সেন্ট লুসিয়ায় খালেদের প্রথম ফাইফার

আগের সংবাদ

সেতু ঘিরে উচ্ছ্বাসের ঢেউ

পরের সংবাদ

হাওর জনপদে স্বাস্থ্যসেবা ‘নেই’

প্রকাশিত: জুন ২৭, ২০২২ , ৮:০৩ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুন ২৭, ২০২২ , ১২:১৯ অপরাহ্ণ

* প্রতিটি এলাকায় ডায়রিয়া-আমাশয়-জ্বর; চিকিৎসক ও ওষুধ নেই ** থাকার ঘর নেই, শিশুদের খাবার নেই

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার মিরপুর বাজারের ফার্মাসিস্ট উজ্জ্বল ঘোষ বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ হিসেবে চাল, ডাল, তেল, লেবু ও কিছু ওষুধ নিয়ে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ধকদল ও কাউয়াচর গ্রামে গিয়ে দেখেন- সেখানে গ্রামের পর গ্রামজুড়ে মানুষের জ্বর, আমাশয় মারাত্মকভাবে বেড়েছে। বসবাসের জায়গায় পানি আর মলমূত্রে একাকার হয়ে যাওয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে দুর্গন্ধ। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে সেখানকার আক্রান্তরা লেবু আর ওষুধ পেয়ে মহাখুশি। উজ্জ্বল নিজেই ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, এখনো পানিতে ডুবে আছে বিস্তীর্ণ এলাকা। ডুবে আছে স্থানীয় কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো। ফলে স্বাস্থ্যসেবা বলতে কিছুই নেই। সঙ্গে খাবারের অভাবতো ঘরে ঘরে লেগেই আছে। দ্রুত চিকিৎসা পরিষেবা শুরু না করলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হতে পারে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে এমনিতেই পানি লেগে থাকে। কিন্তু এবারের বন্যায় তারা বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছেন। এমন বন্যা এর আগে কখন হয়েছিল তাও বলতে পারেননি তারা। তাদের কাছে খাবার নেই, অসুখে চিকিৎসা নেই। এমনকি খাবার রাখা কিংবা মাথা গোঁজার মতো কোনো আশ্রয়ও নেই। ঘরছাড়া হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। ঘর হারানোরা গত ১০ দিন ধরে তাঁবু টানিয়ে রাস্তায় থাকছেন। পানি সরবরাহ অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস হওয়ায় বিশুদ্ধ পানির অভাব মারাত্মকভাবে দেখা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, দুর্যোগপরবর্তী রোগে আরো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বিপদাপন্ন মানুষগুলো। ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়ছে এলাকা থেকে এলাকায়। সবমিলিয়ে হাওরের জনপদে বন্যার্তদের কান্নায় পরিবেশ ভারি হয়ে উঠেছে।

শ্রীমঙ্গলের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘অভিযাত্রী’ ত্রাণ নিয়ে গত শনিবার দিরাইয়ের দুর্গম জনপদ জারুলিয়া ও চিথোলিয়া গ্রামে গিয়েছিল। গতকাল সংগঠনটির মুখপাত্র সত্যকাম ভট্টাচার্য্য এ প্রতিবেদককে বলেন, এলাকাটি দুর্গম হওয়ায় আগে কেউ ত্রাণ নিয়ে যায়নি। পুরো এলাকা পানির উপরে ভাসছে। ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়ে আছে। পানিতে তলিয়ে থাকায় বহু গ্রাম নিশ্চিহ্ন হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসিত না করলে মানবিক বিপর্যয় ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

