আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী আমার বন্ধু

আগের সংবাদ

পারাপারে প্রস্তুত স্বপ্নের সেতু

পরের সংবাদ

অভিযোগ মিথ্যে, কেউ পাকিস্তানে ফিরতে চান না

ড. এম এ মোমেন

সাবেক সরকারি চাকুরে, নন-ফিকশন ও কলাম লেখক

প্রকাশিত: মে ২১, ২০২২ , ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ আপডেট: মে ২১, ২০২২ , ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ

পাকিস্তান সরকারের গুরুতর অভিযোগ (ভারতীয়) একাত্তরের এপ্রিলে বল প্রয়োগের মাধ্যমে পাকিস্তান ডেপুটি হাইকমিশন কলকাতার কর্মীদের আনুগত্য প্রত্যাহার করানো হয়েছে। অভিযোগ গুরুতর এবং আন্তর্জাতিক কনভেনশনগুলোর পরিপন্থি। তদন্তের দায়িত্ব নেয় সুইজারল্যান্ড সরকার। নয়াদিল্লিতে সুইস দূতাবাসের প্রতিনিধি ডক্টর বোনার্ড তদন্ত করবেন। এই তদন্তে পাকিস্তান সরকারও সম্মতি জানিয়েছে। এ তদন্ত নিয়ে ১৯ জুলাই ১৯৭১ ভারতের ইংরেজি দৈনিক দ্য স্টেটসম্যানের বিশেষ প্রতিনিধি যে প্রতিবেদনটি প্রণয়ন ও প্রকাশ করেছেন তা একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল, এটি ভাষান্তরিত হলো :
সুইস সরকারের প্রতিনিধি ডক্টর বোনার্ড যখন তদন্ত করছিলেন পাকিস্তান ডেপুটি হাইকমিশন, যা ১৮ এপ্রিল ১৯৭১ থেকে বাংলাদেশ মিশন হিসেবে ঘোষিত, সেই মিশনের প্রধান হোসেন আলীসহ ৬৪ জন অফিসার ও কর্মচারী স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন তারা সম্পূর্ণভাবে স্বেচ্ছায় পাকিস্তানের প্রতি আনুগত্য পরিত্যাগ করে বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্রের সরকারের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করেছেন এবং কোনোক্রমেই ‘পাকিস্তানে ফিরে যাবার ইচ্ছে তাদের নেই।’
নয়াদিল্লির সুইস দূতাবাসের ডক্টর বোনার্ড পাকিস্তান সরকারের অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য তদন্ত করতে এগিয়ে আসেন। তদন্তটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এর ওপরই নির্ভর করছে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় ডেপুটি হাইকশিনার কে সি সেনগুপ্তসহ গৃহবন্দি প্রায় ১৩০ জন স্টাফ ও তাদের পরিবার নিয়ে সৃষ্ট অচলাবস্থার অবসান হওয়া। কলকাতায় নিয়োগপ্রাপ্ত পাকিস্তান ডেপুটি হাইকশিনার মেহেদি মাসুদ ও তার স্টাফদের ব্যাপারেও ভারতকে একই রকম ব্যবস্থা নিতে হয়েছে। উভয় দেশের স্টাফদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে যথেষ্ট কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করার পরও অচলাবস্থা কাটেনি। সুইস প্রস্তাবে ভারত ও পাকিস্তান উভয়েই সম্মতি দেয়ায় এই অচলাবস্থা নিরসনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
উভয় দেশের মধ্যে বর্ণিত এই সম্মতির শর্তানুযায়ী একটি নিরপেক্ষ স্থান কলকাতা হিন্দি হাইস্কুলকে ডক্টর বোনার্ডের তদন্তের জন্য নির্ধারণ করা হয়, তিনি বাংলাদেশ মিশনের স্টাফ মেম্বারদের এখানে পরীক্ষার জন্য ডেকে পাঠান। এখানে ডক্টর বোনার্ড পাকিস্তানি হাইকমিশনের মেহেদি মাসুদ এবং কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব এ কে রায়ের উপস্থিতিতে পৃথকভাবে সদস্যদের প্রত্যেককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পূর্বনির্ধারিত চুক্তি অনুযায়ী ডক্টর বোনার্ড মিশন স্টাফদের পৃথকভাবে কেবল একটি প্রশ্ন করেন। ‘আপনি পাকিস্তানে ফিরতে চান নাকি চান না? যদি ফিরতে চান তাহলে ভারত সরকার জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী আপনার নিরাপদ ভ্রমণের সব বন্দোবস্ত করবে। আপনার ইচ্ছে ব্যক্ত করুন।’
পাকিস্তান ফিরতে চান কি-না এ প্রশ্নে বাংলাদেশ মিশনের ৬২ জন সদস্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তরের কাগজে ‘না’ লিখে দিতে এতটুকু বিলম্ব করেননি। কিন্তু বাংলাদেশ মিশন প্রধান হোসেন আলী নির্ধারিত স্থানে হাজির হতে অস্বীকৃতি জানালেন। তিনি বললেন, তার নির্ধারণ করা কোনো স্থানে মিস্টার রায় ও মিস্টার মাসুদের উপস্থিতিতে ডক্টর বোনার্ডের পরীক্ষার জন্য উপস্থিত হতে তৈরি আছেন। তিনি তাদের বাংলাদেশ মিশনেও অভ্যর্থনা জানাতে প্রস্তুত আছেন তবে মিশন চত্বরে মিস্টার মাসুদের উপস্থিতি কাক্সিক্ষত হবে না বলেই তিনি মনে করেন।
