দলবদলে যাদের কদর বেশি

আগের সংবাদ

রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত চট্টগ্রামের গুণীজনদের সম্মাননা জানালেন তথ্যমন্ত্রী

পরের সংবাদ

শিল্পকলায় প্রাচ্যনাটের ‘খোয়াবনামা’

প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২২ , ১০:১৭ অপরাহ্ণ আপডেট: মে ১৩, ২০২২ , ১০:১৭ অপরাহ্ণ

মেঘমেদুর সন্ধ্যায় গতকাল শুক্রবার ছুটির দিনে উষ্ণতা ছড়াল প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে নাটক ‘খোয়াবনামা’। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে নাটকটির মঞ্চায়ণ হলো। প্রাচ্যনাটের ৩৭তম প্রযোজনাটির নাট্যরূপ দিয়েছেন মো. শওকত হোসেন সজীব। নির্দেশনা দিয়েছেন কাজী তৌফিকুল ইসলাম ইমন।

নাটকে দেখা যায়- সাতচল্লিশের দেশভাগের পটভূমিতে তৎকালীন জনমানুষের বিস্তৃত জীবন আখ্যান ‘খোয়াবনামা’। এই গল্পের মধ্য দিয়ে সময়ের জীবন ও বাস্তবতাকে ঔপন্যাসিক তুলে ধরেছেন নিপুণ হাতে।

কাৎলাহার বিলের ধারে ঘন জঙ্গল সাফ করে বাঘের ঘাড়ে জোয়াল চাপিয়ে আবাদ শুরু করার দিনের এক বিকেলবেলায় মজনু শাহর অগুনতি ফকিরের সঙ্গে মহাস্থানগড়ের দিকে যাওয়ার সময় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সেপাই সর্দার টেলারের গুলিতে মারা পড়ে মুনসি বয়তুল্লাহ শাহ। কাৎলাহার বিলের দুই ধারের গিড়িডাঙা ও নিজগিড়িডাঙার মানুষ সবাই জানে, বিলের উত্তরে পাকুড়গাছে আসন নিয়ে রাতভর বিল শাসন করে মুনশি। দূরে কোথাও ভূমিকম্প হলে যমুনা বদলে যায়। বন্যায় ভেঙে পড়ে কাৎলাহারের তীর। মুনশির নিস্কণ্টক অসিয়তে চাষিরা হয় কাৎলাহার বিলের মাঝি।

সময়ের আবর্তনে বিলের মালিকানা চলে যায় জমিদারের হাতে। মুনশির শ্নোকে শ্নোকে মানুষের স্বপ্নের ব্যাখ্যা করে বেড়ায় চেরাগ আলি ফকির। তমিজের বাপ শ্লোক শোনে আর ঘুমের মধ্যে বিলে গিয়ে কাদায় পা ডুবিয়ে দেখতে চায় পাকুড়গাছের মুনশিকে। ভবানী পাঠকের সঙ্গে পূর্বপুরুষের জের টেনে বৈকুণ্ঠনাথ গিরি প্রতীক্ষা করে ভবানীর শুভ আবির্ভাবের। তমিজ দেখে জমির স্বপ্ন। আর চেরাগ আলির নাতনি কুলসুম খোয়াবে কার কায়া যে দেখতে চায়, তার দিশা পায় না। তেভাগার কবি কেরামত শেষ পর্যন্ত আটকে পড়ে শুধুই নিজের কোটরে। সে নাম চায়, বউ চায়, ঘর চায়।

কোম্পানির ওয়ারিশ ব্রিটিশের ডাণ্ডা উঠে আসে দেশি সাহেবদের হাতে। এভাবে এগিয়ে যায় নাটকের গল্প।

খোয়াবনামায় অভিনয় করেছেন সানজিদা প্রীতি, সাখাওয়াত হোসেন রিজভী, মনিরুল ইসলাম রুবেল, চেতনা রহমান ভাষা, শশাংক সাহা, মো. সোহেল রানা, মিতুল রহমান, মো. সোহেল রানা, তানজি কুন, সাইদুর রহমান শাহীন, শ্রাবণ শামীম প্রমুখ। গানের সুর : রাহুল আনন্দ, সঙ্গীত : নীল কামরুল, কোরিওগ্রাফি : স্নাতা শাহরিন, মঞ্চ : এবি এস জেম, আলোক ভাবনা করেছেন ঠাণ্ডু রায়হান।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়