নগর পরিবহনের আরও ২০০ বাস চালু হচ্ছে ১ সেপ্টেম্বর

আগের সংবাদ

বন্যায় দেশে ৩৬ মৃত্যু, সিলেটেই ২২

পরের সংবাদ

বন্যার কবলে ৫৬ হাজার হেক্টর আউশ ধান

প্রকাশিত: জুন ২১, ২০২২ , ৫:৫৬ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ২১, ২০২২ , ৮:৫৫ অপরাহ্ণ

কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, এখন মাঠে বড় ধরনের কোনো ফসল নেই। তারপরও চলমান বন্যায় সুনামগঞ্জে ও সিলেটে ২২ হাজার হেক্টর জমির আউশ ধান আক্রান্ত হয়েছে। এখন বন্যা কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, মৌলভীবাজারসহ অনেক জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। এতে এখন পর্যন্ত সারা দেশে প্রায় ৫৬ হাজার হেক্টর জমির আউশ ধান আক্রান্ত হয়েছে। এছাড়া শাকসবজি, তিল, বাদামসহ আরও অনেক ফসলের প্রভূত ক্ষতিসাধন হয়েছে। বন্যা দীর্ঘস্থায়ী না হলে এখন পর্যন্ত যতটুকু ক্ষতি হয়েছে, সেটা পুষিয়ে নেয়া সম্ভব। সেজন্য ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতিও শুরু করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুন) সচিবালয়ে মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিরুজিমাথ সামীরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

আমন ধানের উৎপাদনে যাতে ক্ষতি না হয় সেদিকে গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে এমনটি জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে আমন ধান একটি গুরুত্বপূর্ণ ফসল। যেখানে বছরে এক কোটি ৫০ লাখ টনের মতো চাল উৎপাদন হয়। এখন রোপা আমনের বীজতলা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। বন্যা আর না বাড়লে বীজতলা তেমন ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। তবে বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমনের বীজতলা তৈরির জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। যেসব বীজতলা করা হয়েছে, তা ক্ষতিগ্রস্ত হলে আবার করা হবে। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত বীজ সংরক্ষিত আছে, সেগুলো চাষীদের দেওয়া হবে। অন্যদিকে, বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে নাবী জাতের (লেইট ভ্যারাইটি) ধান চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, সব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। বন্যার কারণে যদি আমন ধান উৎপাদন ব্যাহত হয় অথবা চাষ করা না যায়, তাহলো রবি মৌসুমে ফসলের উৎপাদন বাড়াতে হবে। সেজন্য ক্ষতি পোষাতে কৃষকদের বীজ, সেচ, সারসহ বিভিন্ন উপকরণ বিনামূল্যে দেয়া হবে।

চলমান বন্যার কারণে শাকসবজির দামে প্রভাব পড়তে পারে এমন একটি প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, এ বন্যার কারণে দেশে খাদ্য সংকট হবে কিনা তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

বৈঠকে মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিরুজিমাথ সামীর বাংলাদেশ থেকে আম নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এছাড়া, বাংলাদেশের বিশাল সামুদ্রিক সম্পদের আহরণে মালদ্বীপ সহযোগিতা করবে বলেও জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী।

এর আগে সকালে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাথে অধীনস্থ সংস্থাসমূহের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন ও শুদ্ধাচার পুরস্কার বিতরণ করেন। এ সময় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংস্থা প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়