খাদ্যদ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতি আন্তর্জাতিক কারণ কিনা

আগের সংবাদ

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় : ট্রাস্টি ট্রাস্ট ভঙ্গ করা দুঃখজনক

পরের সংবাদ

নাজুক বিশ্ব পরিস্থিতি, আমাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা সংকটের মুখে

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী

অধ্যাপক (অবসরপ্রাপ্ত), ইতিহাসবিদ ও কলাম লেখক

প্রকাশিত: মে ২৪, ২০২২ , ২:১৯ পূর্বাহ্ণ আপডেট: মে ২৪, ২০২২ , ২:১৯ পূর্বাহ্ণ

অতিমারি করোনা সংক্রমণকালে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা বিশ্ব অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি নিয়ে তখনই সতর্কতার নানা ইঙ্গিত দিচ্ছিল। বিশ্ব যেভাবে আন্তর্জাতিকভাবে তখন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ও বাণিজ্য সংকুচিত করার বাধ্যবাধকতায় পড়ে গিয়েছিল তার ফলে বিশ্ব অর্থনীতি করোনা-উত্তরকালে গভীর সংকটে পড়বে এমন আশঙ্কাই সেসব সংস্থা প্রকাশ করছিল। কিন্তু তাদের সেসব আশঙ্কা মোটেও অমূলক ছিল না- এটি নির্দ্বিধায় বলা চলে। দুই বছর বিশ্ব অর্থনীতি করোনার অতিমারি সংক্রমণে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। আমরা দেখেছি অর্থনৈতিকভাবে উন্নত রাষ্ট্রগুলো টিকা বাণিজ্য ও কূটনীতি নিয়ে যেভাবে একে ওপরের বিরুদ্ধে প্রভাব বলয়ের তৎপরতায় লিপ্ত হয়েছিল তাতেই বোঝা গিয়েছিল যে অর্থনৈতিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে দেশগুলো টিকা বাণিজ্যে আগ্রাসী মনোভাব ব্যক্ত করতে দ্বিধা করেনি। তারপরও ধারণা করা হয়েছিল অতিমারি করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে প্রায় সবাই যার যার মতো প্রস্তুতি নিতে থাকবে। বেশ কিছু দেশ ঘুরে দাঁড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণও শুরু করেছিল। বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০২১ সালের শেষ দিকে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছিল। তবে অভ্যন্তরীণ বাজারে তখন অতিমারি করোনার অতিক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার একটি দুর্দমনীয় প্রতিযোগিতা লক্ষ করা গিয়েছিল। সেটিও নিয়ন্ত্রণে চলে আসত যদি বিশ্ব অর্থনীতি, বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরায় স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসতে পারত। কিন্তু বিশ্ব অর্থনীতি, কূটনীতি, বাণিজ্য এবং আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসা, না-আসা এখন আর আমাদের মতো ছোট উন্নয়নশীল দেশগুলোর ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর নির্ভর করে না। বিশ্বের মোড়ল দেশগুলোর ভূমিকা এক্ষেত্রে অনেক বেশি নিয়ন্ত্রকের অবস্থানে চলে গেছে। ২০২২ সালের শুরুতেই বোঝা যাচ্ছিল যে বিশ্বে যুদ্ধের দামামা যেভাবে বাজছে তাতে পরিস্থিতি আরো নাজুক অবস্থার দিকে চলে যেতে পারে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ তখন যেন অনেকটাই অনিবার্যতার পথে অগ্রসর হচ্ছিল। এই যুদ্ধ রাশিয়া, ইউক্রেন সম্পর্কের কারণেই ঘটেছে নাকি এর নেপথ্যে বৃহৎ শক্তিগুলোর কলকাঠি নাড়ানো এবং বিশ্ব পরিস্থিতিতে নিজেদের প্রভাব বলয় সৃষ্টির অবস্থানকে বিস্তৃত করতেই এই যুদ্ধের অবতারণা হয়েছিল, সেই প্রশ্ন মোটেও অবান্তর নয়। রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ স্থানীয় চরিত্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলে এর প্রভাব প্রতিক্রিয়া যেমন দুনিয়াজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকত না, একইভাবে দুদেশের দ্ব›দ্ব যুদ্ধে রূপ নিত কিনা, নিলেও সেটিতে খুব স্বল্প সময়ের মধ্যেই সমাপ্তির আলোরেখা দেখার সম্ভাবনা মোটেও উড়িয়ে দেয়ার ছিল না। কিন্তু এই যুদ্ধের নেপথ্যে ক্রীড়ানকের ভূমিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো যেভাবে জড়িয়ে পড়েছিল তাতে যুদ্ধের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া অল্প কিছুদিনের মধ্যেই বিশ্ব অর্থনীতি, কূটনীতি, বাণিজ্য এবং সামগ্রিক অবস্থার ওপর পড়তে শুরু করে। যুদ্ধ বন্ধের কার্যকর উদ্যোগের পরিবর্তে প্রলম্বিত এক প্রতিশোধপরায়ণ প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা ও আগ্রাসন বিস্তৃত হতে থাকে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার পরিণতি রাশিয়াকে যতটা কাবু করার ধারণা করা হয়েছিল, কার্যত তা বুমেরাং হয়েই বিশ্ব অর্থনীতিকে চরম এক নাজুক অবস্থার মধ্যে ফেলে দেয়। এই অর্থনৈতিক সংকট ক্রমেই ধনী-দরিদ্র সব দেশকেই গ্রাস করতে বসেছে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে বাণিজ্য অবরোধ এখন আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্যকেই সংকুচিত করে ফেলেছে। বিশ্বে নতুন অর্থনৈতিক সংকট ঘনীভূত হচ্ছে। কেননা বিশ্ব বাণিজ্য ব্যবস্থা যেভাবে পরস্পর নির্ভরশীলতার ওপর ভর করেই বিকশিত হচ্ছিল, সেটিতে এখন বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। খোদ ইউরোপের দেশগুলোই যেখানে একসময় রাশিয়া, ইউক্রেনের তেল, গ্যাস, খাদ্যদ্রব্য, খনিজদ্রব্য, কাঁচামাল এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর যেভাবে জড়িয়ে পড়েছিল সেটিতে বাধা পড়ায় ইউরোপের দেশগুলোই এখন নাজুক পরিস্থিতির মুখে পড়েছে। ইউক্রেনে এই বছর খাদ্যশস্য উৎপাদন নেই বললেই চলে। ইউক্রেনের লাখ লাখ মানুষ এখন ইউরোপে আশ্রয়প্রার্থী। অন্যদিকে রাশিয়ায় এ বছর খাদ্যশস্য উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। যতটা ধারণা করা হয়েছিল, রাশিয়া ততটা অর্থনৈতিক সংকটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েনি। অধিকন্তু রাশিয়ার সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য, খাদ্যদ্রব্য কেনাবেচা বন্ধ থাকায় অনেক দেশেই খাদ্যদ্রব্যের মূল্য হু হু করে বেড়ে চলছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী এখন সাধারণ মানুষের ক্রয়সীমার বাইরে চলে যেতে বসেছে। বিশেষত আটা, ময়দা, ভোজ্যতেল, চিনি এবং অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের চাহিদা এখন আন্তর্জাতিক বাজারেই দুষ্প্রাপ্য এবং অনেকের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। এরই মধ্যে আমেরিকা, ইংল্যান্ড, জাপান, ইউরোপীয় দেশগুলো, অস্ট্রেলিয়াসহ অর্থনৈতিকভাবে অগ্রসর দেশগুলোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় সবটিতেই উচ্চ মূল্যস্ফীতি জেঁকে বসেছে। চীনা অর্থনীতিতেও ঝাঁকুনি পড়েছে। এর নিচের অর্থনীতির দেশগুলো এরই মধ্যে ব্যাপক দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে হিমশিম খেতে শুরু করেছে। বিশ্ব অর্থনীতি এখন টালমাটাল- এটি প্রতিদিনের গণমাধ্যমের সংবাদের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শেয়ারমার্কেট এরই মধ্যে সর্বত্রই নিম্নমুখিতার মধ্যে পড়েছে। আমাদের মতো দেশগুলো এই অবস্থায় বড় ধরনের ঝাঁকুনিতে পড়তে যাচ্ছে। আমরা করোনার ধাক্কা যতটা সামাল দিতে পেরেছিলাম কিন্তু রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের নামে আন্তর্জাতিক পরাশক্তি, বাণিজ্য, কূটনৈতিক অবরোধ ও আগ্রাসন আমাদের বেশ বেকায়দায় ফেলে দিয়ে গেছে। সে কারণেই আমাদের আমদানিনির্ভর পণ্যসামগ্রী দেশের বাজারে এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, মালদ্বীপসহ প্রতিবেশী দেশগুলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ভয়াবহ অসমতায় হাবুডুবু খেতে শুরু করেছে। শ্রীলঙ্কা এখন অস্তিত্বের সংকটে আছে। পৃথিবীর অন্যসব অঞ্চলেও উন্নয়নশীল দেশগুলো চরম অর্থনৈতিক মন্দায় আক্রান্ত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব কর্তৃত্বের কূটনীতি, অস্ত্রব্যবসা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ইত্যাদিতেই অধিকতর মনোযোগী। এপ্রিল মাসের শেষে মুদ্রাস্ফীতি বিভিন্ন দেশে যে পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে তা দেখা যেতে পারে- অস্ট্রেলিয়া ৫.১, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৮.৩, ইংল্যান্ড ৯, কানাডা ৬.৮, জাপান ২.৫, ফ্রান্স ৪.৮, জার্মানি ৭.৪, পোল্যান্ড ১২.৪, লিথুনিয়া ১৬.৮, ইস্তোনিয়া ১৮.৮, চেক রিপাবলিক ১৪.২, নেদারল্যান্ডস ৯.৬, বেলজিয়াম ৮.৩১, লাটভিয়া ১৩, বুলগেরিয়া ১৪.৪, স্পেন ৮.৩, রোমানিয়া ১৩.৭৬, রাশিয়া ১৭.৮, ইরান ৩৫.৬, সৌদি আরব ২.৩, কুয়েত ৪.৩৬, কাতার ২.৫, ভারত ৭.