অতঃপর হোসেন আলী তার অধিকারে থাকা একটি শূন্য আবাসিক ফ্ল্যাটে যাওয়ার প্রস্তাব করেন। প্রকৃতপক্ষে হোসেন আলীর পরীক্ষাটি একটি রুটিন ধরনের কাজ, কারণ বিভিন্ন সংবাদপত্রে বিবৃতি ও টেলিভিশনে প্রদত্ত বক্তব্যে অত্যন্ত পরিষ্কারভাবে ও পর্যাপ্তভাবে জানিয়েছেন তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি অনুগত (এবং তাদের হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন)।
বাংলাদেশ মিশনের প্রেস অ্যাটাশে মাকসুদ আলী জলবসন্তে আক্রান্ত থাকায় তার পক্ষে সাক্ষাৎকারের জন্য নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত হওয়া সম্ভব হয়নি। ডক্টর বোনার্ড এবং তার দল নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান নিশ্চিত করে তার বাসাতেই গিয়ে হাজির হন। মাকসুদ আলীর জবাব অন্যদের চেয়ে ভিন্ন কিছু নয়। মিশনের একজন স্টাফ কলকাতা থেকে দূরে ছিলেন, তিনিও খুব শীঘ্রই এসে পড়বেন বলে আশা করা যাচ্ছে।পরে সন্ধ্যেবেলায় মিশন প্রধান হোসেন আলী মিশন অফিসে একটি সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, তিনিসহ মিশনের সদস্যরা কেবলমাত্র ঢাকায় গৃহবন্দি ভারতীয় দূতাবাস সদস্যদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে অচলাবস্থার কথা বিবেচনা করে মিস্টার মাসুদের উপস্থিতিতে প্রশ্নের জবাব দিতে সম্মত হয়েছেন।
আলী বলেন, কলকাতায় সাবেক পাকিস্তান ডেপুটি হাইকমিশনের মেম্বার স্টাফদের ওপর জোর খাটানোর যে অভিযোগ পাকিস্তান সরকার করেছে তা ‘একটি মিথ্যে’ ছাড়া কিছুই নয়। ‘পাকিস্তান সরকার বাংলাদেশে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে’ কেবল সে কারণেই তারা আনুগত্য বদল করতে বাধ্য হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা সকলেই পাকিস্তান সরকারের নিবেদিত ও অনুগত কর্মচারী ছিলাম, বাংলাদেশে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মকাণ্ডের কারণেই আমরা আনুগত্য বদল করেছি।
হোসেন আলী বলেন, বাংলাদেশ মিশনের প্রধান হিসেবে তার মর্যাদা একজন রাষ্ট্রদূত বা হাইকমিশনারের সমতুল্য। তার চেয়ে নিচু পদমর্যাদার বিদেশি প্রতিনিধি ডক্টর বোনার্ডের তদন্তে হাজির হতে পারেন না, অধিকন্তু পাকিস্তানি প্রতিনিধির সামনে উপস্থিত হওয়াও তার জন্য বিব্রতকর যিনি কেবল ডেপুটি হাইকশিনার পদমর্যাদার কর্মকর্তা। কাজেই তিনি তাদের তার পছন্দের একটি স্থানে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তারা সম্মতি দিয়ে সেখানে এসেছেন এবং তিনি সেখানে তার আনুগত্যের বিবৃতি দিয়েছেন। হোসেন আলী বললেন, পাকিস্তান ফরেন সার্ভিসে মেহেদি মাসুদ তার জুনিয়র কর্মকর্তা ছিলেন এবং সৌজন্যবশত তিনি তার প্রতি শুভেচ্ছার অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন। কিন্তু পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বাংলাদেশে যে নারকীয় কর্মকাণ্ড চালিয়েছে তাতে পাল্টা শুভেচ্ছা জানানোর মতো অবস্থায় তিনি ছিলেন না। তিনটি স্থানে ডক্টর বোনার্ডের পরীক্ষা চলে- হিন্দি হাইস্কুল, হোসেন আলীর নির্ধারিত বাড়ি এবং অসুস্থ মাকসুদ আলীর বাড়ি। সকাল সোয়া ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ডক্টর বোনার্ড কাজ করেন। মিশনের একজন সদস্য আগরতলা থেকে না ফেরা পর্যন্ত তিনি কলকাতায় থাকছেন। হোসেন আলী বলেন, শিগগিরই যে কোনো মুহূর্তে তিনি এসে হাজির হবেন।
মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী সুইস রাষ্ট্রদূত ফ্রিৎজ রিয়েল ব্যক্তিগতভাবে কলকাতায় আসবেন বলে জানিয়ে ছিলেন; কিন্তু তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ায় ডক্টর বোনার্ডকে আসতে হয় এবং তদন্তের নির্ধারিত স্থান ও পদমর্যাদা নিয়ে বিতর্ক হয়।
এখন আশা করা যাচ্ছে ডক্টর বোনার্ড শিগগিরই তার প্রতিবেদন দাখিল করবেন, তাতে বাংলাদেশ মিশন সদস্যদের প্রত্যেকের কাছ থেকে প্রাপ্ত আনুগত্যের লিখিত জবানবন্দি সংযুক্ত করবেন। যেহেতু প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে আগেই পাকিস্তান ও ভারত সম্মতি জ্ঞাপন করেছে, এখন ঢাকায় অবস্থানরত ভারতীয় মিশন সদস্যদের প্রত্যাবাসনে বিলম্বের তেমন সুযোগ নেই।

