নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান : মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের পথ উন্মুক্ত হোক

আগের সংবাদ

জাতির পিতার উন্নয়ন ভাবনা

পরের সংবাদ

সংস্কৃত কলেজগুলোতে হোক বাউবির টিউটোরিয়াল কেন্দ্র

রিপন কুমার দাস

ট্রেড ইন্সট্রাক্টর, ডোনাভান মাধ্যমিক বিদ্যালয়

প্রকাশিত: মে ৩১, ২০২২ , ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ আপডেট: মে ৩১, ২০২২ , ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিএজিএড প্রোগ্রামে ১২টি, ডিপ্লোমা ইন ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ওয়ার্ক প্রোগ্রামে ২টি, সার্টিফিকেট ইন লাইভস্টক এন্ড পোল্ট্রি প্রোগ্রামে ৮টি, সার্টিফিকেট ইন পিসিকালচার এন্ড ফিশ প্রসেসিং প্রোগ্রামে ৮টি, বিএসসি (অনার্স) ইন ফুড সায়েন্স এন্ড নিউট্রিশন প্রোগ্রামে ৩টি, বিএড প্রোগ্রামে ২০টি, এমএড প্রোগ্রামে ১৪টি, ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড এপ্লিকেশন প্রোগ্রামে ১৪টি; এছাড়া আরো কয়েকটি প্রোগ্রামে ১০টিরও কম টিউটোরিয়াল কেন্দ্র রয়েছে। বাংলাদেশ সংস্কৃত ও পালি শিক্ষা বোর্ড সনাতন পদ্ধতিতে সংস্কৃত ও পালি শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাকারী একটি প্রতিষ্ঠান। এর মাধ্যমেই সংস্কৃততে ৩ বছর মেয়াদি ১ম বর্ষে আদ্য (বেসিক), ২য় বর্ষে মধ্য (মিডেল) ও ৩য় বর্ষে উপাধি (টাইটেল) পরীক্ষা প্রচলিত। ২০১৭ সালের বাংলাদেশ সংস্কৃত ও পালি শিক্ষা বোর্ড ও ব্যানবেইসের তথ্যমতে মোট ১২৯টি সংস্কৃত টোল, ৪৩৯ শিক্ষক ও ১৯ হাজার ১১৯ শিক্ষার্থী রয়েছে, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ও শিক্ষক সংখ্যা একই থাকলেও শিক্ষার্থীর সংখ্যা যথাক্রমে ১৫ হাজার ৫৭৩ ও ১৫ হাজার ৮৬৪ হয়েছে। এখানে কলাপ (ব্যাকরণ), লঘু (ব্যাকরণ), মুগডাবোধ (ব্যাকরণ), সরস্বত (ব্যাকরণ), সুপদ্ম (ব্যাকরণ), কাব্য (সাহিত্য), স্মৃতিশাস্ত্র, সংখ্যা, ন্যায়শাস্ত্র, পুরাণ, পৌরিহিত্য, জ্যোতিষ, আয়ুর্বেদ, বেদান্ত, মীমাংসা বিষয় পড়ানো হয়। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বিকাল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা হয়ে থাকে, ফলে সরকারি ছুটিসহ প্রতিদিন বিকাল ৫টা পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষসহ সব অবকাঠামো অব্যবহৃত থাকে। তাই শ্রেণিকক্ষ, অবকাঠামো ও শিক্ষকদের সঠিক ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সংস্কৃত কলেজগুলোতে এসএসসি প্রোগ্রাম, এইচএসসি প্রোগ্রাম ও ডিগ্রি প্রোগ্রামের টিউটোরিয়াল কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। এ কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য বাউবিতে এসএসসি প্রোগ্রামে ২টি, এইচএসসি প্রোগ্রামে ৩টি ও ডিগ্রি প্রোগ্রামে ৪ থেকে ৫টি নতুন বিষয় চালু করা প্রয়োজন। এসএসসি প্রোগ্রামের ১ম বর্ষে ৫টি আবশ্যিক কোর্স- বাংলা প্রথম পত্র, ইংরেজি প্রথম পত্র, গণিত, হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নৈর্বাচনিক কোর্সগুলো- ২টি শ্রীমদ্ভাগবতগীতা (কর্মযোগ), সংস্কৃত। ২য় বর্ষে ৪টি আবশ্যিক কোর্স- বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র, শারীরিক শিক্ষা স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা, বৃত্তিমূলক শিক্ষা, নৈর্বাচনিক কোর্স- ২টি বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, বিজ্ঞান, ঐচ্ছিক-ভূগোল ও পরিবেশ/অর্থনীতি/পৌরনীতি ও নাগরিকতা/গার্হস্থ্য বিজ্ঞান/কৃষিশিক্ষা যে কোনো ১টি বিষয় নির্ধারণ করা যেতে পারে। কর্মজীবী শিক্ষার্থীরা যে কোনো একটি বিষয় বৃত্তিমূলক শিক্ষা গ্রহণ করে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন নীতিমালা ২০১১-এর আওতায় জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামো (ঘঞঠছঋ) লেবেলের ঘঝঈ-১ সনদ গ্রহণ করবেন। এইচএসসি প্রোগ্রামে আবশ্যিক বিষয় ৩টি বাংলা, ইংরেজি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (শুধু প্রথম বর্ষ), নৈর্বাচনিক বিষয় ৩টি হিন্দুধর্ম শিক্ষা, শ্রীমদ্ভাগবতগীতা (ভক্তিযোগ-১ম বর্ষ ও জ্ঞানযোগ-২য় বর্ষ), সংস্কৃত, ঐচ্ছিক-ভূগোল/গার্হস্থ্য বিজ্ঞান/কৃষিশিক্ষা/অর্থনীতি/ পৌরনীতি ও সুশাসন যে কোনো ১টি বিষয় নির্ধারণ করা যেতে পারে। স্নাতক প্রোগ্রামে আবশ্যিক বিষয় ৩টি বাংলা-২টি পত্র, ইংরেজি এবং সিভিক এডুকেশন-২টি পত্র, নৈর্বাচনিক বিষয় ৩টি প্রতিটির ৫টি করে পত্র- সংস্কৃত (বাধ্যতামূলক), হিন্দুধর্ম শিক্ষা/ভক্তিশাস্ত্র/ ভক্তিবেদান্ত/পুরোহিত্য/জ্যোতিষ শাস্ত্র/বৈদিক ইয়োগা বিষয়ের যে কোনো ২টি নির্ধারণ করা যেতে পারে। ভক্তিশাস্ত্র বিষয়ে ৫টি পত্র ১. শ্রীমদ্ভাগবতগীতার ব্যাখ্যা (কর্মযোগ), ২. বৈষ্ণব সদাচার, ঈশোপনিষদ, উপদেশামৃত, ৩. শ্রীমদ্ভাগবতগীতার ব্যাখ্যা (ভক্তিযোগ), ৪. ভক্তিরসামৃত সিন্ধু, ৫. শ্রীমদ্ভাগবতগীতার ব্যাখ্যা (জ্ঞানযোগ)। পর্যায়ক্রমে অবকাঠামোগত দিক দিয়ে উন্নত সংস্কৃত কলেজগুলোতে স্নাতক (অনার্স) ও স্নাতকোত্তর প্রোগ্রাম চালু করা যেতে পারে।

রিপন কুমার দাস : ট্রেড ইন্সট্রাক্টর, ডোনাভান মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পটুয়াখালী।
[email protected]

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়