আজ বিদ্যালয়ের ক্লাসে যোগ দেবেন হৃদয় মণ্ডল

আগের সংবাদ

সাম্প্রদায়িকতার বিস্তৃতি তৃণমূলেও

পরের সংবাদ

হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলার রায় আজ

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৩, ২০২২ , ৮:৫৪ পূর্বাহ্ণ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২২ , ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও লেখক ড. হুমায়ুন আজাদ ‘হত্যা মামলা’র রায় ঘোষণা করা হবে আজ বুধবার। ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আল-মামুন মামলাটির রায় ঘোষণা করবেন। এর আগে গত ২৭ মার্চ আলোচিত এ হত্যা মামলাটির যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন আদালত। যুক্তি উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দাবি করা হয়। অন্যদিকে আসামিপক্ষ থেকে আসামিদের নির্দোষ দাবি করে খালাস চাওয়া হয়।

এদিকে আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডে দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী সম্পৃক্ত থাকলেও তাকে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হুমায়ুন আজাদের ভাই মঞ্জুর কবির। তাই এ রায়ে তার কোনো আগ্রহ নেই বলে মঞ্জুর কবির জানান। তিনি বলেন, ভাই হত্যা মামলার রায় হচ্ছে ১৮ বছর পর। কিন্তু এ রায় নিয়ে আমাদের তেমন একটা আগ্রহ নেই। কারণ এ ঘটনা যার কারণে ঘটেছে মূলহোতা জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীকে মামলায় আসামি করা হয়নি। বড়দা (হুমায়ুন আজাদ) হামলার পর মরতে মরতে বেঁচে গিয়েছিলেন। তখন তিনি সাঈদীকে হামলার জন্য দায়ী করেছিলেন। ভিকটিম তো বলেই গেছেন সাঈদী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। কিন্তু তাকে তো আসামি করা হয়নি। তাই রায়ের দিন তিনি আদালতে আসবেন না বলে জানান।

হুমায়ুন আজাদের ভাই আরো বলেন, ‘গৎবাঁধা একটা রায় হবে। শুনেছি, মামলায় দুজন জেলে আছে আর দুজন পলাতক রয়েছে। আদৌ তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল কিনা জানি না। তদন্ত সংস্থা জানে।

এ মামলার আসামিরা হলেন- জেএমবির শূরা সদস্য মিজানুর রহমান ওরফে মিনহাজ ওরফে শাওন, আনোয়ারুল আলম ওরফে ভাগিনা শহিদ, সালেহীন ওরফে সালাহউদ্দিন, রাকিবুল হাসান ওরফে হাফিজ মাহমুদ ও নূর মোহাম্মদ ওরফে সাবু। আসামিদের মধ্যে মিনহাজ ও আনোয়ার বর্তমানে কারাগারে। সালাহউদ্দিন ও নূর মোহাম্মদ পলাতক রয়েছেন। এছাড়া ২০১৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রিজন ভ্যান থেকে তিন আসামি ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় ধরা পড়ে পরে ক্রস ফায়ারে নিহত হন হাফিজ মাহমুদ। এ হত্যা মামলায় ৫৮ সাক্ষীর মধ্যে তদন্ত কর্মকর্তাসহ ৪১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

একুশে বইমেলা থেকে বাসায় ফেরার পথে ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন লেখক হুমায়ুন আজাদ। এ সময় তাকে চাপাতি ও কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। এরপর তিনি ২২ দিন ঢাকা সিএমএইচ হাসপাতালে এবং ৪৮ দিন ব্যাংককে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এরপর ২০০৪ সালেরই ১২ আগস্ট (জার্মান সময়) তিনি জার্মানির মিউনিখে মারা যান।

ডি-ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়