এ নিয়ে ৪ মে এপি-ইউপিআইর সংবাদ:
উপমহাদেশের প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে ঘণ্টায় ঘণ্টায় সম্পর্কের অবনতি ঘটছে এবং দুই সরকার একের পর এক প্রতিবাদলিপি পাঠিয়ে চলেছে। পাকিস্তানের অনুরোধে একটি দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে দুটি কূটনৈতিক মিশনের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনার কলকাতায় স্বাভাবিক দায়িত্ব পালন করতে পারছিলেন না বলে ভারতকে জানানো হয়।
কার্যত কলকাতায় পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ১৮ এপ্রিল থেকেই বন্ধ। তখন পূর্ব পাকিস্তানি বিদ্রোহী কূটনীতিবিদরা কলকাতা অফিসকে বাংলাদেশ সরকারের প্রথম বৈদেশিক মিশন হিসেবে ঘোষণা দেন। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে পাকিস্তান সরকার কলকাতায় সে দেশের ডেপুটি হাইকমিশনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পাকিস্তানে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানায়। প্রকৃতপক্ষে সেখানে কর্মরত ১০০ জনের মধ্যে ৭০ জনই পূর্ব পাকিস্তানের বিদ্রোহী কূটনীতিক। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, কলকাতায় পাকিস্তানি মিশনে কর্মরত সবাইকে ফেরত পাঠানোর যুক্তি ভারত অবশ্যই মেনে নেবে না। তিনি বলেন, যারা যেতে চায় যাবে, কিন্তু ভারত ছাড়ার জন্য অন্যদের ওপর বল প্রয়োগ করা হবে না। মুখপাত্র বলেন, একইভাবে ভারত সরকারও ঢাকা থেকে ভারতীয় কূটনীতিক ও তাদের কর্মচারীদের মধ্যে যারা ভারতে আসতে চান, কেবল তাদের ফেরত পাঠানোর ওপরই জোর দিচ্ছে। এ মিশনের দলিল-দস্তাবেজ কেমন করে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে হবে, তা-ও দুই দেশকেই ঠিক করতে হবে। পাকিস্তান জোর দিয়ে বলেছে, পারস্পরিকতার নীতি (প্রিন্সিপাল অব রেসিপ্রসিটি) কঠোরভাবে মানতে হবে।
কূটনৈতিক স্নায়ুযুদ্ধের সর্বশেষ খবর হচ্ছে, পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকায় ভারতীয় মিশনের এবং কলকাতায় পাকিস্তানি মিশনের পদগুলোর আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তির ঘোষিত চূড়ান্ত সময় পার হয়ে গেছে।

