মানব কল্যাণে যোগ

আগের সংবাদ

রোহিঙ্গা সমাবেশে ১৯ দফা : প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া কতদূরে?

পরের সংবাদ

অপপ্রচার পিছু ছাড়ছে না পদ্মা মহাসেতুর

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী

অধ্যাপক (অবসরপ্রাপ্ত), ইতিহাসবিদ ও কলাম লেখক

প্রকাশিত: জুন ২১, ২০২২ , ২:২৫ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুন ২১, ২০২২ , ২:২৫ পূর্বাহ্ণ

আগামী ২৫ জুন দীর্ঘ প্রতীক্ষিত পদ্মা মহাসেতুর উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে পদ্মার দক্ষিণ তীরে জাজিরায় উদ্বোধন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এত বড় একটি অর্জন বাংলাদেশ করতে পেরেছে এটি আমাদের কাছেই একসময় অবিশ্বাস্য ছিল। কিন্তু সেই অবিশ্বাস্যকেই বাংলাদেশ সম্ভব করতে পেরেছে। এটি মোটেও হালকা করে দেখার বিষয় নয়। গোটা বাংলাদেশ এখন থেকে সংযুক্ত হয়ে গেল এক মহাসোপানে।
শত শত বছর পদ্মা, মেঘনা, যমুনা আমাদের এই ছোট দেশটিকেই দুটি ভাগে বিভক্ত করে রেখেছিল। যমুনা নদীর ওপর একটি সেতু করার চিন্তা ষাটের দশকেই করা হয়েছিল। ১৯৭০-এর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু প্রতিশ্রæতি দিয়েছিলেন ক্ষমতায় গেলে যমুনা নদীর ওপর একটি সেতু করা হবে। যমুনা নদীর কারণে উভয় অঞ্চলের মধ্যে অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা বাড়ছিল। উত্তরবঙ্গে মঙ্গা কিছুতেই মানুষের জীবন থেকে যাচ্ছিল না। অথচ উত্তরবঙ্গে উর্বর জমি আছে, মানুষও আছে। কিন্তু যোগাযোগ ব্যবস্থার দুরবস্থার কারণে এই সমস্যার সমাধান হচ্ছিল না। সে কারণে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধপরবর্তী জাতীয় জীবনের কঠিন সংকটকালেও ১৯৭৩ সালেই যমুনা সেতু নির্মাণের জন্য জাইকার সঙ্গে এর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নেন। বাংলাদেশের মতো একটি দেশে এত বড় একটি সেতু করা মোটেও সহজ কাজ ছিল না। এরশাদ সরকারের আমলে যমুনা সেতু নির্মাণের জন্য রেলের টিকেটসহ নানা বিষয়ের ওপর যমুনা সেতু সারচার্জ কাটার প্রবর্তন করা হয়। নিজস্ব কিছু অর্থ এর মাধ্যমে সঞ্চয় করাই ছিল মূল লক্ষ্য। এরপর প্রায় ৮-৯ বছর যমুনা সেতুর নির্মাণকাজ চলেছিল। সেটি ১৯৯৮ সালে সমাপ্ত ও চালু হয়। যমুনা সেতু হওয়ার কারণে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে পূর্ব তীরের রাজধানী ঢাকাসহ অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ ও যাতায়াত ব্যবস্থা সহজতর হয়। উত্তরবঙ্গের মানুষের জীবন থেকে মঙ্গা বিদায় নিতে থাকে। গোটা উত্তরবঙ্গের আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থায় যে পরিবর্তন ঘটেছে তার পেছনে বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতুর ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু দক্ষিণবঙ্গের ২১টি জেলার সঙ্গে পদ্মার পূর্ব তীরের অবশিষ্ট বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ফেরি-লঞ্চ ছাড়া কিছুতেই উন্নয়ন ঘটানো যাচ্ছিল না। কেন না পদ্মা পৃথিবীর দ্বিতীয় খরস্রোতা নদী। আমাজন নদী এবং আমাদের পদ্মার প্রমত্ততার সঙ্গে যেমন মিল আছে আবার খরস্রোতা পদ্মায় পলির প্রবাহের ফলে এই নদীর ওপর কোনো সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা চিন্তা করা অনেকের কাছেই দুরূহ ব্যাপার ছিল। তারপরও বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতু হওয়ার পরপরই শেখ হাসিনার সরকার পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রæতি দিয়েছিলেন। ২০০১ সালের ৪ জুলাই পদ্মা সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর তিনি স্থাপনও করেছিলেন। ক্ষমতায় পরবর্তী মেয়াদে যাওয়ার সুযোগ ঘটলে সেই প্রতিশ্রæতি পূরণের অঙ্গীকারও দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ২০০১ সালের নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন ঘটায় পদ্মা সেতু নির্মাণের চিন্তায়ও পরিবর্তন ঘটে। সেই সময়কার সরকার এখন দাবি করছে যে তারা জাইকার সঙ্গে এই সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করার উদ্যোগ তখন নিয়েছিল। পদ্মা সেতু নির্মাণে কার্যক্রম এর বেশি কিছু এগোইনি এটিই চরম সত্য।
২০০৯ সালে শেখ হাসিনা সরকার গঠন করার পর পদ্মা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়। এর অর্থায়নসহ নির্মাণ সম্ভাব্যতার প্রাসঙ্গিক সব দিকই বিদেশি এবং দেশীয় বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে সম্পন্ন করার পর যখন নির্মাণকাজে হাত দেয়ার প্রস্তুতি চলছিল তখনই পদ্মা সেতুর বিরুদ্ধে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে থাকে। পদ্মা সেতু নির্মাণ শুরু হওয়ার বেশ আগে থেকেই দুর্নীতির নানা কল্পকাহিনী দেশে প্রচার করতে থাকে। সেই কল্পিত দুর্নীতির গুজব, প্রচার, প্রচারণা দেশে-বিদেশে সর্বত্র যেন বিনোদনের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। পত্রপত্রিকায় পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের ইঙ্গিত করে নানা দুর্নীতির কেচ্ছা-কাহিনী প্রচারিত হতে থাকে। যোগাযোগমন্ত্রী, সচিব, অর্থ উপদেষ্টা সবাই তখন যেন পদ্মা সেতুর টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করে খাচ্ছিলেন! অথচ বিশ্বব্যাংক, জাইকা, এডিবি, আইডিবিসহ কোনো দাতা সংস্থাই তখনো অর্থ ছাড় দেয়ার পর্যায়েই যায়নি। তার আগেই পদ্মা সেতুর টাকা, নির্মাণসংক্রান্ত ভাগ-বাটোয়ারা এমনভাবে প্রচারিত হচ্ছিল যেন সরকারের সবাই সবকিছু নীরবে দেখছিল, নানা গুজব ও অপপ্রচারও তখন গ্রামেগঞ্জে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। শহর, গ্রাম, গ্রামের হাটবাজারে, চায়ের দোকানে পদ্মা সেতুর টাকা ভাগাভাগির গল্প সবচেয়ে রসালো বিষয়ে পরিণত হতে থাকে। খুব পরিকল্পিতভাবে এসব গুজব এবং অপপ্রচার ছড়ানোর জন্য একাধিক মহল, অসংখ্য ব্যক্তি যেন ঘুরে ঘুরে অপপ্রচারে মানুষকে বিভ্রান্ত করার দায়িত্ব পালন করছিল। পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে সেই সময় এদেশের রাজনীতির ভেতরের নোংরা রূপটিই শুধু নয়, পরশ্রীকাতরতার ভয়াবহ দিকটিও লক্ষ্য করা গেছে। সঙ্গে সুশীল সমাজ, নাগরিক সমাজ, বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজ বলে যারা নিজেদের উচ্চমার্গীয় অবস্থানে চিন্তা করার কথা বলেন তাদেরও চিন্তার দৈন্যদশা দেখে বিস্ময়ে হতবাক হতে হয়েছিল। তারাও নানা গুজব বা অপপ্রচারে অংশ নিয়ে গণমাধ্যমে পদ্মা