এতোদিন সিনেমায় না দেখার কারণ জানালেন শবনম

আগের সংবাদ

পূর্ব ইউক্রেনের সঙ্গে দক্ষিণ ইউক্রেনও দখলে নিতে চায় রাশিয়া

পরের সংবাদ

সত‍্যজিৎ রায়ের প্রয়াণ দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধা

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৩, ২০২২ , ১২:০৭ অপরাহ্ণ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০২২ , ১২:০৮ অপরাহ্ণ

সব বিষয়ে তার অসামান্য একটা দখল ছিল। তিনি মিউজিক জানতেন, এডিটিং জানতেন, স্ক্রিপ্টিং জানতেন, ডিরেকশন তো জানতেনই। ফটোগ্রাফি, সিনেমাটোগ্রাফি জানতেন। এই যে একটা ছবিকে সম্পূর্ণ নিজের মতো করে করা- ছবি তৈরির সবদিকে নিজেকে সম্পূর্ণ ঢেলে দেয়া- এটা বিরল। তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ একজন মানুষ এবং তার সেই সম্পূর্ণতাকে পাওয়া যায় তার ছবিগুলোতে।

আর এত রকমের ছবি! ভারতবর্ষের মত এত বিরাট একটি দেশকে একজন লোক ৩২টি ছবির মধ্যে দিয়ে তুলে ধরেছেন। কোনো একটি ছবিকে আপনি ফেলতে পারবেন না।

সত্যজিৎ রায়

মানুষের জীবন নিয়ে তার সংবেদনশীলতাকে তিনি তার ছবিতে ভাষা দিয়েছেন। শুধু বইয়ের প্রচ্ছদ নয়, তার ক্যামেরা দিয়ে তিনি জীবনের নানা ছবি এঁকেছেন।

শুধু চলচ্চিত্র নির্মাণেই প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে গেছেন তা নয়, তার অনেক ছোট গল্প ও উপন্যাসও পাঠকসমাজে বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি চরিত্রের স্রষ্টা তিনি। একটি হলো গোয়েন্দা ফেলুদা, অন্যটি বিজ্ঞানী প্রফেসর শঙ্কু।

লন্ডনে কাজ করার সময় তিনি তিন মাসে ৯৯টি চলচ্চিত্র দেখেন। তার মধ্যে যে ছবিটি তার ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল, সেটি হচ্ছে ইটালীয় পরিচালক ডি সিকার ছবি বাইসাইকেল থিভস্। ছবিটি তিনি দেখেন অনেকবার এবং ওই ছবি দেখার পরই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন যে তিনি চলচ্চিত্রকার হবেন।

হয়ত এটা বললে ভুল হবে না যে শুধুমাত্র তার কারণেই আজ বাংলা ভাষায় তৈরি চলচ্চিত্র পৃথিবী জুড়ে সম্মানের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। তিনি আর কেউ নন; পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ব‍্যক্তিত্বদের একজন, সত‍্যজিৎ রায়। ২৩ এপ্রিল প্রয়াণ দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধা।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়