দ্য স্টেটসম্যানের আরো একটি প্রতিবেদন : যুক্তরাষ্ট্রে বাঙালি কূটনীতিক বদল
জাতিসংঘ সদর দপ্তর, ২৭ এপ্রিল :
পাকিস্তান সরকার যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদে থাকা বাঙালি কর্মকর্তাদের সরিয়ে দিচ্ছে। পিটিআই রিপোর্ট।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে পাকিস্তানের কনসাল জেনারেল এম এন আই চৌধুরী, ওয়াশিংটনে রাজনীতিবিষয়ক মিনিস্টার এনায়েত করিম এবং তার সহকারীকে হয় সরিয়ে দেয়া হয়েছে, অথবা তাদের দায়িত্বে অন্য কোনো পাকিস্তানি কর্মকর্তাকে বসানো হয়েছে।
বাঙালি ভাইস কনসাল এ এইচ মাহমুদ আলী ইসলামাবাদের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করেছেন। তিনি নিজের ও স্ত্রীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন।
ওয়াশিংটনে পাকিস্তানি দূতাবাস দাবি করছে, মাহমুদ আলীকে ঘানায় বদলি করা হয়েছে এবং সে উদ্দেশে তিনি আগাম ভ্রমণভাতাও তুলেছেন- আপাতদৃষ্টিতে এর অর্থ তাকে বিপদাপন্ন করা হবে না। তবে মাহমুদ আলী জানিয়েছেন, তাকে প্রথমে ঘানার রাজধানী আক্রায় যোগদান করার আদেশ দেয়া হলেও ২১ এপ্রিল সে আদেশ বাতিল করে অবিলম্বে ইসলামাবাদে পররাষ্ট্র দপ্তরে যোগদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আলী সাংবাদিকদের সে আদেশও দেখিয়েছেন।
নেতৃস্থানীয় বাঙালি কূটনীতিবিদদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়ার বিষয়টি পাকিস্তান দূতাবাস নিশ্চিত না করলেও জানা গেছে, নিউইয়র্কে কনসাল জেনারেলের দায়িত্ব হায়াত মেহেদি নামের একজন পশ্চিম পাকিস্তানি কূটনীতিককে দেয়া হয়েছে। ওয়াশিংটনে রাজনীতিবিষয়ক মিনিস্টার এনায়েত করিমের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে অটোয়ায় পাকিস্তান দূতাবাসের কাউন্সিলর জাকিকে। মার্কিন সূত্র জানিয়েছে, মাহমুদ আলীকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়া হোক বা না হোক, তাকে সস্ত্রীক যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করতে দেয়া হবে।

ড. এম এ মোমেন : সাবেক সরকারি চাকুরে, নন-ফিকশন ও কলাম লেখক।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়