বাজেট বাস্তবায়নে স্থানীয় সরকারের সক্ষমতা বাড়াতে হবে

আগের সংবাদ

খোলা সয়াবিন লিটারে কমল ৫ টাকা, বোতলে ৬ টাকা

পরের সংবাদ

টিপু-প্রীতি হত্যা

আদালতে মুসার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

প্রকাশিত: জুন ২৬, ২০২২ , ৬:০৭ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ২৬, ২০২২ , ৬:১১ অপরাহ্ণ

রাজধানীর শাহজাহানপুরে মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু ও কলেজছাত্রী সামিয়া আফরিন প্রীতি হত্যা মামলায় সুমন শিকদার ওরফে মুসা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

রবিবার (২৬ জুন) শাহজাহানপুর থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা মো. শওকত আকবর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির বিষয়টি জানান।

জানা যায়, তৃতীয় দফার রিমান্ড চলাকালে শুক্রবার মুসা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তাকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক (নি.) মোহাম্মদ ইয়াসিন শিকদার। তার স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শেখ সাদী তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এরআগে গত ১৭ জুন মুসার ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। তারআগে ১০ জুন প্রথম দফায় মুসার ১৫ দিনের রিমান্ড চাইলে ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

জানা যায়, টিপু-প্রীতি হত্যার ঘটনায় বগুড়া থেকে গ্রেফতার শুটার মাসুম মোহাম্মদ ওরফে আকাশের স্বীকারোক্তিমূলক জবাববন্দিতে মূল পরিকল্পনাকারী ও সমন্বয়কারী হিসেবে মুসার নাম আসে। পরে জানা যায়, মুসা ঘটনার আগেই ১২ মার্চ দেশ ছেড়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত চলে যান। পুলিশ সদর দপ্তর ৮ এপ্রিল মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ইন্টারপোলের মাধ্যমে যোগাযোগ শুরু করে। ৮ মে জানা যায়, মুসা দুবাই থেকে ওমানে প্রবেশ করেছেন। এরপর ইন্টারপোলের ওমান পুলিশ এনসিবির সহযোগিতায় গত ১২ মে মুসাকে গ্রেপ্তার করে। পরে গত ৯ জুন বাংলাদেশ পুলিশের একটি টিম ওমানে গিয়ে মুসাকে দেশে ফিরিয়ে আনে।

এরআগে গত ২৪ মার্চ রাত সোয়া ১০টার দিকে শাজাহানপুর ইসলামী ব্যাংকের সামনে টিপুর গাড়ি লক্ষ্য করে হেলমেট পরা দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি গুলি করে। গুলিতে টিপু, তার গাড়িচালক মুন্না ও রিকশা আরোহী রাজধানীর বদরুন্নেছা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী প্রীতি গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় টিপু ও প্রীতির মৃত্যু হয়। পরদিন শুক্রবার নিহত টিপুর স্ত্রী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১১, ১২, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফারহানা ইসলাম ডলি বাদী হয়ে শাজাহানপুর থানায় মামলা করেন। মামলা নাম্বার ১৮(৩)২২। অভিযোগে তিনি কারো নাম উল্লেখ না করে অজ্ঞতানামা আসামি হিসেবে মামলা দায়ের করেন।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়