৭৯ শতাংশ। মে মাসের মুদ্রাস্ফীতি আর কয়দিন পরই জানা যাবে। এরই মধ্যে সংখ্যাগুলো প্রায় ঊর্ধ্বমুখী এতে কোনো সন্দেহ নেই। এটি আগামী কয়েক মাস অব্যাহত থাকলে বিশ্ব পরিস্থিতি ২১ শতকের সবচেয়ে বড় সংকটে দীর্ঘমেয়াদে আক্রান্ত হবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। এর ফলে বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতা যেমন বাড়বে, সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়া যাবে না। এরই মধ্যে জাতিসংঘের মহাসচিব গেøাবাল ক্রাইসিস রেসপন্স নামে একটি গ্রুপ গঠন করেছেন। এতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের মতামত গ্রহণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমান বিশ্ব সংকট মোকাবিলায় ৪টি করণীয় সুপারিশ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে একটি সুসঙ্গত বিশ্বব্যবস্থা তৈরি করা, বিশ্বব্যাপী লজিস্টিক এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে বাধাগুলো মোকাবিলা করা, খাদ্য সঞ্চয় ও বিতরণ ব্যবস্থার কৃষি খাতে প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের ওপর মনোযোগ দেয়া এবং শুল্কমুক্ত-কোটামুক্ত বাজারে প্রবেশাধিকার এবং আরো সহজলভ্য অর্থায়নের ব্যবস্থা করা। তবে জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সমাপ্তির প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া এবং একইসঙ্গে বিশ্বে অস্ত্র ও বাণিজ্যের অসম প্রতিযোগিতা বন্ধ করার প্রবণতা রোধের উদ্যোগ নেয়ার কোনো বিকল্প নেই। বিশ্বকে আগের বাণিজ্য ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার পরিবেশ প্রদান করতে হবে। তাহলেই কেবল বর্তমান অর্থনৈতিক মহাসংকট থেকে পৃথিবীর দেশগুলো বের হয়ে আসার একটি পথ খুঁজে পাবে। অন্যথায় কোনো সংস্থাই বিশ্বকে চরম অনিশ্চয়তার হাত থেকে সহসা মুক্ত হয়ে আসার সুযোগ সৃষ্টি করে দেবে এমনটি আশা করা যায় না। বাংলাদেশ বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতির এই সংকটে এখনো টিকে থাকার মতো অবস্থান ধরে রাখতে পারলেও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি আরো জটিলতর হলে অনেক কিছুই আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। সে কারণে দেশের অভ্যন্তরে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিকীকরণ, দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিকে গতিশীলতা প্রদান করা, বাজারব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ধরে রাখা, ভারত থেকে চাল, ডাল, গম, আটাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী আমদানি করে রাখা এবং বিশ্ববাণিজ্যে নিজেদের সুযোগ বৃদ্ধি করা, রেমিট্যান্স প্রবাহ ঠিক রাখা, অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং জীবনযাত্রাকে স্বাভাবিক রাখা এই সময়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ যা সরকারের সবচেয়ে মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা দরকার। বাংলাদেশে এই সময়ে প্রাকৃতিক কিছু দুর্যোগ লক্ষ করা যাচ্ছে। এর ফলে কৃষিজ পণ্য এবং নতুন করে ফসল ফলানোর ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা তৈরি হয়েছে। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে কিছু আগাম বন্যার ফলে ফসলহানি ও মানুষের বাড়িঘর তলিয়ে গেছে। এটি অনেকটাই মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে দেখতে হচ্ছে। এসব প্রাকৃতিক, অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক প্রতিকূলতাকে এই মুহূর্তে ধৈর্য, প্রজ্ঞা এবং সাহসিকতা দিয়ে মোকাবিলা করতে হবে। রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং সরকারকে এই মুহূর্তে সামগ্রিক সংকট পরিস্থিতিকে মোকাবিলা করার পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হতেই হবে। এমন সংকটকালে যথার্থ রাজনৈতিক নেতৃত্বই পারে জনগণকে পথ দেখাতে। শেখ হাসিনা সেই নেতৃত্ব প্রদানের মাধ্যমে সংকট উত্তরণে সাফল্য দেখাবেন সেই প্রত্যাশাই সচেতন মহল করছে।

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী : অধ্যাপক (অবসরপ্রাপ্ত), ইতিহাসবিদ ও কলাম লেখক।
[email protected]

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়