চলতি অর্থবছরে জনকল্যাণে দেশব্যাপী ১০০ কোটির বেশি ব্যয় করেছে রোটারি

আগের সংবাদ

পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতায় সচেষ্ট থাকবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

পরের সংবাদ

নতুন মুদ্রানীতিতে বেসরকারি ঋণের লক্ষ্য কমিয়ে ১৪.১ শতাংশ

প্রকাশিত: জুন ৩০, ২০২২ , ৪:৫১ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ৩০, ২০২২ , ৫:০০ অপরাহ্ণ

নতুন ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ঘোষিত মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ দশমিক ১ শতাংশ। চলতি বছর যা ছিল ১৪ দশমিক ৮০ শতাংশ। একই সময়ে সরকারের ঋণ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৯ দশমিক ৪ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।

বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে নতুন এ মুদ্রানীতি ঘোষণার সময় ডেপুটি গভর্নর, বিএফআইইউ প্রধানসহ ও নির্বাহী পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ব্যাপক মুদ্রার সরবরাহ ধরা হয়েছে ১২ দশমিক ১ শতাংশ যা কাঙ্ক্ষিত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির সিলিং এর সমষ্টির তুলনায় কিছুটা কম। করোনা পরিস্থিতি উন্নত হওয়া সাপেক্ষে অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড জোরদার হওয়ায় চলতি অর্থবছরে অর্থের আয় গতি বাড়বে বলে আশাবাদী বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জুন পর্যন্ত ঋণ বেড়েছে ১৩ দশমিক ১ শতাংশ। সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে যা সর্বোচ্চ।

২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৬ শতাংশে সীমিত রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। আর জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। এরই মধ্যে গত মে মাসে মূল্যস্ফীতি উঠেছে ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ। যা গত ৮ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি অর্জন দুটি দিক সামনে রেখেই দেয়া হয়েছে নতুন মুদ্রানীতি।

মুদ্রানীতি ঘোষণায় গভর্নর জানান, মূল্যস্ফীতি ও টাকার বিনিময় হারের ঊর্ধ্বমুখী চাপকে নিয়ন্ত্রণে রেখে কাঙ্ক্ষিত জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়তা করার লক্ষ্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য সতর্কতামূলক মুদ্রানীতি ভঙ্গি অনুসরণ করা হয়েছে যা কিছুটা সংকোচনমুখী। সে আলোকে পুরো অর্থবছরের জন্য অর্থ ও ঋণ কর্মসূচী প্রণয়ন করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, জাতীয় বাজেট বক্তৃতার তথ্যানুযায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য সরকারের কাংখিত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো যথাক্রমে ৭.৫ ও ৫.৬ শতাংশ।

বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং সম্প্রতি সংঘটিত দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্যার অর্থনৈতিক প্রভাব পর্যালোচনা করে প্রতীয়মান হয় যে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য মুদ্রানীতির মূল চ্যালেঞ্জ হবে টাকার অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক মান অর্থাৎ মূল্যস্ফীতি ও বিনিময় হারকে স্থিতিশীল রাখা। একইসাথে, কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে চলমান অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে সমর্থন অব্যাহত রাখাও আসন্ন মুদ্রানীতির জন্য অপরিহার্য বলে বিবেচিত হয়েছে। এসব বিবেচনায় নিয়েই এমন মুদ্রানীতি প্রণয়ন করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়