সেতুর টাকা লুটপাট, দুর্নীতি, মন্ত্রী, সচিব এবং সরকারের চরিত্র হননের প্রতিযোগিতায় নেমেছিলেন। কিন্তু তারা একবারও তলিয়ে দেখেননি এর পেছনে একটি গভীর ষড়যন্ত্র কাজ করছিল। সেই ষড়যন্ত্রের ফাঁদে তারাও পা দিয়েছিলেন। সবাই যেন এদেশে সৎ, আর পদ্মা সেতু নির্মাণের উদ্যোগকে যারা তখন এগিয়ে নিচ্ছিলেন তাদের গণমাধ্যমের সম্মুখে চোর-ডাকাত বলে অভিহিত করতে দ্বিধা করেননি। সেই সময়ের পত্রপত্রিকাগুলো খুললেই সহজেই জানা যাবে পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে কী পরিমাণ বিভ্রান্তি, অপপ্রচার, গুজব এবং চিন্তার দৈন্যদশায় আমাদের কোন কোন মহল কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল। এরপর দাতা সংস্থাগুলো যেসব শর্ত দিচ্ছিল সেগুলোকেই পূত-পবিত্র বাইবেল মনে করে কারা কী বলছিলেন, কী লিখেছিলেন, কী প্রচারে নেমেছিলেন সেটিও পদ্মা সেতুবিরোধী অভিযানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এরপর যখন ২০১২ সালের ২৯ জুন ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট রবার্ট জোয়েলকি ঋণ বাতিলের ঘোষণা দেন তখন বাংলাদেশে পদ্মা সেতুবিরোধীরা বিজয় উৎসবে যেন নেমেছিল। নর্তন-কুর্দন করে তারা দেশকে ছোট করতে এতটুকু দ্বিধা করেনি। কিন্তু সরকারপ্রধান শেখ হাসিনাসহ পদ্মা সেতু প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত সবাই জানতেন এটি দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক একটি মহলের বড় ধরনের ষড়যন্ত্র। এই অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।
আমরা বেশ আগে থেকেই বুঝতে পেরে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিলাম, লেখালেখি করেও বলার চেষ্টাও করেছিলাম যে এটি একটি ষড়যন্ত্র, মিথ্যা অপপ্রচার। বিশ্বব্যাংক অনুদান বাতিল ঘোষণার পরও আমরা নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে পদ্মা সেতু নির্মাণের চ্যালেঞ্জ গ্রহণের আহ্বান জানাই। ২০১২ সালের ৩ জুলাই দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘পদ্মা সেতু নির্মাণের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ জরুরি’ শিরোনামে আমার লেখা একটি নিবন্ধ ছাপা হয়। আমার বিশ্বাস আরো অনেকেই তখন নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের চ্যালেঞ্জ নেয়ার পক্ষে অবস্থান নেন। প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও যারা চ্যালেঞ্জ গ্রহণের ধ্বনি তুলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তাদের পক্ষেই দৃঢ়ভাবে অবস্থান নেন। ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ ও প্রযুক্তি নিয়েই এই কাজ শুরু হয়। নির্মাণকাজের এক পর্যায়ে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া পদ্মা সেতু সম্পর্কে ব্যাঙ্গাত্মক নানা শব্দ উচ্চারণ করে জনগণকে এই সেতুতে না ওঠার আহ্বান জানান। তার ভাষায় এই সেতুতে উঠলে নাকি সেতু ভেঙে মানুষ নদীতে পড়ে মারা যাবে। এটি দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও অন্যতম বড় রাজনৈতিক দলের প্রধানের মুখের ভাষা যখন হয়, তখন বুঝতে অসুবিধা হয় না যে এর নির্মাণের ফলে তার এবং তার দলের লোকদের গাত্রদাহ নিবারণ করতে পারছিলেন না। একসময় পদ্মা