সুইডেন-ফিনল্যান্ড ন্যাটোতে গেলে পরমাণু বোমার হুমকি রাশিয়ার

আগের সংবাদ

অঙ্গ বিক্রি করার হুমকি দিয়ে মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তার ৪

পরের সংবাদ

শ্রীলঙ্কার মতো এবার অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের পথে নেপাল!

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৪, ২০২২ , ১০:২৮ অপরাহ্ণ আপডেট: এপ্রিল ১৫, ২০২২ , ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ

চরম অর্থসংকটে টালমাটাল শ্রীলঙ্কা। এরই মধ্যে নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করেছে দেশটি। এই যখন পরিস্থিতি, দক্ষিণ এশিয়ার আরেক দেশ নেপালের অর্থনীতিতেও ছায়া ফেলেছে আশঙ্কার কালো মেঘ। অনেক বিশেষজ্ঞই আশঙ্কা করছেন, অদূর ভবিষ্যতে নেপালের অবস্থা হতে পারে শ্রীলঙ্কার চেয়েও ভয়াবহ। আসন্ন এ বিপদ এড়াতে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ভয়াবহ আর্থিক সংকটে ভুগছে শ্রীলঙ্কা। দেশটির চারদিকে এখন শুধুই হাহাকার। চলছে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট। কাগজের অভাবে স্কুল পর্যায়ের পরীক্ষা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। কাগজ আমদানির মতো বৈদেশিক মুদ্রা তাদের কাছে নেই। বিদেশি ঋণের ভারে জর্জরিত দ্বীপরাষ্ট্রটি। সেই ঋণের কিস্তি পরিশোধেরও অবস্থা নেই তাদের। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি ব্যয় মেটাতে পারছে না দেশটি। জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া।

শ্রীলঙ্কার মতো নেপালও ধীরে ধীরে এমন গভীর অর্থনৈতিক সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছে দেশটির প্রধান বিরোধী দল কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (সিপিএন-ইউএমএল)। চলতি সপ্তাহে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দলটির শীর্ষস্থানীয় তিন নেতা বিষ্ণু পাউদেল, সুরেন্দ্র পাণ্ডে ও ড. যুবরাজ খতিবাদা বলেছেন, নেপালের অর্থনীতি সংকটে রয়েছে এবং দ্রুত আরও বাজে পরিস্থিতির দিকে এগোচ্ছে।

দ্রুত ও দৃঢ় পদক্ষেপ নিয়ে দেশটির অর্থনীতিকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন সিপিএন-ইউএমএলের ভাইস চেয়ারম্যান বিষ্ণু পাউদেল।

নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির আরেক শীর্ষনেতা সুরেন্দ্র পাণ্ডে বলেন, সব পণ্যের দাম বাড়ায় এ বছর মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্কে পৌঁছাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কৃষি উৎপাদন কমে যাওয়া, ব্যাংকের অতিরিক্ত বিনিয়োগ সক্ষমতার অভাব, বেসরকারি খাতের দুর্বল মনোবল ও সরকারের ক্রমহ্রাসমান উন্নয়ন ব্যয়ের কারণে নেপাল মূলধন ব্যয় বাড়াতে পারবে না।

সাবকে অর্থমন্ত্রী যুবরাজ খাতিবাদা বলেছেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ বাড়ছে।

নেপালের রাষ্ট্র ব্যাংকের (এনআরবি) তথ্যমতে, হিমালয়ান দেশটির মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গত ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি ৯৭৫ কোটি মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা গত বছরের জুলাইয়ের তুলনায় অন্তত ১৭ শতাংশ কম। ক্রমবর্ধমান আমদানি, রেমিট্যান্স, পর্যটন ও রপ্তানি থেকে আয় কমে যাওযায় ২০২১ সালের জুলাই মাস থেকেই নেপালের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিম্নমুখী।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়