বিদেশ থেকে কুরবানির পশু আনার দরকার নেই : শ ম রেজাউল

আগের সংবাদ

যাদের এনআইডি আছে তাদের ট্যাক্স রিটার্ন পেশ করতে হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পরের সংবাদ

ইট নিয়ে কথা কাটাকাটি: ছোট ভাইকে হত্যা করে বড় ভাই

প্রকাশিত: জুন ১৫, ২০২২ , ৮:৪২ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ১৫, ২০২২ , ৮:৪২ অপরাহ্ণ

সামান্য ইট নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ছোট ভাই বাবুল আকন্দকে (৪৫) ইট দিয়ে উপর্যপুরি আঘাত করে বড় ভাই মো. আ. মজিদ (৫৫)। মাথায় গুরুতর জখম হওয়ায় দ্রুত তাকে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় মারা যান তিনি।

ছোট ভাই বাবুল আকন্দকে হত্যার অভিযোগে বড় ভাই আ. মজিদকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে বুধবার (১৫ জুন) ভোরের কাগজকে এসব তথ্য জানান পুলিশের অপরাধ তদন্ত (সিআইডি) বিভাগের এলআইসি শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর।

তিনি বলেন, গাজিপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন সাতাইশ এলাকা থেকে গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুন) ঘাতক বড় ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে সিআইডির এ কর্মকর্তা বলেন, মজিদরা ৩ ভাই ও ১ বোন। সবাই বিবাহিত। একই বাড়ীতে বসবাস করলেও পৃথক ঘরে ভিন্ন সংসার তাদের। তাদের ভাইদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

কয়েকদিন আগে আ. মজিদের মেয়ের শ^শুড় তার কাছ থেকে দোকান মেরামতের জন্য ৭৫টি ইট ধার নেয়। কয়েকদিন পর ইটগুলো আবার ভ্যানচালকের মারফত ফেরত দেয়ার জন্য পাঠালে রাস্তা খারাপ হওয়ায় চালক সেগুলো ছোট ভাই বাবলু আকন্দের নির্মাণাধীন দোতলা বাড়ীর সামনে রেখে চলে যায়।

ঘটনার দিন ১০ জুলাই বিকেলে ৪টার দিকে মজিদ তার বেয়াইয়ের কাছ থেকে ফেরত আসা ৩৫টি পুরাতন ইটের সঙ্গে ভাই বাবলু আকন্দের রাখা নতুন ইটগুলোও নিতে থাকে। বিষয়টি ছোট ভাইয়ের দৃষ্টিগোচর হলে সে অতিরিক্ত ইট কেন নেয়া হচ্ছে তা বড় ভাইকে জিজ্ঞাসা করে। কথাবার্তার এক পর্যায়ে বড় ভাই মজিদ উত্তেজিত হয়ে ইট দিয়ে তার ছোট ভাই বাবলু আকন্দের মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করলে গুরুতর আহত হয়। পরে হাসাপাতালে নেয়ার পথে মারা যায়। ওইদিনই সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানায় নিহতের মেয়ে মোছা. বিউটি খাতুন চাচার বিরুদ্ধে বাবাকে হত্যার অভিযোগ এনে মামলা করে। সিআইডি ছায়া তদন্ত শুরু করলে ঘটনাস্থল ও বিভিন্ন উৎস থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সরেজমিনে সংগ্রহ করে।

পরবর্তীতে সংগৃহীত বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ঘটনার সঙ্গে মজিদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। এরই ধারাবাহিকতায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এলআইসি শাখার একটি দল অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে সমর্থ হয়।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়