ঢাবি 'চ' ইউনিটে বহুনির্বাচনী অংশের ফলাফল প্রকাশ

আগের সংবাদ

ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে চার ধাপ অবনমন, ২১১ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১৯২

পরের সংবাদ

সবুজ পাসপোর্টে ১৩০ দেশ ভ্রমণ আসমা আজমেরীর

প্রকাশিত: জুন ২৩, ২০২২ , ৩:৫৬ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ২৩, ২০২২ , ৪:০৫ অপরাহ্ণ

১৫০টি দেশ ভ্রমণ করতে চান তিনি। চান পাসপোর্টের বৈষম্য নিরসন।

বাংলাদেশি সবুজ পাসপোর্টে ১৩০ দেশ ভ্রমণ করেছেন কাজী আসমা আজমেরী। তিনি জন্মগ্রহণ করেছেন খুলনা শহরে। বড় হয়েছেন শহরের দোলখোলা কাজীবাড়িতে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেছেন খুলনায়। উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন ঢাকায় ও বিদেশে।

সদ্য কৈশোর পেরিয়ে তারুণ্যের শুরুতে একা একাই প্রথম বিদেশ ভ্রমণ করেন নেপালে। সেই প্রথম বিদেশ ভ্রমণে আছে তার নানা তিক্ত অভিজ্ঞতা। এরপর বাংলাদেশি সবুজ পাসপোর্টে একে একে বিশ্বের ১৩০টি দেশ ভ্রমণ করেছেন। এসব দেশ ভ্রমণ করতে সময় লেগেছে মাত্র ১৩ বছর।

বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে ব্রান্ডিং করছেন কাজী আসমা আজমেরী। আন্তর্জাতিক মহলে তাকে পাসপোর্ট গার্ল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন জাতিসংঘের সাবেক প্রেসিডেন্ট বাম কি মুন।

জিম্বাবুয়ে কাজী আসমা আজমেরী।

তিনি শুধু একজন বিশ্ব ভ্রমণকারী নয়। একজন চেঞ্জ মেকার ও মোটিভেশন স্পিকার। আজমেরী এ পর্যন্ত বিশ্বের ৬৫০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে তার ভ্রমণের গল্প ও অভিজ্ঞতা শুনিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশি সবুজ পাসপোর্টে বিশ্ব ভ্রমণের মাধ্যমে নারীর প্রতি বৈষম্য বিলোপ। নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং পাসপোর্ট বৈষম্য দূরীকরণে কাজও করে যাচ্ছেন তিনি।

‘ট্রাভেলিং ইস ফর ওয়েইট লার্ন’-শীর্ষক আদর্শকে ধারণ করে খুলনা শহরের রায়পাড়ায় পৈতৃক বাড়িতে গড়ে তুলেছেন একটি লাইব্রেরি। সেখানে আছে দেশি-বিদেশি বই।

বিশ্ব ভ্রমণকারী হিসেবে তাকে ইন্ডিয়ার কুইন গ্রণ্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড শান্তির বার্তাবাহী বিশ্ব ভ্রমণকারী’ উপাধি দেয়া হয়েছে। ইন্ডিয়ার ক্রেজি ট্যালেস নামক একটি নারী সংগঠন থেকে যেখানে ১৩০ জন নারীর সঙ্গে নারী ট্রাভেল ইনফ্লেকশন হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ।

সমুদ্র সৈকতে কাজী আসমা আজমেরী।

কাজী আসমা আজমেরী বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ভ্রমণের সময় বাংলাদেশি সবুজ পাসপোর্টের কারণে বিভিন্ন এয়ারপোর্টে এবং ইমিগ্রেশনে হয়রানির শিকার হয়েছেন। এমন কী জেলও খেটেছেন। তারপরও তিনি হাল ছাড়েননি। এয়ারপোর্ট থেকে তাকে ফেরত দেওয়া হয়েছে। কারণ তিনি বাংলাদেশি সবুজ পাসপোর্ট ব্যবহার করেন। এত হয়রানির পরও তিনি বাংলাদেশকে তুলে ধরতে ভ্রমণ করে যাচ্ছেন। এ বছর তিনি ১৫০টি দেশ ভ্রমণ সম্পন্ন করবেন। ভ্রমণের সময় তিনি সব পাসপোর্টের বৈষম্য নিরসন চান।

তিনি বলেন, আমার সুযোগ ছিল ইউরোপ-আমেরিকায় নাগরিকত্ব নিয়ে বসবাস করার। তারপরও আমি সুইজারল্যান্ডে বসবাস করি। আমি বাংলাদেশের পাসপোর্টে ভিসা নিয়ে বিশ্বের সব দেশ ভ্রমণ করতে চাই।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়