অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলের আরও কাছে ঘূর্ণিঝড় অশনি

আগের সংবাদ

ইউএনওর গাড়িচাপায় সাংবাদিক নিহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

পরের সংবাদ

গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ

প্রকাশিত: মে ১০, ২০২২ , ১০:২২ পূর্বাহ্ণ আপডেট: মে ১০, ২০২২ , ১১:০০ পূর্বাহ্ণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে শিশুসহ একই পরিবারের ৪জন দগ্ধ হয়েছে। তাদেরকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মে) ভোর ৫টার দিকে ফতুল্লা পোস্ট অফিস এলাকার একটি টিনসেড বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন, হুশিয়ারি কারখানা শ্রমিক রোজিনা আক্তার (৩৩), স্বামী রিকশা চালক আনোয়ার হোসেন (৪০), ছেলে হুশিয়ারি কারখানা শ্রমিক রোমান (১৭) ও স্কুলছাত্র রোহান (৯)।

দগ্ধ রোজিনা জানান, ভোরে তিনি জেগে ছিলেন। তবে বাসার ভিতর স্বামী ও দুই ছেলে ঘুমিয়ে ছিলেন। তখন হঠাৎ বাসার ভিতর বিস্ফোরণে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে উঠে। মুহূর্তেই আগুন লেগে যায় তাদের শরীরে। ঘুমন্ত অবস্থা থেকে ছেলেদের তুলে দৌড়ে বাড়ির বাইরে বের হন তিনি। তবে ততক্ষণে ঝলসে গেছে ৪ জনের শরীরই।

আনোয়ার হোসেনের ভাবি রুনা আক্তার অভিযোগ করেন, ওই বাড়িটির পাশ দিয়ে অন্য বাড়ির একটি গ্যাস লাইন নেওয়া হয়েছে। পুরাতন সেই পাইপ লাইনটির লাইজার ছিলো আনোয়ারদের ঘরের জানলার পাশে। সেখান থেকে সব সময়ই গ্যাস বের হতো। সবসময়ই গ্যাসের গন্ধ পেতো তারা। এটি বাড়ির মালিককে বারবার বলা হয়েছে মেরামত করে দিতে। তবে তা ঠিক করে দেয়নি। এজন্য ২-৩ মাস ধরে পরিবারটি বাসাটি ছেড়ে দিতে চাইছিলো। তবে বিভিন্ন কারণে ছাড়তেও পারছিলো না। স্বজনদের অভিযোগ, ঠিক সময়ে এটি মেরামত করে দিলে আজ এই দুর্ঘটনা ঘটতোনা।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এসএম আইউব হোসেন জানান, রোজিনার শরীরের ১৪ শতাংশ, আনোয়ারের ১৭, রোহানের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের ৩জনকে ভর্তি রাখা হয়েছে। আর রুমানকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আনোয়ারের বাড়ি বরিশাল হিজলা উপজেলায়। আর ময়মনসিংহ হালুয়ায় বাড়ি রোজিনার।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়