প্রতি বছর পাহাড়ধসে হতাহতের দায় কার?

আগের সংবাদ

শেষ হলো ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের যুগ

পরের সংবাদ

পর্যটনের অপার সম্ভাবনা

প্রকাশিত: জুন ১৯, ২০২২ , ৮:৫০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুন ১৯, ২০২২ , ৮:৫০ পূর্বাহ্ণ

কূল-কিনারাহীন সর্বনাশা পদ্মার বুকে যে বিস্ময়কর সেতু নির্মাণ করা হয়েছে তা শুধু অর্থনীতির আশীর্বাদ নয়; পর্যটন খাতে বড় সুসংবাদ নিয়ে এসেছে। গর্বের এই সেতুর সুবাদে দেশের গোটা দক্ষিণাঞ্চলই হয়ে উঠবে পর্যটনের উর্বরভূমি। কী নেই পদ্মার দক্ষিণ পারে- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সমাধিস্থল থেকে শুরু করে সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের সমুদ্রসৈকত কুয়াকাটা, সমুদ্রবন্দর পায়রা, শেরেবাংলার জন্মভূমি এবং অপার সৌন্দর্যের বিস্তীর্ণ উপকূল।

যুগের পর যুগ ধরে সর্বনাশা পদ্মাপারের আশায় সকালে পাড়ি ধরে সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করার যে সীমাহীন দুর্ভোগ সেই ইতিহাসের বদল ঘটছে। বারো কিংবা ছয় ঘণ্টা নয় মাত্র ছয় মিনিটেই অতিক্রম করা যাবে সর্বনাশা প্রমত্তা পদ্মা। যোগাযোগের বিস্ময়কর এই সাফল্য শুধু পদ্মার দুপারেই নয়, গোটা দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতির পাশাপাশি পর্যটনশিল্পে অপার সম্ভাবনাকে হাজির করছে এবং পুরো বাংলাদেশ যুক্ত হচ্ছে এক সুতোয়।

বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রতীক পদ্মা সেতু চালুর আগেই দেশের ক্রম সম্প্রসারণমাণ পর্যটন খাতে সুবাতাস দেখা দিয়েছে। সেতুর সৌন্দর্য দেখতে ইতোমধ্যেই ঢল নেমেছে পর্যটকদের। মাওয়া আর জাজিরা পাড়ের মানুষ যেমন পর্যটনকেন্দ্রিক ব্যবসা আর পেশার কথা ভাবছেন তেমনি গোটা দক্ষিণাঞ্চলও উৎসব মুখর হয়ে উঠছে। তাক লাগানো সেতুর পর্যটন গুরুত্ব কাজে লাগাতে পরিকল্পিত উদ্যোগের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আর তারই পরিপ্রেক্ষিতে সেতুকেন্দ্রিক পর্যটন শিল্প বিকাশে ব্যাপক পরিকল্পনাও নিয়েছে সেতু বিভাগ। পাশাপাশি সরকারি আর বেসরকারি পর্যায়ে পর্যটনের উদ্যোক্তারাও বড় স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে আসছেন।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, পদ্মা সেতুকে ঘিরে পদ্মার দুই পারে সিঙ্গাপুর ও চীনের সাংহাই নগরের আদলে স্যাটেলাইট সিটি গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সেতু ঘিরে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও কনভেনশন সেন্টারও গড়ে উঠবে। ইতোমধ্যে গড়ে ওঠা আবাসন প্রকল্পগুলোকে আকর্ষণীয় দৃষ্টিনন্দন করার ভাবনাও রয়েছে। তাছাড়া সুপরিকল্পিতভাবে আধুনিক মানের হোটেলমোটেল রিসোর্ট গড়ে তোলার কথাও বলা হচ্ছে। এসব দৃষ্টিনন্দন অবকাঠামো, স্থাপনা, আবাসন পর্যটন খাতের চেহারা পাল্টে দেবে।

