বাস্তবায়নযোগ্য বাজেট চাই

আগের সংবাদ

সিলেটে ভয়াবহ বন্যা : পানিবন্দি মানুষকে বাঁচান

পরের সংবাদ

শেখ হাসিনার স্বপ্ন ও আমরা

আহমেদ আমিনুল ইসলাম

অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত: জুন ১৯, ২০২২ , ৫:৫৫ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুন ১৯, ২০২২ , ৫:৫৫ পূর্বাহ্ণ

বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বগুণের অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো তিনি অন্যান্য নেতানেত্রীর মতো কেবল ক্ষমতা ভোগদখল করেন না- ক্ষমতাকে দায়িত্ব মনে করে বড় বড় স্বপ্ন দেখে রাষ্ট্রের কল্যাণে নির্দিষ্ট কিছু ‘লক্ষ্যমাত্রা’ ও ‘রূপকল্প’ নিয়ে এগিয়ে যান। তার স্বপ্নের জন্যই বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। শেখ হাসিনার পরিকল্পিত ‘রূপকল্প’ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ এখন মধ্যম-আয়ের দেশ। উন্নয়নের রোল মডেল বাংলাদেশ। সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে রাজনীতি করেন বলে তার নেতৃত্বে এ দেশে বঙ্গবন্ধু হত্যাসহ যুদ্ধাপরাধের বিচার হয়েছে। অজস্র প্রতিবন্ধকতা পাশ কাটিয়ে স্মরণকালের আলোচিত পদ্মা সেতুর সফল বাস্তবায়ন তারই নেতৃত্বে সম্ভব হয়েছে। বিচিত্ররূপ গল্প-গাঁথা ও কল্পকাহিনী মিথ্যা প্রমাণ করে আমরা এখন পদ্মা সেতু উদ্বোধনের প্রহর গুনছি! কবে আসবে ২৫ জুন! ২৫ জুনের অপেক্ষায় সমগ্র জাতি! বাংলাদেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও পদ্মা সেতুর উদ্বোধন নিয়ে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ২৬ জুন থেকে নতুন এক বাংলাদেশ দেখার অপেক্ষায় সমগ্র বিশ্ব! পদ্মা সেতু আমাদের যোগাযোগকে যেমন ত্বরান্বিত করবে তেমনি দেশের অর্থনীতিকেও করে তুলবে প্রাণচঞ্চল। অনেকের ধারণা পদ্মা সেতু চালুর ফলে বাংলাদেশের জিডিপিতে অতিরিক্ত আরো যুক্ত হবে ১.৭-২ পর্যন্ত প্রবৃদ্ধি। তাই আমাদের আগ্রহ ও উৎসাহের শেষ নেই। কেবল বিএনপি-জামায়াতসহ সুশীল সমাজের কিছু মানুষের মুখে হাসি নেই। জননেত্রীর স্বপ্নপূরণের সাফল্যে তাদের মুখ যেন আষাঢ়ের ঘনকালো মেঘে আচ্ছন্ন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্য দিয়ে একাধিক্রমে এ দেশে অনেক সরকার রাষ্ট্র-ক্ষমতায় এসেছে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর পাকিস্তানসহ তার মিত্রশক্তি পুনরায় বাংলাদেশ সম্পর্কে অতি-উৎসাহী হয়ে ওঠে। এরা মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও দর্শনকে অবজ্ঞা করে পশ্চাদপদ মানসিকতায় রাষ্ট্র পরিচালনাসহ ধর্মভিত্তিক রাজনীতিকেও উৎসাহ দেয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় গৃহীত চার মূলনীতির আদর্শিক কারণে-উপরন্তু যুদ্ধে পরাজিত হওয়ায় স্বাধীন দেশে তারা কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল। অন্যদিকে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে যারা রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসীন হয়েছিল মানসিক দুর্বলতার কারণে তারা নিজেদের অস্তিত্ব সম্পর্কেও ছিল দ্বিধান্বিত। ঘাতক-শাসকরা তাই