সন্তুর জাদুকর শিবকুমার শর্মা আর নেই

আগের সংবাদ

জামালপুরে গলুইর প্রদর্শনী বন্ধে ক্ষুব্ধ শাকিব খান

পরের সংবাদ

নিউমার্কেটে সংঘর্ষ: আরও দুই দোকান কর্মচারী গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: মে ১০, ২০২২ , ২:২২ অপরাহ্ণ আপডেট: মে ১০, ২০২২ , ৪:৪২ অপরাহ্ণ

রাজধানীর নিউমার্কেটে ব্যবসায়ী-দোকানি ও ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় কাউসার ও বাবু নামে দুইজন দোকান কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। সোমবার (৯ মে) রাতে হাজারীবাগ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

তারা দুজন নিউমার্কেটের ক্যাপিটাল ফাস্টফুড দোকানের কর্মচারী। তাদেরকে পুলিশের ওপর হামলঅ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। নিউমার্কেটের সংঘর্ষের ঘটনায় পাঁচ মামলায় এ নিয়ে ৫ শিক্ষার্থীসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

পুলিশ জানায়, সোমবার রাতে রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে ফোস্টফুড দোকানের দুই কর্মচারী কাউসার ও বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিবি প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার।

এ বিষয়ে ডিবি রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) এইচ এম আজিমুল হক বলেন, সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় নিউমার্কেট থানায় দায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত ১৮ এপ্রিল কথা কাটাকাটির জেরে রাত ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চলে এ সংঘর্ষ। এরপর রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও পরেরদিন মঙ্গলবার সকাল ১০টার পর থেকে ফের দফায় দফায় শুরু হয় সংঘর্ষ, যা চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অর্ধ শতাধিক আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

এছাড়া সংঘর্ষের ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজন মারা গেছেন। তাদের একজন ডেলিভারিম্যান, অন্যজন দোকান কর্মচারী ছিলেন। সংঘর্ষের সূত্রপাত নিউমার্কেটের ভেতরে থাকা ওয়েলকাম ও ক্যাপিটাল ফাস্টফুড নামের দুই দোকান কর্মচারীর দ্বন্দ্ব থেকে। সেই দোকান দুটি সিটি করপোরেশন থেকে বিএনপি নেতা মকবুলের নামে বরাদ্দ রয়েছে। তবে কোনো দোকানই নিজে চালাতেন না মকবুল। রফিকুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম নামে দুজনকে ভাড়া দিয়েছেন দোকান দুটি। রফিকুল ও শহিদুল পরস্পর আত্মীয়।

সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা করে। একটি মামলা বিস্ফোরক আইনে এবং অন্যটি পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে করা হয়। দুই মামলায় নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী, কর্মচারী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীসহ মোট এক হাজার ২০০ জনকে আসামি করা হয়। এছাড়া সংঘর্ষে নিহত নাহিদের বাবা মো. নাদিম হোসেন ও মুরসালিনের ভাই নুর মোহাম্মদ বাদী হয়ে নিউমার্কেট থানায় দুটি হত্যা মামলা করেন। এই চার মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে প্রায় এক হাজার ৪০০ জনকে। তবে তিনটি মামলার মধ্যে শুধু পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় বিএনপি নেতা মকবুলসহ ২৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়