আল-আকসা চত্বরে সংঘর্ষে ৩১ ফিলিস্তিনি আহত

আগের সংবাদ

নিউজ ফ্ল্যাশ

পরের সংবাদ

স্ত্রীর মরদেহ হাসপাতালে রেখে স্বামী-স্বজনের পলায়ন, আদালতে ১

প্রকাশিত: এপ্রিল ২২, ২০২২ , ৪:১৯ অপরাহ্ণ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০২২ , ৭:১৮ পূর্বাহ্ণ

নেত্রকোনার মদনে স্ত্রী সাজেদা আক্তারের (২৫) মরদেহ হাসপাতালে রেখে স্বজনদের নিয়ে স্বামী হুমায়ূন মিয়ার পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তার বড় ভাই আবুল বাশারকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাকে শুক্রবার (২০ এপ্রিল) আদালতে পাঠানো হয়েছে। আবুল বাশার বাগদাইর গ্রামের মৃত আলী হোসেনের ছেলে।

বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে নেত্রকোনার মদন হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় সাজেদার ভাই মো. সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করে বৃহস্পতিবার রাতেই মদন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই রাতেই হুমায়ূনের বড় ভাই আবুল বাশারকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, নেত্রকোনার মদন উপজেলার মদন সদর ইউনিয়নের মৃত আলী হোসেনের ছেলে হুমায়ূন ৯ বছর আগে পারিবারিকভাবে কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের মাইগুনি গ্রামের মৃত আব্দুস ছাত্তারের মেয়ে সাজেদাকে বিয়ে করেন। দাম্পত্যজীবনে তাদের ছয় বছর বয়সী ছেলের জন্ম হয়। তিন বছর আগে সাজেদার বাবার কাছ থেকে দুই লাখ টাকা যৌতুক নিয়ে মালয়েশিয়া যান হুমায়ূন। গত ফেব্রুয়ারিতে ছুটি পেয়ে দেশে ফেরেন। আবার মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য যৌতুক দাবি করলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহের সৃষ্টি হয়। যৌতুকের জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করার কারণে এক মাসে সাজেদা আক্তার বাবার বাড়ি চলে আসেন। পরে স্বামী হুমায়ূনসহ কয়েকজন সালিস বৈঠক করে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হুমায়ূনের বাসায় সাজেদাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। রাতেই স্বামী হুমায়ূন ও স্বজনরা সাজেদাকে নেত্রকোনার মদন হাসাপাতালে নিয়ে আসেন। মদন হাসাপাতালের জরুরী বিভাগের কতর্ব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার আসাদ সাজেদাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর শুনেই স্ত্রীর মরদেহ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যান স্বামী হুমায়ূন। পরে পুলিশ এলে প্রতিবেশী এবং স্বজনরাও পালিয়ে যান।

এ বিষয়ে হুমায়ূনের বড় ভাই আবুল বাশার বলেন, সাজেদা গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে এমন খবর শুনে হাসপাতালে আসি। এরপর পুলিশ আমাকে গ্রেপ্তার করলে স্বজনরা সবাই পালিয়ে যায়।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম জানান, সাজেদার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় সাজেদার ভাই সিরাজুল ইসলাম রাতেই মদন থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এজাহার নামীয় আসামি আবুল বাশারকে রাতেই গ্রেপ্তার করে শুক্রবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়