ক্যান্সার চিকিৎসায় ভারতের নানাভাটি হাসপাতাল এখন ঢাকায়

আগের সংবাদ

সিলেটের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ ফিরেছে

পরের সংবাদ

সুইস ব্যাংকের কাছে অর্থ পাচারের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত: জুন ১৮, ২০২২ , ৮:৪২ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ১৮, ২০২২ , ৮:৪২ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ বিষয়ে জানতে সুইস অথোরিটির কাছে তথ্য চেয়ে আবেদন করেছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট(বিএফআইইউ)।

শনিবার (১৮ জুন) এক অনুষ্ঠানে এমন কথা জানিয়েছেন বিএফআইইউ অতিরিক্ত পরিচালক মো. কামাল হোসেন। সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকে থাকা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অর্থের বিষয়ে ২০১৪ সাল থেকে তথ্য প্রকাশ করে আসছে ব্যাংকটি।

‘বাংলাদেশে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন প্রতিরোধে বিএফআইইউর ২০ বছর” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে।

এক উপস্থাপনায় কামাল হোসেন বলেন, সুইস অথরিটির কাছে প্রতিবারের ন্যয় এবারও তথা চাওয়া হয়েছে বিএফআইইউ-এর পক্ষ থেকে। পাচার করা অর্থ উদ্ধার জটিল কাজ। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের ৬৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অর্থ সম্পকে তথ্য পেয়েছে বিএফআইইউ সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের কাছ থেকে।
সেই তথ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, দুদক ও তদন্তকারী সংস্থাকে দেয়া হয়েছে।

সেমিনারে জানানো হয়, এ পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ থেকে ৮০০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সমপর্কে আর্থিক তথ্য সংগ্রহ করেছে বিএফআইইউ।

বাংলাদেশ থেকে মূলত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, হংকং, দুবাই, সিঙ্গাপুর ও ইউরোপের দেশগুলোতে অর্থপাচার হয় বলে সেমিনারে জানানো হয়।

বাংলাদেশের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবে কাজ করে বিএফআইইউ।

সেমিনারে উপস্থাপন করা তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের ( ২০২১-২২) গত এপ্রিল পর্যন্ত তদন্তাধীন ৯টি মামলার বিপরীতে ৮৬৬ কোটি টাকা ক্রোক করা হয়েছে বিএফআইইউ-এর প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে। সরকারের কোষাগারে জমা পড়েছে বাজেয়াপ্ত ২৭ কোটি টাকা। আর আগের অর্থবছরে ৭ মামলার বিপরীতে ৩৮ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ক্রোক করা হয় আদালতের নির্দেশে। গত পাঁচ বছরে ৬৩টি তদন্তাধীন মামলার বিপরীতে টাকা ক্রোক করা হয়েছে ১ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকা।

এরমধ্যে সরকারের কোষাগারে জমা হয়েছে ১ হাজার ২৭৩ কোটি টাকা।
বিএফআইইউ প্রধান মাসুদ বিশ্বাসের সভাপতিত্ব সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থ মন্ত্রণলয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়