বিয়ের ছয়মাস পর ক্যাটরিনাকে নিয়ে ভিকির সুখানুভূতি

আগের সংবাদ

বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে ২৬ শতাংশ, দেশে সমন্বয়ের দাবি

পরের সংবাদ

রাজধানীতে গৃহকর্মীসহ ৩ নারীর অস্বাভাবিক মৃত্যু

প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২২ , ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুন ২৪, ২০২২ , ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ

রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় গৃহকর্মীসহ তিনজন নারীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এরা হলেন রামপুরা বনশ্রীর গৃহকর্মী সোনিয়া আক্তার (১৪), বংশাল নবাবকাটারা এলাকার আসমা বেগম (৪০) ও মুগদার ফারিয়া ওরফে রিয়া (১৭)।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) দিবাগত রাতে এসব ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত আড়াইটার দিকে দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। আর রিয়ার মরদেহ উদ্ধর করে সরাসরি মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

মৃত সোনিয়ার বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলা উজেলায়। বর্তমানে রামপুরা বনশ্রীর সি ব্লক, ৮ নম্বর রোডের ২৪ নম্বর চতুর্থ তলা বাড়ির দ্বিতীয় তলার বাসায় কাজ করতো সে। থাকে ওই বাসাতেই।

গৃহকর্তা নাজগীর আহমেদ জানান, মাত্র দুইমাস আগে সোনিয়ার বড়বোনই তাকে ওই বাসায় গৃহকর্মীর কাজের জন্য দিয়ে যান। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সবাই বাসায় ছিলেন। রাত সাড়ে নয়টার দিকে গৃহকর্তা বারান্দায় গিয়ে দেখেন ব্যায়াম করার জন্য ঝুলানো রিং এর সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছে সোনিয়া। সঙ্গে সঙ্গে তাকে নামিয়ে ফরাজি হাসপাতালে নিয়ে যান তারা। পরে পুলিশে খবর দিলে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই রাত আড়াইটার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। কী কারণে সে গলায় ফাঁস দিতে পারে সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি গৃহকর্তা।

এদিকে, বংশাল নবাবকাটারা ২৩/৫ নম্বর বাড়ির দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন গৃহিণী আসমা।

তার ছোট ভাই মো. রাজু জানান, দেলোয়ার হোসেনের সাথে ১৮ বছর আগে তার বিয়ে হয়। তাদের কোনো সন্তান নেই। পারিবারিক বিভিন্ন কারণে গতমাসের ২২ তারিখ স্বামীকে তালাক দেন তিনি। তবে সম্প্রতি তিনি আবার সাবেক স্বামীর সাথো যোগাযোগ করছিলেন নতুন করে আবার সংসার শুরু করার জন্য। তবে দেলোয়ার এতে রাজি হচ্ছিলেন না। এনিয়েই রাগ করে গতরাতে বাসায় ফ্যানের সাথে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেয় সে। পাশের রুমের ভাড়াটিয়া দেখতে পেয়ে রাত দেড়টার দিকে খবর দেয় তাদের। তখন তাকে স্বজনরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত করে বলেন, দুটি মরদেহই ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

অপরদিকে, মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফেরদৌসি আক্তার জানান, খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে মুগদা থানার পাশের গলির একটি বাড়ির ছয়তলা থেকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না জড়িয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত অবস্থায় ফারিয়া ওরফে রিয়ার (১৭) মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ছয়মাস আগেই তার বিয়ে হয়েছে।

তিনি জানান, রিয়ার বাড়ি ফরিদপুর কোতোয়ালী থানায়। গত পরশুদিন চিকিৎসার জন্য সে গ্রাম থেকে মুগদার তার এক আত্মীয়ের ওই বাসায় আসে। তবে গতকাল বৃহস্পতিবার মোবাইল ফোনে মায়ের সাথে রাগারাগি হয় তার। পরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়