সাম্প্রদায়িক শক্তির ওপর নির্ভরশীল হয়েছিল। হত্যাকারীদের সমর্থন দানের মাধ্যম ধর্মভিত্তিক দলগুলো স্বাধীন দেশে রাজনীতির পাদপ্রদীপের আলোয় আসার সুযোগ পায়। অপরদিকে হত্যাকারী দুর্বৃত্তরাও ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার সুযোগ লাভ করে। আমরা যদি ভেবে দেখি যে, ক্যালেন্ডারের পাতায় ১৯৭৫ বলে কোনো সাল ছিল না, আগস্ট নামের মাস ছিল না, ১৫ আগস্ট কোনো দিন-তারিখ ছিল না- তবে আজ চারদিকে সাম্প্রদায়িক দ্বিধা-বিভক্তিজাত সামাজিক উত্তেজনাসমূহের এমন উলঙ্গরূপ আমাদের দেখতে হতো না। দেখতে হতো না সাম্প্রদায়িক অপশক্তির পাশবিক উল্লাসও। দুর্ভাগা বাঙালির ক্যালেন্ডারের পাতায় ১৯৭৫ সাল ছিল বলে, ১৫ আগস্ট ছিল বলে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নিহত হতে হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু নিহত হয়েছিলেন বলে সংবিধানের ৪ মূলনীতিরও অপমৃত্যু ঘটেছিল- গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও ধর্মনিরপেক্ষতার মাহাত্ম্য অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছিল। হত্যাকারীদের ষড়যন্ত্রের লক্ষ্যই ছিল সংবিধানকে ছিন্নভিন্ন করে দেশকে পাকিস্তানি আদর্শে ফিরিয়ে নেয়া। দীর্ঘ ২১ বছর বাংলাদেশ টানা পেছনের পথে হেঁটেছে। বাংলাদেশের এই উদ্দেশ্যহীন যাত্রায় রাষ্ট্র-ক্ষমতায় থাকা শাসকরা সর্বদা নিজেদের শাসন-শোষণকেই গুরুত্ব দিয়েছে। রাষ্ট্র কিংবা সাধারণ নাগরিকরা ছিল তাদের ভাবনার অতীত। যথেচ্ছাচার ভোগবিলাসই ছিল তাদের একমাত্র চাওয়া। তাই দীর্ঘ ২১ বছরে বাংলাদেশ উন্নয়নশূন্য হয়ে স্থির এক অবস্থানে দণ্ডায়মান ছিল।
দীর্ঘ আন্দোলন ও লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ২১ বছর পর গণরায় নিয়ে ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সেই পশ্চাৎপদতা থেকে জাতিকে উদ্ধারকল্পে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসেন। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা লাভ করলেও তিনি ‘ক্ষমতা’কে ‘দায়িত্ব’ বলে ঘোষণা করেছিলেন। রাষ্ট্র ও জনগণের দায়িত্ব নিয়ে উভয়ের কল্যাণে তিনি কাজ শুরু করেন। সে এক কঠিন কাজ! সামরিক, আধা-সামরিক ও গণতন্ত্রের নামে ছদ্ম-স্বৈরশাসকদের প্ররোচনায় জাতির মনন ও মগজে দীর্ঘ ২১ বছরে মিথ্যার চর্চাসহ পশ্চাৎপদ জীবনযাত্রার খুঁটিনাটি ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছিল। মিথ্যা ও বিকৃতির অপনোদনই ছিল প্রগতিশীল আদর্শে বিশ্বাসী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন। সে স্বপ্ন বাস্তবায়নও ছিল অত্যন্ত কঠিন। কঠিন হলেও হাল ছাড়েননি জননেত্রী। মিথ্যা ইতিহাসের বেসাতির পরিধি অতিক্রম করে এ দেশের মানুষকে আলোকিত ইতিহাসের ধারায় স্থিত করেছিলেন। ২১ বছরের জেঁকেবসা উন্মূল মানসিকতানির্ভর সমাজ ও রাজনীতির অভ্যস্ততা থেকে স্বাধীনচিন্তায় মানুষকে জাগ্রত করে তোলা মাত্র ৫ বছরের মেয়াদে কোনো অলৌকিক শক্তির পক্ষেও সম্ভব ছিল না। তবু এরই মধ্যে ইতিহাসের জঘন্যতম কালাকানুন ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ বাতিল করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার প্রক্রিয়া শুরু করেন। ফলে পুরনো শত্রæরা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে থাকে। ষড়যন্ত্র গভীরতর হয়। