বিশ্বকবির জন্মবার্ষিকীতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কর্মসূচি

আগের সংবাদ

নিউজ ফ্ল্যাশ

পরের সংবাদ

করোনা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান

প্রকাশিত: মে ৬, ২০২২ , ৭:৫৮ অপরাহ্ণ আপডেট: মে ৬, ২০২২ , ৭:৫৮ অপরাহ্ণ

সরকারি হিসাব অনুযায়ী এ পর্যন্ত দেশে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ১২৭ জনের। কিন্তু সরকারের দেয়া এই তথ্য কতটা সঠিক এবং প্রকৃত সংখ্যাটা কত তা নিয়ে প্রশ্ন দীর্ঘ দিনের। তবে বিভিন্ন সময় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংগঠন এই সংখ্যা প্রকাশ করলেও সেটি গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল দ্য ল্যানসেটের পর এবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) গোটা বিশ্বে করোনায় কত সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে সেই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। আর তারপরই রিপোর্ট নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কারণ, বিভিন্ন দেশ করোনায় মৃত্যুর যে তথ্য দিয়েছে, তার তুলনায় ওই রিপোর্টে মৃত্যুর সংখ্যা অনেক বেশি।

বৃহস্পতিবার (৫ মে) প্রকাশিত ডাব্লিউএইচওর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যু সরকারি হিসাবের ৫ গুণ বেশি। তবে শুধু বাংলাদেশে নয়, বরং বিশ্বজুড়েই করোনায় মৃতের প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে ঢের বেশি। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর হিসাব দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশগুলি যে তথ্য দিয়েছিল, তার সঙ্গে স্ট্যাটিসটিক্যাল মডেলিং যোগ করে এই সংখ্যা পাওয়া গেছে।

অনান্য ক্ষেত্রে সরকারের দেয়া তথ্য বিশ্বাস করলেও করোনায় মৃত্যুর তথ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলার বিষয়টিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘দ্বৈত অবস্থান’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগনিয়ন্ত্রণ) ও মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে অধিদপ্তরের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি ভোরের কাগজকে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সম্প্রসারিত টিকা দান কর্মসূচি (ইপিআই), জন্মনিবন্ধন, ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রে যে পদ্ধতিতে আমরা তথ্য দিয়ে থাকি তারা সেটি বিশ্বাস করছে। অথচ করোনায় মৃত্যু নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দ্বিমত প্রকাশ করছে। করোনাকালে হাসপাতালে যা মৃত্যু হয়েছে সেগুলো প্রকাশ্য। যারা শনাক্ত হয়ে মারা গেছে তাদের সংখ্যা কম বেশি আছে। যারা সন্দেহভাজন হয়ে মারা গেছেন, বাড়িতে মারা গেছেন তাদের ময়নাতদন্ত হয়নি, নমুনা পরীক্ষাও হয়নি। সামাজিক ট্যাবুসহ নানা করণে তা সম্ভবও হয়নি। সেক্ষেত্রে সন্দেহ করা গেলেও নিশ্চিত করে বলার সম্ভব নয়। ওই সময় করোনা ছাড়া কি মানুষ মারা যায়নি? যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যের মতো সিস্টেম আমাদের নয়। আমার সিস্টেমের অনেক কিছু বিশ্বাস করলেও এক্ষেত্রে কেন করছে না? সংস্থাটির এই ডাবল স্ট্যান্ডার্ড বন্ধ হওয়া উচিত। এ বিষয়ে শীর্ষ পর্যায় থেকে বক্তব্য আসবে। যারা নীতি নির্ধারনী পর্যায়ে আছেন তারা অবশ্যই তা যাচাই বাছাই করে এর উত্তর বা প্রতিবাদ দেবেন।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়