নিউজ ফ্ল্যাশ

আগের সংবাদ

ইট নিয়ে কথা কাটাকাটি: ছোট ভাইকে হত্যা করে বড় ভাই

পরের সংবাদ

বিদেশ থেকে কুরবানির পশু আনার দরকার নেই : শ ম রেজাউল

প্রকাশিত: জুন ১৫, ২০২২ , ৮:১০ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ১৫, ২০২২ , ৮:১০ অপরাহ্ণ

সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তারা দেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় ও বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সমৃদ্ধ করছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। বুধবার (১৫ জুন) গাজীপুরের শ্রীপুরে এসিআই অ্যানিমেল জেনেটিক্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা জানান তিনি।

এসিআই এগ্রিবিজনেসেসের প্রেসিডেন্ট ড. ফা হ আনসারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা, শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম, গাজীপুরের কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারজানা ইয়াসমিন প্রমুখ।
মন্ত্রী বলেন, কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে কৃষির বিস্তার না হলে দেশ থমকে যাবে।

সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসায় বাংলাদেশে মাছ, মাংস ও ডিমে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। অদূর ভবিষ্যতে দুধেও স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করবে। তিনি বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতের খামারিদের সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করছে। সরকার চায় প্রাণী খাদ্য, মাছের খাদ্য দেশে উৎপাদন হোক। এক্ষেত্রে এসিআইয়ের মতো অন্যান্য বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসতে হবে। এসিআই কৃত্রিম প্রজননের সিমেন সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও খামারিদের সরবরাহ করছে।

এর আগে কুরবানির পশু সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রাণিসম্পদের উৎপাদনে বাংলাদেশে একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। আমরা এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ। কুরবানির জন্য ভারত, মিয়ানমার বা কোন দেশ থেকে একটা পশুও আনার দরকার নেই। পর্যাপ্ত পশু দেশে আছে। বিদেশ থেকে অবৈধপথেও যাতে পশু আসতে না পারে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোরবানির পশু নিয়ে সংশয়ের কোনো কারণ নেই। দেশে উৎপাদিত পশুই কোরবানির জন্য যথেষ্ট। প্রাণিসম্পদ উৎপাদনের এ গর্বের জায়গা আমরা কোনভাবে নষ্ট হতে দেবো না। বাইরে থেকে কোন পশু আসবেনা, দেশে উৎপাদিত পশুই আমাদের জন্য যথেষ্ট।

সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদে অভাবনীয় সাফল্যের জায়গায় এসেছে। এই খাতে সরকারের অনেকগুলো গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসিআইসহ অন্যান্য বেসরকারি খাতকেও সরকার সবসময় উৎসাহিত করছে। বেসরকারি খাত কৃত্রিম প্রজননের জন্য বাইরে থেকে উন্নত জাতের পশু আমদানি করছে, ল্যাবরেটরি স্থাপন করছে। কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে উৎপাদিত উন্নত জাতের পশু থেকে মাংস ও দুধ বেশি উৎপাদন করা সম্ভব হবে। সরকার চায় এ কার্যক্রম সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কুরবানির সময় প্রতিটি হাট তদারকির জন্য ভেটেরিনারি ডাক্তার থাকবে। হাটে তারা অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে গবাদিপশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবেন।

উৎপাদন বাড়লে ও ব্যবসায়ীরা কম মুনাফা করলে মাংসের দাম কমবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এর আগে এসিআই এর জেনেটিক্স ল্যাব ও ব্রিডিং স্টেশন পরিদর্শন করেন মন্ত্রী।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়