কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে প্রতীক পেয়েই প্রচারে প্রার্থীরা

আগের সংবাদ

শিরীনকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করেছে ইসরায়েল

পরের সংবাদ

দশ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে পি কে হালদার

প্রকাশিত: মে ২৭, ২০২২ , ৪:১৮ অপরাহ্ণ আপডেট: মে ২৭, ২০২২ , ৭:২৪ অপরাহ্ণ

ভারতে ১০ দিনের রিমান্ড শেষে পিকে হালদার তার ভাই প্রাণেশ হালদারসহ গ্রেপ্তার ছয়জনকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হয়েছে। শুক্রবার (২৭ মে) দুপুর ১টা ২০ মিনিট নাগাদ কলকাতার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দপ্তর থেকে ব্যাঙ্কশাল আদালতের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় পিকেসহ গ্রেপ্তার হওয়া বাকি পাঁচজন। তাদেরকে বিচার বিভাগীয় রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আগামী ৭ জুন পর্যন্ত তাঁদের এ রিমান্ডের আদেশ দেন বিচারপতি সৌভিক ঘোষ। তাই ১১ দিন তাদেরকে জেল হেফাজতে থাকতে হবে।

ইডির তরফে ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে (জেল হেফাজত) দেওয়ার আবেদন জানানো হয়। আদালত ৭ জুন পর্যন্ত হেফাজত মঞ্জুর করেন।

ইডির দপ্তর থেকে আদালতের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়ার সময় প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত সাংবাদিকদের চোখে ধুলো দিয়ে ঘুরপথে রওনা দেন। আদালতে যখন পিকে হালদারসহ বাকিরা পৌঁছায় তখন সাংবাদিকরা ছবি তুলতে গেলে বলা হয় পিকে হালদারকে আগেই আদালতে তোলা হয়েছে। পরে দেখা যায় ইডির কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা অন্য একটি গাড়ি থেকে পিকে হালদারকে বার করে কোর্ট প্রাঙ্গনে আদালতের লকআপে নিয়ে যাচ্ছেন।

আদালতের লকআপে পিকে হালদারকে ঢুকানোর সময় সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে পি কে হালদার কোনো জবাব দেননি। যদিও এর আগে গ্রেপ্তারের পর তিনদিনের রিমান্ড শেষে আদালতে তোলার সময় এবং চিকিৎসার জন্য পিকে হালদারকে বের করে নেয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিয়েছিলেন পিকে হালদার। গ্রেপ্তারের পর পি কে হালদার তিনবার মুখ খুলে ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ মিথ্যা। সেসময় পি কে হালদারের ভাই প্রাণেশ হালদার বলেছিলেন, তিনি কিছুই জানেন না। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পর্কে সাংবাদিকদের কাছে প্রাণেশ হালদার দাবি করেছিলেন, তাকে ফাঁসানো হচ্ছে, বাংলাদেশের প্রভাবশালীরা তাকে ফাঁসিয়েছে।

এদিন পি কে এবং পি কে’র ভাই প্রাণেশ হালদার সাংবাদিকদের কোন প্রশ্নের উত্তর না দেয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, এডির নির্দেশেই হয়তো তারা মুখ খোলেননি।

ইডি সূত্রের খবর, বাংলাদেশের তরফ থেকে ভারত সরকারকে বলা হয় পিকে সম্পর্কিত কোন তথ্য এবং তদন্ত যেন কনফিডেনশিয়াল ওয়েতে করা হয়। প্রাণেশ এবং পি কে হালদারদের মুখ না খোলা এবং ইডির তরফ থেকে কোনো রকম তথ্য সংবাদমাধ্যমকে না দেয়া এবং এড়িয়ে চলার অর্থ দাঁড়ায় বাংলাদেশ সরকারের কথা রক্ষা করে চলছে মোদি সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের চাহিদা মতোই পি কে হালদারের তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়