রান খরায় শান্ত-মুমিনুল

আগের সংবাদ

১০ কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

পরের সংবাদ

আবু হেনা মোস্তফা কামাল স্মরণ

প্রকাশিত: মে ২৩, ২০২২ , ১১:৫৩ অপরাহ্ণ আপডেট: মে ২৩, ২০২২ , ১১:৫৩ অপরাহ্ণ

আলোচনার মধ্য দিয়ে প্রয়াত শিক্ষাবিদ, কবি ও লেখক আবু হেনা মোস্তফা কামালকে স্মরণ করেছে বাংলা একাডেমি। সোমবার (২৩ মে) অনলাইনের এই আলোচনায় অংশ নেন কথাসাহিত্যিক ঝর্না রহমান এবং শিল্পী সুজিত মোস্তফা। এতে অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সুব্রত কুমার ভৌমিক।

সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। আবু হেনা মোস্তফা কামাল রচিত সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী সুজিত মোস্তফা।

বক্তারা বলেন, আবু হেনা মোস্তফা কামাল তার কবিতা, গান, প্রবন্ধ-গবেষণার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সাহিত্যে অনন্য ধারার সূচনা করেছেন। তার কবিতার গীতিমূল্য এবং গানের কাব্যমূল্য উভয়ই স্বাতন্ত্র্যে সমুজ্জ্বল। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি শিক্ষক হিসেবে তিনি কয়েক প্রজন্মের ছাত্রছাত্রীর মাঝে ছড়িয়েছেন অনির্বাণ আলোকশিখা।

তারা আরো বলেন, ১৯৮৬-৮৯ কালপর্বে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালনকালে আবু হেনা মোস্তফা কামাল যে উদ্ভাবনশীলতা এবং সৃজনশীলতার পরিচয় রেখেছেন তা আমাদের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি স্বল্পায়ু জীবন পেয়েছেন কিন্তু সৃষ্টিকর্মে বিপুলতার সাক্ষর রেখে গেছেন। তার সাহিত্যসাধনা এবং জীবনচর্যায় সুরুচি এবং সৌন্দর্যের প্রতিফলন ঘটেছে সবসময়।

সেলিনা হোসেন বলেন, আবু হেনা মোস্তফা কামাল একজন ব্যতিক্রমী, প্রতিভাবান, সাহসী সাহিত্যসাধক এবং জীবনসাধক। তার কবিতা ও গানে জীবনের আনন্দিত রূপ যেমন অনুপম ব্যঞ্জনায় ভাস্বর তেমনি তার প্রবন্ধ-গবেষণায় অসাধারণ যুক্তিশৃঙ্খলা এবং সুনিপুণ বিশ্লেষণ আমাদের বিস্মিত করে।

অন্যদিকে একই দিনে সাহিত্যিক আবুল ফজলকেও স্মরণ করেছে বাংলা একাডেমি। এতে বক্তৃতা করেন অধ্যাপক গোলাম মুস্তাফা ও অধ্যাপক তারিক মনজুর। অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাবিহা পারভীন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা।

আবুল ফজলের স্মরণানুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আবুল ফজল ছিলেন ঢাকায় ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, চিন্তা যেখানে আড়ষ্ট; মুক্তি সেখানে অসম্ভব’এই ভাবনাকে ভিত্তি করে গড়ে ওঠা ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ সামাজিক জাগরণের যে ব্রত গ্রহণ করেছিল তার কেন্দ্রভাগে ছিলেন আবুল ফজল। তারা বলেন, আবুল ফজলের চিন্তাবিদ-সত্তা ছায়া ফেলেছে তার সাহিত্য সাধনাতেও। কথাসাহিত্য, নাটক, শিশুসাহিত্য, প্রবন্ধ-নিবন্ধ ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে রচিত গ্রন্থসমূহে তার গভীর সৃজনশক্তি এবং স্বচ্ছ মননরীতির পরিচয় পাওয়া যায়।

রি-এসবি/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়