জুনে উদ্বোধন, নাম ‘পদ্মা সেতু’ই হবে

আগের সংবাদ

‘বিনিসুতোয়’ ছবিতে জয়ার হাতে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার

পরের সংবাদ

আমদানিতে নির্ভরতা কমানোর ইঙ্গিত মন্ত্রিপরিষদ সচিবের

প্রকাশিত: মে ১৯, ২০২২ , ৫:১৪ অপরাহ্ণ আপডেট: মে ১৯, ২০২২ , ৫:২৫ অপরাহ্ণ

আমদানি করা পণ্যে ট্যাক্স আরোপের বিষয়ে ব্যাপক কাঁটছাঁটের ইঙ্গিত দিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠক পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে, সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বৈঠকে বসে মন্ত্রিসভা। সভায় দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।

বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স মিনিস্ট্রিকে কতগুলো নির্দেনশনা দেয়া হয়েছে, পর্যাপ্ত এবং বিস্তৃত ব্যবস্থা নিয়ে সবার কাছে তুলে ধরার জন্য। বিশেষ করে কিভাবে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাচ্ছে বা সরবরাহ কমে যাচ্ছে, এই জিনিসগুলো কিভাবে হ্যান্ডেল করতে পারবো। কোন জায়গায় বাধা দিলে ভালো হবে বা উন্মুক্ত করলে ভালো হবে। এগুলো দু’তিন দিনের মধ্যে আলাপ আলোচনা করে তুলে ধরতে হবে। এছাড়া ডলারের যে সংকট হচ্ছে এটা কিভাবে সমাধান করা যায় এটা বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে বসে দু তিনদিনের মধ্যে কৌশল বের করতে হবে। আগামী দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে বলেও জানান তিনি।

আমদানিকে কাঁটছাঁটের ইঙ্গিত দিয়ে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, তাদের বলা হয়েছে, এই দৃশ্যপটে আমাদের কী করনীয় তা নির্ধারণ করতে। যেমন মনে করেন আপনি পরামর্শ দিলেন ফল আমদানিতে ট্যাক্স বাড়িয়ে দেন যাতে ফল বেশি না আসে। এখন বৈশাখ মাস, এখন তো আমার আম জাম কাঠাল পর্যাপ্ত থাকবে। এরকম পরামর্শ আপনি দিলেন এটা বিবেচনা করে যৌক্তিক কিনা সেটা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া।

তিনি আরও বলেন, আট বা নয় হাজার কোটি টাকার ফল আসে বছরে। এখন ট্যাক্স যদি সাময়িকভাবে বাড়ানো হয় বা অন্য যে ফ্যান্সি আইটেমগুলো আছে সেগুলোতে ট্যাক্স বাড়ান, এই বিষয়গুলো আলোচনা করে দুই-তিনদিনের মধ্যে একটি সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে গঠনমূলক আলোচনা করতে গণমাধ্যমকে অনুরোধ জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলেন, কোভিড রিকভার করা যাচ্ছিলো কিন্তু ইউরোপের যে যুদ্ধটা এটা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ইকোনোমিক ক্রাইসিস শুধু না সাপ্লাইয়েরও একটি ক্রাইসিস হচ্ছে। কারণ রাশান দেশগুলো হলো ফুড এবং এনার্জি সাপ্লাইয়ে সারপ্লাস।

তিনি আরও বলেন, এখন এখান থেকে যদি না বের হতে পারে ফুড এবং এনার্জি তাহলে সারা পৃথিবীই কিন্তু ভুগছে। কালই দেখলাম নাইন পারসেন্ট ইনফ্লেশন হয়েছে গ্রেট ব্রিটেনে। আমেরিকাতে এইট পারসেন্টের বেশি। আমরা তো ওয়ার্ল্ডের বাহিরে না, আমরা তো ওয়ার্ল্ডের অংশ। সেক্ষেত্রে আমাদেরও হয়তো কিছু কিছু ক্ষেত্রে আরও যৌক্তিক আচরণ করতে হবে সেজন্য আমরা মিডিয়াকে অনুরোধ করবো এটাই একটু ইতিবাচকভাবে প্রচার করার জন্য। আমরা সবাই যেন একটু সাশ্রয়ী থাকি বা যৌক্তিক থাকি।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়