সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনে নবজাতকের জন্ম

আগের সংবাদ

ফেসবুকে মন্তব্য করে ‌শাস্তি পেলেন সেই র‌্যাব কর্মকর্তা

পরের সংবাদ

বাউফলে আ’লীগ কার্যালয় চত্ত্বরে ১৪৪ ধারা জারি

প্রকাশিত: মে ৬, ২০২২ , ৪:৫১ অপরাহ্ণ আপডেট: মে ৬, ২০২২ , ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
  • আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সাংবাদিক সম্মেলন

বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আজ শুক্রবার বেলা ১০টায় উপজেলা আওয়ামী লীগ ও একই ব্যানারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ভিন্ন ভিন্ন সাংবাদিক সম্মেলন ডাকায় সম্ভাব্য সংঘাত এরাতে প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছেন। পরে উপজেলা আওয়ামী লীগ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতির বাসভবনে এবং সাধারন সম্পাদক বাউফল প্রেসক্লাবে ভিন্ন ভিন্ন সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদার সম্প্রতি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির সভাপতি সাবেক চীফ হুইপ আ স ম ফিরোজের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরণের বিষোদগার বক্তব্য রাখছেন। এর প্রতিবাদে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আজ শুক্রবার বেলা ১০টায় দলীয় কার্যালয় জনতা ভবনে সংবাদ সম্মেলন ডাকেন। একই সময় একই স্থানে নানা অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন ডাকেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এরাতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আল আমিন আওয়ামী লীগের কার্যালয় জনতা ভবন চত্ত্বরে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করেন। ১৪৪ ধারা জারির প্রেক্ষিতে উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বাউফল পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ইব্রাহিম ফারুকের বাসভবনে সকাল সাড়ে ১০টায় সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দপ্তর সম্পাদক প্রভাষক মো. ফরিদ উদ্দিন। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোসারেফ হোসেন খান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সাধারন সম্পাদক দলের গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট অপপ্রচার, অশালীন বক্তব্য ও বিষোদগার মন্তব্য করে যাচ্ছেন। জেলা সভাপতির অনুরোধ সত্বেও তিনি তার মুখের লাগাম টানছেন না। ৪৩ বছর ধরে আ স ম ফিরোজ বাউফলের আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করে আওয়ামী লীগের দুর্গ গড়ে তুলেছেন। সাধারন সম্পাদক সুবিধাবাদী, দলছুট ও জামাত-বিএনপির কিছু চিহ্নিত লোক নিয়ে সেই দুর্গ ভাঙার পায়তারা করছেন। তাকে ইউপি চেয়ারম্যান, তার স্ত্রীকে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান, তার ছেলেকে চেয়ারম্যান এবং তাকে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করার পেছনে আ স ম ফিরোজ এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের অবদানকে তিনি ভুলে যাচ্ছেন। সে যদি এখনো সংযত হয়ে দলের কাজ না করেন, তবে সেক্ষেত্রে উপজেলা আওয়ামী লীগ দলের উচ্চ পর্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে। সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম বেগম নিশু, কাছিপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, কালিশুরী ইউপি চেয়ারম্যান নেছার উদ্দিন সিকদার, সূর্যমনি ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বাচ্চু, কালাইয়া ইউপি চেয়ারম্যান এস.এম ফয়সাল আহমেদ, কনকদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন হাওলাদার, চন্দ্রদ্বীপ ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হক আলকাচ, নওমালা ইউপি চেয়ারম্যান কামাল বিশ্বাস, আদাবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম, কেশবপুর ইউপি চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন পিকু, জেলা পরিষদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপনসহ কয়েকশত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

অপরদিকে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদার বাউফল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে সভাপতির নানা অনিয়ম সম্পর্কে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

রি-এপি/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়