স্থানীয়রা বলছেন, সেতু নির্মাণ পরিকল্পনা আর কাজ শুরুর পর থেকেই পদ্মার পাড় ও সেতুর আশপাশের চেহারা বদলাতে শুরু করেছে। নৌযানে চড়ে স্বপ্নের সেতু মনভরে দেখছেন স্থানীয় পর্যটকরা। সেতুর পূর্বপাড়ে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে ইতোমধ্যে পর্যটনসংশ্লিষ্ট অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। পুরনো পেশা ছেড়ে মানুষ এখন ট্রলারভাড়া, রেস্টুরেন্ট ব্যবসা, খাবার জোগান দেয়া, মাছ ধরা, পর্যটকদের সেবাদানের মতো নতুন পেশায় যুক্ত হচ্ছেন। জাজিরার নাওডোবা থেকে শিবচরের মাদবরচর পর্যন্ত পদ্মা সেতুর জন্য যে সাড়ে ১০ কিলোমিটার নদীশাসন এলাকা করা হয়েছে তা ইতোমধ্যে দৃষ্টিনন্দন পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। শিবচরের কাঁঠালবাড়ী, মাদবরের চর, চরজানাজাত, পাঁচ্চর ইউনিয়নের নদীকেন্দ্রিক নদী শাসন বাঁধগুলোতে প্রতিদিন শত শত মানুষের ভিড় জমছে।

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যটকদের কাছে মানুষের জীবনযাপনই কখনো কখনো বেশি কৌতূহলের। সে বিচারে ভেদরগঞ্জ হয়ে গোসাইরহাটে মেঘনায় মিলিত হওয়া অবধি পদ্মার ৭০ কিলোমিটার নৌপথের দু’ধারের অসংখ্য চরের হাজার হাজার মানুষের জীবনযাপনই হয়ে উঠতে পারে পর্যটকদের আকর্ষণের মূলকেন্দ্র। চরের জীবনযাপন ঘুরে দেখার কৌতূহল নিবৃত্ত করার জন্য চর ঘিরে পর্যটনের পরিকল্পনা হয়ে উঠতে পারে। পাশাপাশি পদ্মা– মেঘনা নদী ঘিরে অন্তত ৩০টির বেশি ছোট-বড় হাটবাজারে ইলিশের বেচাকেনা হয়, যা পর্যটকদের দৃষ্টি কাড়বে।

তাছাড়া শরীয়তপুরে বহু দর্শনীয় স্থাপনা রয়েছে। পদ্মা সেতু ঘিরে সেসব স্থাপনা পর্যটন উপযোগী করলে এ খাতের বড় সম্ভাবনা তৈরি হবে। বিশেষ করে ভেদরগঞ্জের মহিষার দ্বিগম্বরের দীঘি, ছয়গাঁও, কার্তিকপুর, হাঁটুরিয়া জমিদারবাড়ি, সদরের রুদ্রকর মঠ, ধানুকা মনসাবাড়ি, নড়িয়ায় গীতিকার অতুল প্রসাদ সেনের বাড়ি, মানসিংহের দুর্গ, নড়িয়ায় রামঠাকুরের আশ্রম, সুরেশ্বর দরবার শরিফ, চিশতিনগর দরবার শরিফ ঘিরে পর্যটকদের কৌতূহল রয়েছে। সেতু চালু হলে এসব দর্শনীয় স্থান পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠবে।

এদিকে, পদ্মা সেতু ঘিরে শরীয়তপুর জেলাকে পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে ও পর্যটকদের আকৃষ্ট করার জন্য গত মাসে উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের ৪০ জন উদ্যোক্তা অংশ নেন। জেলা প্রশাসন সূত্রমতে, পর্যটন ও শরীয়তপুরের বিভিন্ন বিখ্যাত পণ্যের ব্র্যান্ডিং ই-কমার্সে অন্তর্ভুক্তির জন্য উদ্যোক্তাদের কারিগরি ও বাজারজাতকরণ বিষয়ে দক্ষ করে তুলতে এ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। প্রশিক্ষণার্থীরা বলছেন, সেতু ঘিরে জেলায় তরুণদের মধ্যে নানা উদ্যোগ নিয়ে কৌতূহল বাড়ছে। অনেকেই নানা ধরনের ব্যবসার পরিকল্পনা করছেন। কেউ কেউ আবার ইতোমধ্যে ব্যবসা শুরুও করেছেন।

