পদ্মা সেতু করে দেখিয়ে দিয়েছি আমরাই পারি: প্রধানমন্ত্রী

আগের সংবাদ

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় ডোপ টেস্ট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পরের সংবাদ

একদিনেই বদলে গেছে শিমুলিয়া-ফেরিঘাট, যাত্রী সংকটে লঞ্চ-ফেরি

প্রকাশিত: জুন ২৬, ২০২২ , ১২:৪৫ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ২৬, ২০২২ , ১২:৪৫ অপরাহ্ণ

একদিনেই বদলে গেছে শিমুলিয়া- বাংলাবাজার নৌরুটের দৃশ্যপট। পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় রবিবার এই নৌপথে যাত্রীর চাপ কমেছে। লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও অন্যান্য দিনের মতো যাত্রী পাচ্ছে না। যাত্রীর চাপ কম থাকায় লঞ্চ ও স্পিডবোটগুলো অনেক সময় নিয়ে ঘাট ছেড়েছে। ঘাটে আর আগের মতো যাত্রীদের হাঁকডাক নেই।

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আগে লঞ্চ এবং স্পিডবোটগুলো কিছুক্ষণ পরপরই যাত্রী নিয়ে ঘাট ছেড়েছে। কিন্তু রবিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ৫/৬টি লঞ্চ শিমুলিয়া ঘাট ছেড়েছে বলে জানা গেছে। লঞ্চগুলোতে ৮০ থেকে ১০০ জন করে যাত্রী ছিল।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় লঞ্চ, ফেরি ও স্পিডবোট গুলোতে যাত্রী সংকট দেখা দিয়েছে। বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাসের সংখ্যা ব্যাপক হারে কমে গেছে। আগামী দিনগুলোতে যানবাহনের সংখ্যা আরো কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ মানুষ এখন পাঁচ থেকে ছয় মিনিটের মধ্যেই সেতুর উপর দিয়ে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে। তাই দীর্ঘ সময় ধরে পারাপারে কেউ ঝুঁকি নেবে না।

বিআইডব্লিউটিএ এর লোকজন জানিয়েছেন, সেতুর জাজিরা প্রান্ত দিয়ে যাত্রীবাহী বাসগুলো সরাসরি চলে যাচ্ছে ঢাকার দিকে। সেতুর বাইপাসে যারা ঢাকায় আসার অপেক্ষায় রয়েছে এসব যাত্রীদের বাসগুলো তুলছে না। বাধ্য হয়ে এসব লোকজনই নৌপথে পারাপার হচ্ছে। অনেকেই বাড়ির সামনে থেকে বাসনাতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর ফ্রিল্যান্সিং স্পিডবোটে পদ্মা পাড়ি দিয়ে শিমুলিয়া ঘাটে এসে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন।

লঞ্চ কর্মচারীরা জানিয়েছেন, নিয়ম অনুযায়ী স্বাভাবিকভাবেই লঞ্চগুলো ছেড়ে যাচ্ছে। তবে যাত্রী পারাপারে এতে অনেক সময় লাগছে।

লঞ্চ মালিক সমিতির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগের ভাড়াতেই লঞ্চগুলো যাত্রী পারাপার করছে। তবে যাত্রী পেতে হলে লঞ্চের ভাড়া কমানোসহ নানা উদ্যোগ নিতে হবে। তা না হলে কিছুদিন পরে মাওয়া এবং জাজিরা প্রান্ত থেকে শুধুমাত্র সেতু পারাপারের জন্যই বাস সার্ভিস চালু হবে বলে শোনা যাচ্ছে। তখন লঞ্চের যাত্রী আরো কমে যাবে। তাই লঞ্চ ভাড়া কমাতে হবে।

স্পিডবোট চালকরাও জানিয়েছে আগে যাত্রীর কোনো অভাব ছিল না। ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী নিয়েই এই পথ পাড়ি দিয়েছেন। কিন্তু মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে এখন যাত্রী সংকট দেখা দিয়েছে। তবে ভাড়া না কমালে এভাবে বেশিদিন টিকে থাকা যাবে না।

রি-ডিডিএম/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়