ভোরের কাগজের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদ কনকসাসের

আগের সংবাদ

মুশফিকের সেঞ্চুরির পর স্ত্রীর প্রশ্ন, বিকল্প আছে তো?

পরের সংবাদ

জ্ঞানী-গুণীরা অর্বাচীনের মতো কথা বলেন কীভাবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: মে ১৮, ২০২২ , ৭:৩২ অপরাহ্ণ আপডেট: মে ১৮, ২০২২ , ৭:৪১ অপরাহ্ণ

জ্ঞানী-গুণী হয়েও দেশের কিছু অর্থনীতিবিদ কীভাবে অর্বাচীনের মতো কথা বলেন- এমন প্রশ্ন রেখেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমাদের দেশের একজন জ্ঞানী লোক বলে ফেললেন, পদ্মাসেতুতে রেললাইন করতে ৪০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। যা না কী সম্পূর্ণ ঋণের টাকায়। এই ঋণ শোধ হবে কীভাবে? তার মতে, দক্ষিণ বঙ্গের কোনো মানুষ না কী রেলে চড়বে না, তারা লঞ্চে যাতায়াত করবে। এই রেল ভায়াবাল হবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেতুর কাজ হয়ে গেছে। এখন সেতু নিয়ে তারা কথা বলে পারছে না। রেলের কাজ চলছে, সেটা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এই লোকটিকে সবার চিনে রাখা উচিত। কারণ রেলগাড়ি যখন চালু হবে, তাকে রেলে নিয়ে চড়ানো উচিত। বড় বড় অর্থনীতিবিদ আর এই জ্ঞানী-গুণীরা অর্বাচীনের মতো কথা বলেন কীভাবে? সেটাই আমার প্রশ্ন।

বুধবার (১৮ মে) বিকেলে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি। শেখ হাসিনার স্বদেশ-প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে দলটির ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ উপকমিটি এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। এ সময় এতিমখানাসহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানকে সেলাই মেশিনসহ খাদ্যসমাগ্রী বিতরণ করা হয়।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, পদ্মা সেতুর স্প্যান যখন বসানো হয়, তখন খালেদা জিয়া বলেছিলেন এই সেতু জোড়াতালি দেয়া। জোড়াতালি দিয়ে পদ্মাসেতু বানানো হচ্ছে, ওখানে চড়া যাবে না। চড়লে সেতু ভেঙ্গে পড়বে। তার সঙ্গে যুক্ত হলো কিছু দোসর। তাদেরকে কি করা উচিত? ওই পদ্মা সেতুতে নিয়ে গিয়ে ওখান থেকে পদ্মা নদীতে টুস করে ফেলে দেয়া উচিত। আর যিনি (ড. ইউনুস) একটা ব্যাংকের এমডি পদের জন্য পদ্মাসেতুর মতো সেতুর টাকা বন্ধ করে দিয়েছে। তাকেও পদ্মা নদীতে নিয়ে গিয়ে দুটো চুবানো দিয়ে উঠানো উচিত, মরে যাতে না যায়। তাহলে যদি এদের শিক্ষা হয়। বাংলাদেশ যে নিজেদের অর্থায়নের পদ্মাসেতু করতে পারে, সেটা আমরা প্রমাণ করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, মেগা প্রকল্পগুলো নিয়ে আমরা না কী খুব ভুল করছি। তারা আয়েশে বসে থাকে। আর আমার তৈরি করা (অনুমোদন দেয়া) সব টেলিভিশনের গিয়ে কথা বলে। আমরা বিদ্যুৎ সরবরাহ করি, সেই বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে। আজকে ডিজিটাল বাংলাদেশ করে দিয়েছি। ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত ব্রডব্যান্ড চলে গেছে। স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ করেছি। সেটা নিয়েও কথা হয়েছে যে এত টাকা দিয়ে স্যাটেলাইট করে কী হবে? সেই প্রশ্নও তুলেছে তারা।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের জন্য ভাল কিছু করলেই তাদের গায়ে লাগে। কেন? তাহলে তারা কী এখনো সেই পাকিস্তানী সামরিক জান্তাদের পদলেহনকারী খোশামোদী-তোষামোদী দল? তিনি বলেন, গালিটালি দেই না। দেয়ার রুচিও নাই। তবে একটু না বলে পারি না। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী যেভাবে বাংলাদেশের মেয়েদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে, গণহত্যা চালিয়েছে, অগ্নিসংযোগ করেছে। পোড়ামাটি নীতি নিয়ে বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল। সেই পাকিস্তানের পদলেহনকারী সারমেয়র দল এখনো বাংলাদেশে জীবিত, সেটাই হচ্ছে দুঃখজনক।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়