অবশ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু পদ্মার দুই পারই নয় সেতু ঘিরে গোটা দক্ষিণাঞ্চলের পর্যটনের বিকাশ আর সম্প্রসারণ ঘটবে অবিশ্বাস্য গতিতে। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের জেলা কক্সবাজার যেতে যেখানে সময় লাগে ১০-১২ ঘণ্টা সেখানে সূর্যাস্তের বিস্ময়কর সৌন্দর্য উপভোগের শহর সাগরকন্যা কুয়াকাটায় পৌঁছানো যাবে মাত্র ৬ ঘণ্টায়। এর ওপর আবার পায়রাবন্দরের সঙ্গে বুলেট ট্রেন চালুর পরিকল্পনাও করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে আগামীতে কুয়াকাটাসহ আশপাশের পর্যটনস্পটই হয়ে উঠবে সবচেয়ে জনপ্রিয়। ইতোমধ্যে দেশিবিদেশি বিনিয়োগকারীরা পায়রাবন্দরসহ আশপাশে বিনিয়োগ শুরু করেছেন।

পদ্মা সেতু ঘিরে অর্থনীতি ও পর্যটন খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী ২০৩৫-৪০ সালে বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নত দেশের কাতারে চলে যাবে। সেক্ষেত্রে পদ্মা সেতুকে ঘিরেই বিনির্মাণ হবে আগামীর বাংলাদেশ। পদ্মা সেতু ঘিরে বিশদ অঞ্চলজুড়ে নতুন নতুন ইকোনমিক জোন আর হাইটেক পার্ক গড়ে উঠবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিল্পায়নের গতি ত্বরান্বিত হবে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর এবং অর্থনীতিবিদ আতিউর রহমান ভোরের কাগজকে বলেন, পদ্মা সেতুর মধ্য দিয়ে শুধু যোগাযোগের উন্নয়ন নয়, বদলে যাবে দেশের অর্থনীতিও। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রতি মানুষের আস্থা এরই মধ্যে বাড়তে শুরু করেছে। ট্যুরিজম ব্যবস্থায়ও আসবে ব্যাপক পরিবর্তন।

সিপিডির বিশেষ ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমানের কণ্ঠে একই সুর ধ্বনিত হলো। তিনি বলেন, পদ্মা সেতু আমাদের জাতীয় আকাক্সক্ষার প্রতীক। এটা শুধু পরিবহনের জন্য ব্যবহার করলে চলবে না, এটাকে ইকোনমিক করিডর করতে হবে। পদ্মা সেতু ঘিরে ১৭ টা ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার পরিকল্পনা ছিল। সেগুলো করতে হবে। তাহলে জাতীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে অবদান রাখতে পারবে।

