শিল্পকলায় ‘রাজার চিঠি’

আগের সংবাদ

এসডিজি অর্জনে সমতলের ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষদের অন্তর্ভুক্তির দাবি

পরের সংবাদ

বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে স্ত্রীকে তালাকের চেষ্টা, কারাগারে স্বামী

প্রকাশিত: মে ১৯, ২০২২ , ১০:০৩ অপরাহ্ণ আপডেট: মে ১৯, ২০২২ , ১০:০৪ অপরাহ্ণ

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় লিখন সাকসেনা নামে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুনুর রশিদের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

অভিযুক্ত লিখন সাকসেনা

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজধানীর লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ মোরশেদ আলী। তিনি বলেন, আজ ভোররাতে আসামি সাকসেনাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদালতে তোলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

সাকসেনাসহ এ মামলায় আসামি চারজন। বাকি তিনজন হলেন- সাকসেনার বাবা হুমায়ূন কবীর, মা শিউলী শ্রাবণী ও ভাই হৃদয় সাকসেনা। গত ১৪ মে ঢাকার লালবাগ থানায় সাকসেনার স্ত্রী বাদী হয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১১ (গ)/৩০ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৪ জুন জবি শিক্ষার্থী লিখন সাকসেনার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন মামলার বাদী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে স্ত্রীর পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন সাকসেনা। যৌতুকের জন্য তার স্ত্রীকে মারধর করতে থাকেন। একসময় স্ত্রীর পরিবার দুই লাখ টাকা যৌতুকও দেন। পরবর্তীতে লিখন ৪০তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হলে তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে অন্যত্র বিয়ে করতে চান বলে অভিযোগ করা হয়। যৌতুকের টাকা আদায়ের জন্য নির্যাতনে সহযোগিতা করা হয়েছে বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে মামলার বাদী সাকসেনার স্ত্রী বলেন, যৌতুকের টাকার জন্য লিখন বিভিন্ন সময়ে আমাকে চড়, থাপ্পড়সহ নানাভাবে মারধর করে আসছিল। আমাকে রেখে অন্য মেয়ে নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। কিন্তু সংসার টিকিয়ে রাখার স্বার্থে আমি সবকিছু সহ্য করে দুই লাখ টাকা দিয়েছি। তবে এখন সে বিসিএস ক্যাডারে সুপারিশ হওয়ার পর আমাকে আর চায় না। সে আমাকে তালাক দিয়ে অন্য কোন বড়লোক মেয়েকে বিয়ে করতে চায়। আমি মীমাংসাতে গিয়েও পারিনি। তাই বাধ্য হয়ে মামলা করেছি। আমি এর বিচার চাই।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়