বিয়ের পোশাকে পুশআপ কনের, ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)

আগের সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে জাহাজডুবিতে নিখোঁজ ১২, উদ্ধারে নৌবাহিনী

পরের সংবাদ

আওয়ামী লীগ অন্যায়ভাবে ক্ষমতায় থাকতে চায়: ফখরুল

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৬, ২০২২ , ১:১৭ অপরাহ্ণ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২২ , ১:২০ অপরাহ্ণ

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত ২০২১ কান্ট্রি রিপোর্টস অন হিউম্যান রাইটস প্র্যাক্টিসেস শীর্ষক রিপোর্টের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রমাণিত হয়েছে যে এই অনির্বাচিত, অনৈতিক আওয়ামী লীগ সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় অন্যায়ভাবে টিকে থাকতে চায়।

শনিবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে গতকাল শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে বৈঠকের কথা জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের রিপোর্টে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা, বিচার ব্যবস্থায় সরকারী হস্তক্ষেপ সম্পর্কে যে বিশদ বিবরণ দেওয়া হয়েছে সে সম্পর্কে আলোচনা হয়।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী এই সরকারের মারাত্মক মানবাধিকার লঙ্ঘন, সরকারের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের গুম, খুন, নির্যাতনের যে সকল অভিযোগ উঠেছে তা এই রিপোর্টের মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। বিশেষ করে সম্প্রতি র‌্যাবের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও সাতজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা সেই সত্যকে আরও প্রতিষ্ঠিত করেছে। বিচার বর্হিভূত হত্যাকাণ্ড, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে নির্মম নির্যাতনের ফলে হত্যাকাণ্ড, প্রতিবাদকারী ব্যক্তিদের পিতা-মাতা, ভাইবোনদের গ্রেপ্তার, বিচার প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার, বিশেষ করে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দেয়া ও কারাগারে প্রেরণকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত বলে উল্লেখ করা প্রকৃত সত্যকে উদঘটিত করেছে।

ফখরুল বলেন, রিপোর্টে বলা হয়েছে ২০১৮ এর নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি, সন্ত্রাস এবং আগের রাতে সীল মারা, ভোটারদের ভীতি প্রদর্শন করে ভোট কেন্দ্রে আসতে না দিয়ে নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে এবং নির্বাচন ব্যবস্থাকে জালিয়াতি পূর্ণ বলে অভিহিত করায় প্রমাণিত হয়েছে যে, অনির্বাচিত অবৈধ আওয়ামী সরকারের অধীনে কখনও অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণ মূলক নির্বচন সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, রিপোর্টে উল্লেখিত মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ, সংবাদকর্মীদের নির্যাতন এবং নিবর্তনমূলক আইন প্রণয়ন গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে খর্ব করেছে। সভায় উল্লেখিত বিষয় গুলোকে ব্যাপকভাবে প্রচারের মাধ্যমে জনমত গঠন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।