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সূ² কারচুপির নির্বাচনে গোপন-শক্তির সহায়তায় ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত আবার ক্ষমতায় আসে। নির্বাচনে জয়লাভের পরপরই বিএনপি-জামায়াতের তাণ্ডবে এদেশের মানুষ দিশাহারা হয়ে পড়ে। উন্মূল ও উদ্বাস্তুতে পরিণত হয় সংখ্যালঘু সব সম্প্রদায়ের মানুষ। শুধু সংখ্যালঘুই নয়- প্রগতিশীল চিন্তার মানুষও নিত্যদিনের ঘটনাপ্রবাহে বিমর্ষ হতে থাকে। সংখ্যালঘু নির্যাতন ও নিপীড়নের পাশাপাশি সে সময় বিএনপি-জামায়াতের সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতায় দেশে জঙ্গিবাদী শক্তিরও উত্থান ঘটে। একদিকে জঙ্গি সংগঠনের উত্থান অপরদিকে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিষবাষ্পে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে সাধারণ মানুষ! শুধু তাই নয়- এ সময় বিএনপি-জামায়াতের বাইরে অন্যান্য দলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনাও হয়ে পড়ে বিরাট চ্যালেঞ্জ।
আমরা দেখেছি, ২০০৪ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা জননেত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় ২১ আগস্ট একের পর এক গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। ইতিহাসের কলঙ্কিত সেই গ্রেনেড হামলায় জননেত্রী অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেও চোখ ও কান মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও মাঠ পর্যায়ের ২৪ জন নেতাকর্মী সে হামলায় নিহত হয়েছিলেন। আওয়ামী মহিলা লীগের সভাপতি আইভি রহমান গ্রেনেডের আঘাতে ঝাঁঝরা হয়ে তিনদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে ২৪ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন। ২১ আগস্টের ঘটনায় আহতের সংখ্যা শতাধিক। এদের অনেকে এখনো নিজেদের দেহে গ্রেনেডের ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছেন! সবাই জানেন ২১ আগস্ট ‘হাওয়া ভবনের’ সিগনালেই শেখ হাসিনার ওপর ন্যক্কারজনক এ হামলার ঘটনা ঘটেছিল। পরবর্তী সময়ে তদন্তের নামে বিএনপি-জামায়াতের বুদ্ধিজীবীগণ ‘জজ মিয়া’ আখ্যান তৈরি করে- এও ইতিহাসের আরেক কলঙ্কজনক ঘটনা। জজ মিয়া ঘটনাও এদেশের অপরাজনীতির এক অন্ধকার দৃষ্টান্ত। বারবার জননেত্রী শেখ হাসিনার ওপর আঘাত এসেছে- তাকে হত্যার পরিকল্পনা ও উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল কমপক্ষে ২০ বার! তবু জননেত্রী শেখ হাসিনা এ দেশের সাধারণ ও অসহায় মানুষের কথা ভেবে, তাদের নিয়ে বড় বড় স্বপ্ন দেখেন বলেই রাজনীতির মাঠ ছাড়েননি বরং সুদৃঢ় অবস্থানে থেকে মানবমুক্তির আলো ছড়িয়ে চলেছেন। ১/১১-উত্তর নানা ঘটনাপ্রবাহের শেষে ২০০৮ সালের নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ‘ভূমিধস’ বিজয় লাভ করে আবারো ক্ষমতায় আসে।