এর আগে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক ধরে দিরাই-মদনপুর রাস্তার উপর দিয়ে যেতে চোখে পড়েছে বহু মানুষ এখনো সড়কের উপর থাকছেন। পানি বাড়তে থাকায় বাড়িঘর ছেড়ে শুরুতে এখানেই আশ্রয় নিয়েছিলেন তারা। পানি নেমে গেলেও বাড়িঘর বসবাসের উপযুক্ত হয়নি এখনো। এসময় এক নারী বানভাসি চোখের জল মুছতে মুছতে বলেন, বন্যায় সব ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। এখন পানি নেমে গেলেও বসবাস করার একমাত্র ভরসা রাস্তা। ঘরবাড়ি মেরামত সম্পর্কে তার কাছে জানতে চাইলে বলেন, ছেলেমেয়েদের যেখানে খাবার দিতে পারি না, সেখানে বসতবাড়ি করা তো দুঃস্বপ্ন। তার ওপর রয়েছে ঋণের বোঝা। সরকার আমাদের ত্রাণের পাশাপাশি পুনর্বাসন না করলে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো পথ থাকবে না। শুধু ওই নারীই নয়, একই সুর ও অভিন্ন বক্তব্য সেখানকার প্রায় সব বানভাসিরই। তারা বলেছেন, তাদের প্রায় সবার বাড়িঘর থেকে পানি নেমেছে। কিন্তু কারো কারো ঘর পুরো ভেঙে পড়েছে। কারো ঘর ভেসে গেছে। কারো ঘরের বেড়া, মেঝে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেকের আসবাব, কাপড়চোপড় পানিতে ভেসে গেছে। তাই পানি নেমে গেলেও তারা বাড়ি ফিরতে পারছেন না। কারণ ধ্বংস হয়ে যাওয়া ঘরবাড়ি নতুন করে গড়ে তোলার সামর্থ্য তাদের নেই।

ভোরের কাগজের দিরাই প্রতিনিধি জয়ন্ত কুমার সরকারকে সঙ্গে নিয়ে গত শুক্রবার সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ ঘুরে দেখা গেছে, বন্যার পানিতে ভেসেছে ঘর, ভেসে গেছে গবাদিপশু। ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। এখনো বিদ্যুৎ না থাকায় জামালগঞ্জের জনপদগুলো যেন অন্ধকার দ্বীপে পরিণত হয়েছে। চলতি বন্যার তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে জামালগঞ্জের বেহেলি, ফেনারবাঁক, সাচনাবাজার, ভিমখালী, জামালগঞ্জ উত্তর ও জামালগঞ্জ দক্ষিণসহ ৬টি ইউনিয়নের অন্তত শতাধিক গ্রামকে। ৮০টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে অন্তত ২০ হাজার লোকজন। হাতে গোনা কয়েকটি গ্রামের পুরাতন বসতবাড়ি ছাড়া প্লাবিত হয়নি এমন কোনো গ্রাম যেন নেই জামালগঞ্জে। উপজেলায় ৭০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১০টি উচ্চ বিদ্যালয়, ১টি কলেজ ও ৬টি মাদ্রাসাকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। এছাড়াও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে অন্তত ৬৫টি বন্যার্ত পরিবার নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া পরিবারগুলোতে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা ত্রাণ বিতরণ করলেও তা একেবারেই সীমিত। বসতবাড়ি ছেড়ে আসা সহায় সম্বলহীন আশ্রিতরা অতিমানবেতর জীবনযাপন করছে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে। এদিকে বানের পানিতে আটকে অসুস্থ হয়ে পড়া ফেনারবাঁক ইউনিয়নের বিনাজুরা গ্রামের নিহার পুরকায়স্থের স্ত্রীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য উপজেলা সদর কিংবা সুনামগঞ্জ নিয়ে যেতে পারেননি। সড়ক যোগাযোগ না থাকায় তার চিকিৎসা হয়নি। গত শনিবার প্রাণ হারান ওই গৃহবধূ। বাউল শাহ্ আবদুল করিমের স্মৃতি বিজড়িত উজানধল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছেন আশপাশের ১০৬টি পরিবার। ইঞ্জিনচালিত নৌকা দিয়ে ওই আশ্রয়কেন্দ্রে ঢুকতেই এক শিশুর গণনবিদারী চিৎকার কানে এলো। অসহায় মা সাহেরা বেগম তার কান্না থামানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছিলেন। তিনি বললেন, আজ ছয়দিন ধরে বুকের দুধ ছাড়া সন্তানকে কিছুই দিতে পারেননি।

