৭২ ঘণ্টার মধ্যে সব অবৈধ ক্লিনিক বন্ধের নির্দেশ

আগের সংবাদ

বিশ্বব্যাপী মাঙ্কিপক্স আক্রান্তের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে

পরের সংবাদ

সারা ভারত জুড়ে মুক্তি পাচ্ছে ‘বেলাশুরু’

প্রকাশিত: মে ২৬, ২০২২ , ১২:৩৮ অপরাহ্ণ আপডেট: মে ২৬, ২০২২ , ১২:৩৯ অপরাহ্ণ

কলকাতাকে খুব বেশি ভালবাসেন তিনি। অন্যান্য বলিউডি সেলিব্রিটিদের মতোই, মিষ্টি দই, সন্দেশ তারও প্রিয়। কিন্তু কলকাতার রসগোল্লার থেকেও প্রিয়, এ শহরের মানুষেরা। সম্প্রতি কলকাতায় একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এমনটাই জানিয়ে ছিলেন সালমান খানের ভাই তথা বলিউড অভিনেতা ও প্রযোজক আরবাজ খান। এবার কলকাতা বিশেষ করে বাংলার প্রতি প্রেম উজাড় করতে আরবাজ সাহায্য নিলেন নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ছবি ‘বেলাশুরু’র। যে ছবি রাজ্য জুড়ে হইচই ফেলে দিয়েছে, সেই ছবি নিয়ে এবার আগ্রহ প্রকাশ করলেন বলিউডের আরবাজ খান! খবর সংবাদ প্রতিদিনের।

ব্যাপারটা একটু পরিষ্কার করে বলা যাক। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত অভিনীত এই ছবি নিয়ে সিনেপ্রেমীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস সর্বত্র। আর এবার সেই উচ্ছ্বাসকে সঙ্গে নিয়েই গোটা ভারতে মুক্তি পেতে চলেছে বেলাশুরু। আগামী ২৭ মে ভারতবর্ষের কোণায় কোণায় পৌঁছে যাবে নন্দিতা ও শিবপ্রসাদের এই ছবি। এই খবরটি পেয়েই ‘বেলাশুরু’ ছবির অন্যতম অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে শুভেচ্ছা জানান আরবাজ খান। নিজের ইনস্টাগ্রামে ‘বেলাশুরু’ ছবির পোস্টার শেয়ার করে, ঋতুপর্ণাকে ছবির সাফল্য নিয়ে শুভেচ্ছা জানান আরবাজ।

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত

আরবাজ খানের সঙ্গে ‘কাল ত্রিঘোরি’ নামের একটি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন ঋতুপর্ণা। সেই সিরিজ থেকেই ঋতুপর্ণা ও আরবাজের বন্ধুত্ব। ঋতুপর্ণা সংবাদ মাধ্যমে জানিয়ে ছিলেন, আরবাজ খুবই মাটির মানুষ। আরবাজের মধ্যে সেলেব সুলভ কোনও আচরণই নেই। বেলাশুরুর জন্য আরবাজের এই শুভেচ্ছা যেন ঋতুপর্ণার এই কথার জলন্ত উদাহরণ।

মুক্তির দিনই ৩৫ লক্ষ টাকার ব্যবসা করেছে ‘বেলাশুরু’। উইকএন্ডে ছবির ব্যবসা আরও ভাল হয়েছে। তৃতীয় দিনেই ১ কোটি ৪১ লক্ষ টাকা আয় করে শিবপ্রসাদ ও নন্দিতা জুটি পরিচালিত ছবি। পঞ্চম দিনের আয় প্রায় দু’কোটি টাকার কাছাকাছি।

বলিউড অভিনেতা ও প্রযোজক আরবাজ খান

এ শুধু ‘বেলাশুরু’র সাফল্য নয়, গোটা বাংলা সিনেমা জগতের সাফল্য বলেই মনে করেন ছবির অন্যতম পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। এরআগে একটি গণমাধ্যমে তিনি জানান, ‘বেলাশুরু’র এই সাফল্য সৌমিত্র-স্বাতীলেখা জুটির ম্যাজিকের জোরে। তাছাড়া বাংলার দর্শক ভাল কনটেন্ট পেলে তারা হলে সিনেমা দেখতে চলে আসেন। করোনা পরিস্থিতিতেও সিনেমা হলে আসার অভ্যাস তৈরি হয়েছে। সুদিনের এই সাফল্যে প্রত্যেক বাংলা সিনেমার অবদান রয়েছে বলেই মত শিবপ্রসাদের।

টিআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়