পূর্বেই যেমনটি বলেছি ‘ক্ষমতা’কে জননেত্রী ‘দায়িত্ব’ বলে ঘোষণা করেছিলেন। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি দ্বিতীয় বারের মতো রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব গ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। এবার তিনি আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রাজ্ঞ- স্বপ্নও এবার অনেক বড়। তার সেই প্রজ্ঞা ও দূরদৃষ্টি নিয়ে দেশে শুরু করেছিলেন রূপকল্প ২০২০ বাস্তবায়নের কর্মযজ্ঞ। তিনিই ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ অভিধায় রূপকল্প গ্রহণ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সঞ্চার করেছেন প্রাণস্পন্দন। তার মতো দৃঢ়চেতা নেতৃত্বের কারণেই সম্ভব হয়েছে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার। দেশ-বিদেশের নানা ষড়যন্ত্র, চাপ ও রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিনি তার সিদ্ধান্তে ছিলেন অটল। যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকার্য সম্পাদনের মাধ্যমে সমগ্র জাতিকে তিনি কলঙ্কমুক্ত করেছেন। বিশ্বের বুকে আমাদের মর্যাদা ও অহংকার বৃদ্ধি পেয়েছে। টানা তিন মেয়াদে দায়িত্বভার গ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে অনন্য মর্যাদায় পৌঁছে দিয়েছেন। পদ্মা সেতুর সাফল্যে সে মর্যাদা আজ যেন আকাশস্পর্শী হয়ে উঠেছে।
আমরা সব রাজনৈতিক দলকে দেখেছি নির্বাচনে জয়লাভের পর ক্ষমতাকে কুক্ষিগত রাখার চেষ্টায় নিজেদের ব্যস্ত রাখতে। কোনোরূপ মিশন ও ভিশন বিএনপি-জামায়াত চারদলীয় জোটের শাসনামলে দেখিনি। তখন দেশ চলেছে ‘নিরুদ্দেশ যাত্রায়’। ‘নিরুদ্দেশ যাত্রায়’ দেশ চললে কী হবে- বিএনপি নেতাদের নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ছিল দেশে-বিদেশে সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলা। ১/১১-উত্তর সেনাশাসিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসতে থাকে বর্ণিত ‘হাওয়া ভবনের’ মাধ্যমে বিএনপি নেতাদের দুর্নীতির লোমহর্ষক গল্পগাঁথা, যা রূপকথার কিসসা-কাহিনীকেও হার মানয়। শুধু দেশের ভেতরকার দুর্নীতিই নয়- অবৈধভাবে বিদেশে অর্থ পাচারের ক্ষেত্রেও দলের শীর্ষস্থানীয়রা নিজেদের রেকর্ড নিজেরাই ভেঙেছেন বারবার। পক্ষান্তরে, সততা ও আত্মমর্যাদায় অনন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ একের পর এক সফল অভিযাত্রা সম্পন্ন করছে। পদ্মা সেতু সেই সাফল্যের মুকুটে আরেকটি স্বর্ণপালক মাত্র! পদ্মা সেতুকে আমরা কেবল নদী পারাপারের সেতু মনে করি না- এরূপ ধারাবাহিক সাফল্যের সেতু পার হয়েই শেখ হাসিনার স্বপ্ন ‘উন্নত ও সমৃদ্ধ’ রাষ্ট্রে পৌঁছানোর সেতুও মনে করি। ‘উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে’র স্বপ্ন শেখ হাসিনা ছাড়া কেউ কখনো দেখেননি- দেখাতেও পারেননি। আমাদের নিয়ে যেমন শেখ হাসিনার স্বপ্ন তেমনি আমরাও তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের একেকজন হার-না-মানা সৈনিক।

আহমেদ আমিনুল ইসলাম : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
[email protected]

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়