানিয়ে পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষার জন্য কাজ করার আহ্বান জানাতে হবে। একই সঙ্গে যে কোনো প্রকল্প অনুমোদনের সময় পরিবেশের বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। পরিবেশ ও যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে একটি প্রকল্পের স্থাপনা টেকসই হবে ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। উন্নত বাংলাদেশ গঠনে পরিবেশবান্ধব নির্মাণপ্রযুক্তি ও উপকরণের বিকল্প নেই। দেশের উন্নয়ন প্রকল্পের পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় সরকারকে উক্ত বিষয়টি আমলে নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ করছি।

মো. রাসেল হোসাইন
শিক্ষার্থী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
[email protected]

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়