হাসান আরিফের নাগরিক স্মরণসভা আজ

আগের সংবাদ

প্রাথমিকের মৌখিক পরীক্ষাও আমলাদের অধীনে

পরের সংবাদ

পি কে হালদার ইস্যুতে ইডির গোপনীয়তা কেন

প্রকাশিত: মে ২১, ২০২২ , ৮:২৭ পূর্বাহ্ণ আপডেট: মে ২১, ২০২২ , ৮:২৭ পূর্বাহ্ণ

তথ্য লেনদেন করছেন দুদেশের শীর্ষ কর্তারা

বাংলাদেশ ও ভারতের শীর্ষ কর্মকর্তারা পি কে হালদারসংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান করবেন বলে সিদ্ধান্ত ঢাকা ও দিল্লির। সূত্রের খবর, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে- পি কে হালদারের পুরো বিষয়টি ‘গোপনীয়তা’ মেনে সামাল দিতে হবে। দিল্লিও সেভাবেই সব পদক্ষেপ নিচ্ছে।

প্রসঙ্গত, তিন দিনের রিমান্ড শেষে ইডি আদালতে জানায়, ধৃতদের মেডিকেল চেকআপের জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় সংবাদমাধ্যমের ভিড় হচ্ছে। আদালতের কাছে আবেদন ধৃতদের ইডি দপ্তরে এসে মেডিকেল পরীক্ষার নির্দেশ দেয়া হোক চিকিৎসককে।

সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, ভারতসহ পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য ক্ষেত্রে ইডির তথ্য যে পদ্ধতিতে পাওয়া যায়, পি কে হালদারের ইস্যুতে তার ব্যতিক্রম। কোনো না কোনো সূত্র মারফত কিছু না কিছু তথ্য সংবাদ মাধ্যম পেয়ে থাকে। পি কে হালদারের ক্ষেত্রে কেন তথ্য পাওয়ার সব রাস্তা বন্ধ করেছে ইডি? ধৃতদের মেডিকেল পরীক্ষার জন্য বাইরে পর্যন্ত বের করাই বা বন্ধ করা হলো কেন- এমন প্রশ্নের জবাব ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন সংস্থা এবং স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশ্বস্ত সূত্রের কাছে জানতে চাওয়া হয়। চলতি সপ্তাহের শেষ তিন দিনে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই পশ্চিমবঙ্গের দুই মন্ত্রী ও এক নেতাকে জেরা করছে। সেই জেরার প্রশ্নের কিছু অংশ সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে।

অতীতে ইডির তদন্তের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে, ইডি কখন কোথায় তল্লাশিতে যাচ্ছে। পি কে হালদারের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী কেন- প্রশ্নের উত্তরে বিশ্বস্ত সূত্রটি জানায়, ওপরের নির্দেশ আছে- পি কে হালদারের মামলাটি গোপনভাবে তদন্ত করতে হবে। পি কে হালদারসহ ধৃতরা গ্রেপ্তারের পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর সময় সংবাদমাধ্যম পি কে হালদারদের পেয়েছিল একবার। সংবাদমাধ্যমে তা প্রকাশিত হতেই নড়েচড়ে বসে বাংলাদেশের একটি অংশ। সঙ্গে সঙ্গে তা জানানো হয় দিল্লিকে। দিল্লি দ্রুত নির্দেশ দেয় ইডিকে। এরপর থেকেই ইডি সেই মতে চলতে শুরু করে। এমনকি পি কে হালদারদের তল্লাশির কথাও গোপন রাখে। বিরাট বহর নিয়ে এলাকায় ঢোকার কয়েক ঘণ্টা পর অশোকনগরের বাসিন্দারা সংবাদমাধ্যমকে জানালে তবেই জানতে পারে সংবাদমাধ্যম এবং প্রকাশ্যে আসে।

পরবর্তীকালে পি কে হালদারকে আদালতে তোলা হলে তখনো সংবাদমাধ্যম পি কে হালদার এবং তার ভাই প্রাণেশের সঙ্গে কথা বলে। পি কে হালদার ও প্রাণেশের বক্তব্য প্রকাশ্যে আসায় নাখোশ হয় ঢাকার অংশটি।

ঢাকার এত আপত্তি কিসের- প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ঢাকায় যোগাযোগ করা হলে অধিকাংশ সূত্র জানান, তারা বিষয়টি জানেনই না। গত তিন দিনে ঢাকার একাধিক সূত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তবে ব্যতিক্রমী উত্তর মিলেছে মুষ্টিমেয় কয়েকজন সূত্রের কাছে। এই অংশের দাবি বাংলাদেশের শীর্ষমহল চায় না কিছু অফিসার ছাড়া পি কে কাণ্ড কেউ জানুক। এই সূত্রের আরো দাবি, ঢাকা চায় পি কে হালদারের থেকে যথা সম্ভব তথ্য উদ্ধার করুক ইডি কিংবা ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থারা। দিল্লি সেগুলো ঢাকাকে দিলে ঢাকার পক্ষে ক্রস চেক করতে সুবিধা হবে।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়