কয়েক কোটি টাকার বিজ্ঞাপন ফিরিয়ে দিলেন আল্লু অর্জুন

আগের সংবাদ

দোকান খোলার অপেক্ষায় নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীরা

পরের সংবাদ

আমরা একে অন্যকে চোখে হারাই: যশ-নুসরাত

প্রকাশিত: এপ্রিল ২০, ২০২২ , ১২:১৯ অপরাহ্ণ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২২ , ১২:১৯ অপরাহ্ণ

দাদাগিরির মঞ্চে শেষের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই জৌলুস বাড়ছে অনুষ্ঠানটির। আগামী রবিবার (২৪ এপ্রিল) রাত সাড়ে নয়টায় সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের অতিথি টলিউডের সবচেয়ে বিতর্কিত জুটি যশ দাশগুপ্ত-নুসরাত জাহান। ইতোমধ্যে এর শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। এতে যশ ও নুসরাতকে দাদা প্রশ্ন করেন, তাদের দুজনের কে বেশি পজেসিভ? জবাবে তারা দুজনেই ইঙ্গিতে বোঝান, দুজনেই দুজনকে চোখে হারাই। সেই সঙ্গে তারা ‘ভালোবাসি’ বলে একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

জি-বাংলার জনপ্রিয় অনুষ্ঠান দাদাগিরির প্রোমোতে দাদাকে এমন প্রশ্নই করতে শোনা গেছে। ইঙ্গিতে জবাব দেয়ার পর দাদা বলে ওঠেন, সম্পর্ক একেই বলে।

হঠাৎ করে দাদাগিরি অনুষ্ঠানে যশ ও নুসরাতকে আনার সিদ্ধান্ত কেন? এ বিষয়ে অনুষ্ঠানটির পরিচালক শুভঙ্কর চট্টোপাধ্যায় জানান, দাদাগিরির আগামী পর্ব হবে দম্পতিদের নিয়ে। উপস্থিত থাকবেন বাবুল সুপ্রিয় ও তার স্ত্রী রচনা শর্মা এবং জয় সরকার ও লোপামুদ্রা মিত্র। আমাদের মনে হয়েছিল, যশ-নুসরাতকে এ বিশেষ পর্বে আমন্ত্রণ জানানো যায়। বাংলা বিনোদনের জগতে তারা এ মুহূর্তে সবচেয়ে চর্চিত জুটি। এখনও পর্যন্ত কোনো অনুষ্ঠানের মঞ্চে আসেননি। তারকা দম্পতিকে আমন্ত্রণ জানাতেই তারা এক কথায় রাজি হয়ে যায়।

যশ-নুসরাতের মতোই পুরো অনুষ্ঠান খুনসুটিতে মাতিয়ে রেখেছেন জয়-লোপামুদ্রাও। গায়িকার পোশাকের বুটিক রয়েছে। জয় সেই বুটিকের মডেল। সৌরভের কাছে এ দিন সুরকার-শিল্পীর অনুযোগ, বিনা পারিশ্রমিকে নাকি তাকে দিয়ে মডেলিং করান লোপামুদ্রা! সঙ্গে সঙ্গে গায়িকার চটজলদি জবাব, তা হলে আর বেছে বেছে সুন্দর বরকে বিয়ে করা কেন।

শুভঙ্কর আরও বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বেশ কিছুক্ষণ শুটিং বন্ধ ছিল। তখন সবটুকু কপট ঝগড়া ভুলে সেটে পাশাপাশি বসে নাকি সেলফি তোলায় মগ্ন হয়ে পড়েন জয়-লোপামুদ্রা। কলাকুশলীরা সেই ছবি তুলে শিল্পী দম্পতিকে দেখাতেই লজ্জায় লাল হয়ে যায়।

খেলায় বা ব্যক্তিগত প্রশ্নের জবাবে যশ না নুসরাত, কে বেশি অনায়াস? পরিচালকের দাবি, ব্যক্তিগত বিষয়ে সোজাসাপ্টা উত্তর দিয়েছেন যশ। বাংলা ছবির ক্ষেত্রে তাকে সহযোগিতা করেছেন নুসরাত। কারণ যশ কলকাতার বাইরে বড় হয়েছেন। একইভাবে, খেলায় জিততে এসেছিলেন তারা। তাই একে অন্যকে সবসময় সমর্থন ও সহযোগিতা করেছেন। পারস্পরিক এ টানই দর্শকদের নজর কাড়বে। ‘দাদাগিরি’র স্মারক কি তা হলে চর্চিত জুটির হাতেই? হাসতে হাসতে শুভঙ্করের দাবি, সেটাই বড় রহস্য। জানতে গেলে রবিবাসরীয় রাতে চোখ রাখতেই হবে জি বাংলার পর্দায়।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়