পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেন বিএনপি নেতারা

আগের সংবাদ

পোশাক শিল্প শ্রমিকদের কর্মস্থলে দুর্ঘটনা থেকে সুরক্ষায় নতুন উদ্যোগ

পরের সংবাদ

৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা মানছে না জেলেরা

প্রকাশিত: জুন ২২, ২০২২ , ১:০৩ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ২২, ২০২২ , ১:০৩ অপরাহ্ণ

বঙ্গোপসাগরে ৬৫ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পাথরঘাটাসহ দক্ষিণ উপকূলের বেশ কিছু অসাধু জেলেরা ইলিশ শিকার করছে।

সাগরে যাওয়ার পথে ইতিমধ্যেই বরগুনার পাথরঘাটার এফবি আলাউদ্দিন হাফিজ নামের দুটি‌ ট্রলার আটক করেছে পাথরঘাটার মৎস্য দপ্তর। প্রত্যেকটি ট্রলারকে ১০ হাজার করে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন পাথরঘাটা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু। বরগুনা জেলা মৎস্যজীবি ট্রলার মালিক সমিতির সধারণ সম্পাদক মাছুম কোম্পানীর মাছধরার ট্রলার দুদিন আগে সাগরে যাওয়ার পথে রসদ সামগ্রীসহ পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের বাদুরতলা খাল থেকে আটক হয়।

পাথরঘাটা মৎস্য কর্মকর্তারা জানান, মাছ ধরার ট্রলার রাতের আধারে প্রসাশনের চোখকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সাগরে যাওয়ার জন্য ট্রলারে বরফসহ অন্যান্য রসদ সামগ্রী নিয়ে নদীর তীরে প্রস্তুতি নিচ্ছিল। আমরা নদীতে অভিযানে নামলে তারা ট্রলারগুলোকে গোপনীয় স্থানে সরিয়ে রাখে। বিশ্বস্ত সূত্রে খবর পেয়ে আমরা ট্রলার দুটি আটক করে জরিমানা করি। তিনি আরো বলেন, ট্রলারে থাকা প্রায় ৩ লক্ষ টাকার বরফ কেরোসিন দিয়ে নষ্ট করে দিয়া হয়েছে।

ট্রলারের মালিক মাসুম কোম্পানি বলেন, আমি ঢাকায় ছিলাম। ট্রলার দুটি সাগরে যাওয়ার জন্য নয় নদী মোহনায় মাছ ধরার জন্য প্রস্তুত নিচ্ছিল। মৎস্য অধিদপ্তর খবর পেয়ে জরিমানা করেছে। এদিকে নির্ভরযোগ্য সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, পাথরঘাটা ও আশেপাশের এলাকার কমপক্ষে ১০টি মাছ ধরার ট্রলার গভীর সমুদ্রে রয়েছে।

স্থানীয় মহলের ধারণা মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে সেটি অকার্যকর করতে কতিপয় স্বার্থান্বেষী অসাধু জেলে গোপন পথে ইলিশ শিকার করে সরকারের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিচ্ছে। এই অঞ্চলে কার কয়টি মাছধরার ট্রলার রয়েছে এবং সেই ট্রলারগুলো কোথায় কিভাবে আছে এতোটুকু অনুসন্ধান করলেই অবৈধ পথে ইলিশ শিকার রোধ করা সম্ভব।

রি-এটি/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়