তিনি বলেন, সর্বোচ্চ কাক্সিক্ষত ফলাফল আনতে হলে পদ্মাকে ঘিরে যে বিভিন্ন বিনিয়োগ, সে বিনিয়োগগুলো করতে হবে। সেই বিনিয়োগে বিশেষ অর্থনৈতিক জোনের কথা বলা হচ্ছে। অর্থাৎ মাল্টি মডেল কিংবা বহুমাত্রিক সংযোগগুলো করতে হবে। সঙ্গে রেল আর সড়ক তো রয়েছেই, এর সুবিধা নিতে হলে ট্রান্সপোর্ট করিডর থেকে ইকোনমিক করিডরে রূপান্তরিত করতে হবে। অর্থনৈতিক করিডরে রূপান্তরিত করতে গেলে একটা ত্রিমাত্রিক সংশ্লেষ লাগবে। তা হচ্ছে সড়ক সংযোগ, বিনিয়োগ সংযোগ এবং বাণিজ্য সংযোগ। এই ত্রিমাত্রিক সংশ্লেষ করতে পারলে সুবিধা নেয়া যাবে। কারণ এই সেতু একই সঙ্গে একটা উপ আঞ্চলিক হাবও। বাংলাদেশ-ভুটান-নেপাল এবং ভারত নিয়ে সড়ক পথে চার দেশীয় আঞ্চলিক যোগাযোগের বিবিআইএন চুক্তি এবং এশিয়ান হাইওয়েতেও পদ্মার সংযুক্তি আছে। এসবের সুযোগগুলো নিতে চাইলে পদ্মায় বিনিয়োগ আকর্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশসহ অন্যসব সমান্তরাল উদ্যোগগুলো নিলে সড়ক করিডর থেকে অর্থনৈতিক করিডরে উন্নীত হবে এবং কর্মসৃজনের মাধ্যমে অর্থনীতির উপকার হবে। সরকারও প্রত্যক্ষ অপ্রত্যক্ষ বিভিন্ন কর আদায় করতে পারবে। কেবল টোল দিয়ে কিছু হবে না।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সিইও আবু তাহের মো. জাবের জানালেন ব্যাপক পরিকল্পনার কথা। তিনি বললেন, পর্যটন ঘিরে আমরা সারাদেশের জন্য মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করছি। যেটা ডিসেম্বরে শেষ হবে। ইতোমধ্যে সারাদেশে এগারশ স্পট নিয়েও মাস্টারপ্ল্যান করেছি। এর মধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ জায়গার আর্কিটেকচারাল, স্ট্রাকচারাল এবং ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যানও করেছি। তারই ভিত্তিতে কিছু অ্যাকশন প্ল্যান হচ্ছে। এতে খুলনা এবং বরিশাল অঞ্চলকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, পদ্মা সেতু কেবল সেতু নয়, এটা আমাদের স্বপ্ন। পদ্মা ঘিরে ট্যুরিজমের ক্ষেত্রে অভাবনীয় পরিবর্তন ঘটে যাবে। অর্থনীতিতে পড়বে এর বিশাল প্রভাব।

ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. কামরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশি একটি এয়ারলাইন্স হিসেবে যেখানেই বিমানবন্দর থাকবে, সেখানেই বাংলাদেশের মানুষকে সেবা দেয়ার জন্য ইউএস বাংলা থাকবে। কারণ আমরা এভিয়েশন খাতে ব্যাপকভাবে সহায়তা দিচ্ছি, এমনকি যেখানে স্টল বিমানবন্দর আছে সেখানেও। শিল্পের গতিশীলতা বজায় রাখতে হলে সবকিছু গতিময় রাখতে হবে। আমরা সে লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছি। এছাড়া গর্বের পদ্মা সেতু ঘিরে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হলে ইউএস বাংলা থাকবে সবার আগেই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ট্যুরিজম রিসোর্ট ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ট্রিয়াব) প্রেসিডেন্ট খবির উদ্দিন আহমেদ বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর সড়কপথে ফেরির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে না। ঢাকা থেকে সড়কপথে কুয়াকাটা যেতে ছয় ঘণ্টারও কম সময় লাগবে।
পদ্মা ঘিরে আঞ্চলিক সড়কপথের সংস্কার ও উন্নয়নও গুরুত্বপূর্ণ।

এ প্রসঙ্গে শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক মো. পারভেজ হাসান বলেন, পদ্মা সেতু প্রধানমন্ত্রীর সাহসের প্রতিফলন। আমাদের এ অঞ্চলের উন্নয়নকে আর কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। এখানে বেশ কিছু অ্যাগ্রোনির্ভর ইন্ড্রাস্ট্রি স্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে। মৃৎশিল্প, কাঁচশিল্প আগে থেকেই আছে। আর ইপিজেড হলে তো কোনো কথাই নেই। অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হবে। তবে সেতুর পাশাপাশি এই অঞ্চলের সড়কপথের সংস্কার ও উন্নয়ন খুবই জরুরি। তুেবই আমরা সেতুর সুবিধাটা নিতে পারব।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়