আশ্রয়কেন্দ্রটির দায়িত্ব নিয়েছেন পাশের বাড়িতেই বসবাসকারী সাবেক ছাত্রনেতা ও সাংবাদিক দুলন চৌধুরী। তিনি বলেন, গত সাত দিন ধরে এখানে আশ্রয় নেয়া পরিবারগুলোতে ৪০ জন শিশু রয়েছে। ক্ষুধার যন্ত্রণায় শিশুদের চিৎকারে আশ্রয়কেন্দ্রে এক অন্যরকম পরিবেশের জন্ম হয়। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ত্রাণ সুবিধা এলেও শিশু ও দুগ্ধদানকারী মায়েদের জন্য কোনো উপকরণ আসেনি এখনো।

ভোরের কাগজের ছাতক প্রতিনিধি শংকর দত্তকে সঙ্গে নিয়ে ছাতক উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘুরে দেখা গেছে, শহর এলাকাসহ গ্রামাঞ্চলের উঁচু এলাকার ঘরবাড়ি থেকে বন্যার পানি নামলেও নি¤œাঞ্চলের ঘরবাড়ি এখনো ডুবে আছে। উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে হাজার হাজার মানুষ কর্মহীন ও পানিবন্দি। এসব এলাকার বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। তবে প্রত্যন্ত এলাকার কোনো কোনো স্থানে এখনো ত্রাণসামগ্রী পৌঁছায়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সরকারি ত্রাণ পর্যাপ্ত নয় বলেও তাদের দাবি। ছাতক-সিলেট সড়কে যান চলাচল শুরু হলেও প্রবল স্রোতে রাস্তার পাশের মাটি সরে গেছে। দেখা দিয়েছে বিশাল বিশাল গর্ত। শহরকেন্দ্রিক কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হয়েছে। গ্রামের দিকে এখনো অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রয়েছেন আশ্রয় নেয়া লোকজন। স্মরণকালের এই ভয়াবহ বন্যায় এখানে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে কয়েক হাজার কাঁচা ঘরবাড়ি। ধান, চাল, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি। অনেকের ঘর হারিয়ে আশ্রয়হীন হয়েছেন অনেক মানুষ। উপজেলার ছৈলা ইউনিয়নের পারভীন বেগম বলেন, পানির কারণে ঘরে ধান চালসহ মূল্যবান জিনিস নষ্ট হয়েছে। আজও ত্রাণের দেখা পাইনি। সর্বনাশা বন্যায় ছাতকে শিশুসহ প্রাণহানি ঘটেছে ১১ জনের। বন্যার পানি কমতে শুরু হলেও বাড়ছে জনদুর্ভোগ। নানা ধরনের রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে এখানে। দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের রাটু মিয়া জানান, বন্যার পানিতে কাঁচা ঘর ভেঙে পড়ে গেছে। হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল সব ভেসে গেছে।

