নিউজ ফ্ল্যাশ

আগের সংবাদ

করোনামুক্ত হলেন সাকিব

পরের সংবাদ

৪০ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা ও মায়ানমারের মুদ্রা সহ ৭জন আটক

প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২২ , ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ আপডেট: মে ১৩, ২০২২ , ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ

কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পৃথক অভিযান চালিয়ে ৪০ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা, মায়ানমারের মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার সহ মাদক এবং মানব পাচারকারীদলের ৭ জনকে আটক করেছে। বৃহস্পতিবার (১২ মে) রাতে এই অভিযান চালানো হয়।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) কর্তৃক পরিচালিত দু’টি পৃথক অভিযানে ১,২৭,৯৩,৭৮৪/- (এক কোটি সাতাশ লক্ষ তিরানব্বই হাজার সাতশত চুরাশি) টাকা মূল্যমানের ৪০,৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, বাংলাদেশী ১০,৭৮৪/- টাকা সমমান মায়ানমারের প্রচলিত মুদ্রা ২,৩০,২০০ কিয়াত, আনুমানিক ১৪ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার, ০১টি সিএনজি এবং ০৩টি মোবাইল ফোন সহ সংঘবদ্ধ মাদক এবং মানব পাচারকারীদলের ৭ জন সদস্যকে আটক করা হয়েছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্য পেয়ে রাতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) কেরাংতলী নামক এলাকায় নাফ নদীর পাশে একটি বাড়ীটিতে তল্লাশি চালায়। তল্লাশির একপর্যায়ে শোয়ার ঘরে গ্যাস সিলিন্ডারের পাশে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার মূল্য ৩০ লাখ টাকা। এছাড়া মায়ানমারের মুদ্রা ২ লাখ ৩০ হাজার ২০০ কিয়াত (বাংলাদেশী ১০,৭৮৪/- টাকা সমমান) এবং বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগরিকদের বিদেশে পাচারকালে তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক রেখে দেয়া ৮৮ হাজার টাকা মূল্যমানের আনুমানিক ১৪ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়। এই বাড়ি থেকে চারজনকে আটক করা হয়। তারা হলেন- মো. শফি উল্লাহ (৫৫), মো. আনোয়ার হোসাইন (১৯), মোছা. তৈয়বা বেগম (৪০), মোছা. লাকী আক্তার (১৯)।

পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হ্নীলা বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ চৌধুরীপাড়া এলাকায় আবারো অভিযান চালানো হয়। তখন ১নং স্লুইসগেট নামক স্থান থেকে আরো ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এই ইয়াবার মূল্য ৯০ লাখ টাকা। আটককৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, তারা পারিবারিকভাবেই মাদক চোরাচালান এবং বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমারের নাগরিকদের মায়ানমারসহ বিদেশে পাচারের সঙ্গে জড়িত। এ পর্যন্ত তারা আনুমানিক ১৫০ থেকে ১৬০ জন বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগরিককে বিদেশে পাচার করেছে বলে স্বীকার করে। উদ্ধারকৃত মায়ানমারের মুদ্রা এবং স্বর্ণালঙ্কার কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকের, ট্রেজারী শাখায় জমা দেয়া হয়েছে।

অপরদিকে বৃহস্পতিবার রাতে দমদমিয়া বিওপি’র চেকপোস্টে নিয়মিত তল্লাশীকালে একটি সিএনজি অটো রিক্সাকে তল্লাশি করার জন্য থামানো হয়। সিএনজিটিতে সর্বমোট ৩ জন যাত্রী ছিল। তাদের তল্লাশি করে তিনজনের শরীরের বিভিন্ন অংশে অভিনব কায়দায় লুকায়িত অবস্থায় ৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত ইয়াবার মূল্য ৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। তাদের কাছ থেকে সিএনজি অটোরিক্সাটি এবং তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন- মো. পারভেজ (১৬), মো. জালাল (২৬) ও মো. রেদওয়ান (১৯)। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

রি-ডিডিএম/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়