সেতুর কাজ যখন এগিয়ে চলছিল তখন সারাদেশে গুজব ছড়িয়ে দেয়া হয়েছিল যে পদ্মা হাজার হাজার শিশুর মাথা বলি চাচ্ছে! এ নিয়ে সারাদেশে অভিভাবকদের মধ্যে শিশুদের নিয়ে ব্যাপক ভীতি তৈরি হয়। থেমে থেমেই সেই গুজব সামাজিক গণমাধ্যমে প্রচারিত হতে থাকে। পদ্মা সেতু যত মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছিল তত এর বিরুদ্ধে নানা গুজব ও অপপ্রচার গণমাধ্যম কিংবা মুখে মুখে দেশব্যাপী নানা উপলক্ষে ছড়ানো হতে থাকে।
এখন পদ্মা মহাসেতু যখন উদ্বোধনের অপেক্ষায় তখন দেশের বিত্তশালীদের মধ্যেও নতুন অপপ্রচার চাউর হচ্ছে যে বর্তমান বাজারদরের ঊর্ধ্বমুখিনতা, গাড়িসহ বিলাসদ্রব্যে ট্যাক্স ধার্য ইত্যাদির পেছনে পদ্মায় বিপুল অর্থ খরচ যেমন হয়েছে, লুটপাটও হয়েছে অঢেল। সেই অর্থই এখন সরকার নানা ধরনের ট্যাক্স ধার্য করে আদায় করে নিচ্ছে। ধনীদের একটি বড় অংশ তাই এ কান থেকে ও কানে পদ্মা মহাসেতুর বিরুদ্ধে তাদের অসন্তোষের কথা ছড়িয়ে দিচ্ছে, নিজেদের গাড়ি এবং অন্যান্য বিলাসসামগ্রীর ওপর ট্যাক্স ধার্যের অজুহাত হিসেবে পদ্মা সেতুর ব্যয়কেই দেখছে। তারা দুই বছর অতিমারি করোনায় বিশ্বব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক সংকট, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং আমেরিকার অর্থনৈতিক অবরোধকে কারণ হিসেবে দেখছে না। অথচ পদ্মায় ২০১৫-১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা, যা বছরে ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি হয় না।
বাংলাদেশের বাজেট এখন এই সময়ে ৪-৬ লাখ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। বছরে এই বাজেট থেকে ৫-৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা বাংলাদেশের পক্ষে মোটেও অসম্ভব ব্যাপার নয়। কিন্তু আমাদের বিত্তশালীরাই যদি তা না বোঝেন তাহলে বিত্তহীনদের কিংবা কম বিত্তশালীদের কথা কী বলার আছে। বিত্তশালীরাই তো এখন পদ্মা মহাসেতু উদ্বোধনকে সহজে নিতে পারছেন না। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা গত কয়েকদিনে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। বিএনপির মহাসচিব পদ্মায় দুর্নীতি হয়েছে বলে এতদিন বলেছেন, এখন দাবি করছেন দেশে যখন বন্যা তখন সরকার পদ্মা সেতু নিয়ে উৎসবে মাতোয়ারা। বন্যার্তদের প্রতি ভ্রæক্ষেপ নেই। ২৫ তারিখ পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হচ্ছে, ফখরুল সাহেবের গাত্রদাহ কমছে না। তাই সেটি প্রশমনের জন্য ঢাকায় বসে বন্যার্তদের প্রতি দরদ দেখাতে সরকারকে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে অনুষ্ঠান বন্ধ করার নসিহত দিচ্ছেন। বন্যাকবলিত এলাকায় সেনাবাহিনী এবং সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, রাজনৈতিক দল ও সংস্থার লোকজন উদ্ধার কাজ করছেন, সেটি থেমে নেই। স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের আয়োজন থেমে থাকার কারণ নেই। তবে সেটি যেন হয় সময়ের বাস্তবতাকে বিবেচনায় রেখেই।

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী : অধ্যাপক (অবসরপ্রাপ্ত), ইতিহাসবিদ ও কলাম লেখক।
[email protected]

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়