শাল্লা থেকে ভোরের কাগজের প্রতিনিধি জয়ন্ত সেন জানিয়েছেন, শাল্লায় এখনো হাজার হাজার বানভাসি মানুষ ঘরে ফিরতে পারেননি। সরকারি হিসাবে ৭০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ হাজার শরণার্থী আশ্রয় নিলেও অনেক বেশি সংখ্যক বন্যাক্রান্ত মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন আত্মীয়পরিজনদের বাড়িতে। চিড়া, মুড়ি, চাল, ডাল পেলেও রান্না-বান্নার জন্য অনেকই চরম কষ্টে আছেন বলে জানান তারা। আশ্রয়কেন্দ্রের অনেকেই একাধিকবার ত্রাণ পেলেও আত্মীয়দের বাড়িতে আশ্রয় নেয়া মানুষগুলো একবারও পাননি ত্রাণ। উপজেলার সুখলাইন, আনন্দপুর, আঙ্গারোয়া বাহাড়া গ্রামের শতশত পরিবার দিরাই-শাল্লা অসমাপ্ত সড়কে আশ্রয় নিয়েছেন। এতে খাবার-দাবার, শৌচাগার, যোগাযোগসহ উপজেলার ১১৯টি গ্রামের মানুষ মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছেন। এখানো এই চরম দুর্ভোগে আছেন উপজেলার বহু মানুষ। অনেক গ্রামে মানুষের বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। ধীরে ধীরে পানি নোংরা হওয়ায় ডায়রিয়াসহ নানা রোগের আশঙ্কায় আছেন মানুষ। তবে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার এবং ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে নতুন নতুন গ্রাম ও প্রধানমন্ত্রীর দেয়া মুজিববর্ষের উপহার স্বরূপ আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় সরকারি ঘর পাওয়া মানুষগুলো। উপজেলার ১ হাজার ৪৩৫টি ঘরেই এই ভয়াবহ বন্যার পানি উঠেছে। ইতোমধ্যে বন্যার পানি কিছুটা কমতে শুরু করায় বেশকিছু ঘরে এখনই ধস ও ফাটল দেখা দিয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা। ফলে চরম হুমকির মুখে রয়েছে গৃহহীনদের উপহারের এসব ঘরগুলো। বাহাড়া ইউপির সুখলাইন গ্রামের নতুনপাড়াটির অবস্থাও একই। একই অবস্থা হাবিবপুর ইউপির নোয়াগাঁও গ্রামের নতুনহাটির প্রায় ৪০টি ঘরের। বাহাড় গ্রামের নতুনহাটির অর্ধশত ঘরে পানি ঢুকেছে। শান্তিপুর, ভেড়াডহর, আটগাঁও, নিজগাঁও, ইয়ারাবাদ, তাজপুর, কাদিরপুর নয়াহাট, সেননগর, নাছিরপুর, সহদেবপাশা, মনুয়া নয়াহাটি, গ্রাম শাল্লা নতুনহাটি, খল্লি, রাহুতলা, নিয়ামতপুর, মৌরাপুর, মার্কুলী, টুকচাঁনপুর, নারায়ণপুর নতুনহাটি, শশারকান্দা, চাকুয়া, রামপুর, ফয়েজুল্লাহপুর, ডুমরা নতুনহাটিসহ সারা উপজেলাজুড়ে প্রলয়ঙ্করী বন্যায় ডুবে যায় এসব গ্রামের হাজার হাজার পরিবার। সুখলাইন গ্রামের প্রণয় দাস বলেন, সব ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে গেছে। সুখলাইন নতুনহাটিতে সরকারি ঘর আছে ২৩টি। সব ঘরে পানি উঠেছে। আমরা সড়কে আশ্রয় নিয়েছি। কবে ঘরে যেতে পারব জানি না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তালেব বলেন, ৩ থেকে ৪টি গ্রাম ছাড়া সব গ্রামেই ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হয়েছে। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, আমরা গ্রামে গ্রামে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছি। সব ধরনের সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। মানুষের পাশে আছেন বলে জানান তিনি।

এদিকে সিলেটের বন্যাসংক্রান্ত আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে এখনো প্রায় ৬০ হাজার মানুষের আহাজারি চলছে। ঘরে ফেরার তাড়নায় ছটফট করছেন তারা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় একেকটা দীর্ঘশ্বাসে নিত্য ভারি হচ্ছে বাতাস। আছে খাওয়ার কষ্টসহ আরো নানা কষ্ট আর আতঙ্ক। সর্বশেষ শনিবার সিলেটের ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত ৬০ হাজার মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আশ্রিত সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায়। মোট ৫৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন সাত হাজার ৭৪০ জন বানভাসি।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়