২০ রমজানের মধ্যে বেতন-বোনাসের দাবিতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিক্ষোভ

আগের সংবাদ

গজারিয়া নদীতে নৌকাডুবিতে মা-মেয়ের মৃত্যু, নিখোঁজ ৩

পরের সংবাদ

ওয়ারীতে গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ

প্রকাশিত: এপ্রিল ৮, ২০২২ , ৩:২৩ অপরাহ্ণ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২২ , ৩:২৩ অপরাহ্ণ

রাজধানীতে ওয়ারীর তাহেরবাগে একটি বাসায় স্বপ্না (১৩) নামে এক গৃহকর্মীকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সেই কিশোরীর মা বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করছেন। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। আজ শুক্রবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে চিকিৎসা দিয়ে আবার থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী গৃহকর্মী স্বপ্না নিজেই অভিযোগ করে জানায়, বাসার কাজ দ্রুত করতে না পারায় গৃহকর্ত্রী আখি তাকে সবসময় মারধর করতো। কাঠের মোটা লাঠি দিয়ে তাকে আঘাত করতো। এছাড়া বাসায় হাতের কাছে যা পেত তাই দিয়েই তাকে মারধর করতো। কয়েক সপ্তাহ আগে তার গলায় ফাঁস দিয়েছিল আখি।

সে আরও অভিযোগ করে, এক সাথে অনেক কাজ করতে বলা হতো তাকে। কাজ করে ক্লান্ত হওয়ার পর সে বিছানায় শুয়ে থাকলে সেটি দেখেও তাকে নির্মম নির্যাতন করা হতো।

ওয়ারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন হাওলাদার জানান, আজ সকালে ভুক্তাভোগী কিশোরীর মা তাকে থানায় নিয়ে আসেন। গৃহকর্ত্রী তাকে নির্যাতন করেছে বলে অভিযোগ করা হয়। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়। সেখান থেকে চিকিৎসা শেষে তাকে আবার থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। শিশুটির মা বাদি হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

হাসপাতালে স্বপ্নার দূরসম্পর্কের আত্মীয় আসমা আক্তার জানান, স্বপ্নার বাড়ি রংপুর পীরগঞ্জ উপজেলায়। তার বাবা শাহ আলী রিকশাচালক আর মা মাহফুজা বেগম গৃহিণী। তারা গ্রামে থাকেন। ১০ মাস আগে তার মা-বাবা কাজের জন্য তাকে বনগ্রামে আসমার বাসায় দিয়ে যান। পরে আসমা এক নারীর মাধ্যমে স্বপ্নাকে ১৩ নম্বর তাহেরবাগের মাসুম বিল্লাহ ও আখির বাসায় কাজে দেন। বৃহস্পতিবার গৃহকর্ত্রী আখি তার মাকে ফোন দিয়ে জানান, স্বপ্নার ডায়েরিয়া হয়েছে। তাকে যেনো নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বৃহস্পতিবার বিকেলেই তার মা গ্রাম থেকে ঢাকায় এসে তাকে সেই বাসা থেকে নিয়ে আসমার বাসায় যান। আজ শুক্রবার সকালে তাকে গোসল করানোর সময় তার সব শরীরে পুরাতন আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান। তখন সে মায়ের কাছে নির্যাতনের সব ঘটনা খুলে বলে। এরপরই তাকে নিয়ে প্রথমে থানায় যান তারা। সেখান থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় স্বপ্নাকে।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়