বাউল সুরে স্নাত মধুমাসের শেষ সন্ধ্যা

আগের সংবাদ

হোটেলের বিছানায় নেচে সমালোচিত মীর

পরের সংবাদ

সংসদে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

২০৩০ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন ৪০ হাজার মেগাওয়াট হবে

প্রকাশিত: জুন ১৪, ২০২২ , ১০:৩৯ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ১৪, ২০২২ , ১০:৪০ অপরাহ্ণ

বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের পরিমাণ দাঁড়াবে ২৮ হাজার ৩০০ সার্কিট কিলোমিটার। একই সময়ে বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন ৬ লাখ ১০ হাজারে উন্নীত হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৪০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করা হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) বিকালে একাদশ জাতীয় সংসদের ১৮তম অধিবেশনে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী সংসদকে এতথ্য জানান। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন বলে ঘোষণা দেন।

এমপি মাহফুজুর রহমানের অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালের পূর্বে দেশে বিদ্যুৎ সুবিধাভুক্ত মানুষ ছিল মাত্র ৪৭ শতাংশ মাত্র। বর্তমান সরকার ২০০৯ সালে দায়িত্ব নেবার পর বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বেড়ে প্রায় ২২ হাজার ৩৪৮ মেগাওয়াটে (গ্রিড ভিত্তিক) দাঁড়িয়েছে, যা ক্যাপটিভ ও অফ-গ্রিড নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ ২৫ হাজার ৫৬৬ মেগাওয়াট। বিদ্যুতের এ উৎপাদন ক্ষমতা অর্জনসহ বিদ্যুৎ খাতের সামগ্রিক অগ্রগতির ফলে জাতীয় অর্থনীতিতে এর প্রভাব সুস্পষ্ট।

গণফোরামের এমপি মোকাব্বির খানের অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, জনগণকে সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ দেবার জন্য সরকার প্রতি বছর ক্যাপটিভ রেন্টাল বা ভাড়ায় চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ভর্তুকি দিয়ে থাকে। গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকার ১ হাজার ৭১৪ কোটি ৭৭ লাখ টাকা এবং ২০২০-২১ অর্থবছরে ১ হাজার ৩৭৮ কোটি ৪১ লাখ টাকা ক্যাপটিভ রেন্টাল বা ভাড়ায় চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ভর্তুকি দেয়া হয়েছে। তবে ২০২১-২২ অর্থ বছরের ক্যাপটিভ রেন্টাল বা ভাড়ায় চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ভর্তুকির পরিমাণ জানান নি তিনি।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়