নোয়াখালীর এমপি একরামের বক্তব্য নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা

আগের সংবাদ

যুক্তরাজ্যের মিসাইলে রুশ হেলিকপ্টার ভূপাতিত ইউক্রেনে

পরের সংবাদ

তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীকে অর্থনীতির মূল ধারায় রাখার আহবান

প্রকাশিত: এপ্রিল ২, ২০২২ , ৯:৫৪ অপরাহ্ণ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২২ , ৯:৫৭ অপরাহ্ণ

তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের অর্থনীতির মূল ধারায় সম্পৃক্ত করতে এবং সেইসঙ্গে তারা যেন মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের অধিকারী হন, সেজন্য এ জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির উপর জোর দিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান। তিনি বলেন, এ সম্প্রদায়ের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গী অনুদার। তাদের সঙ্গে এমনভাবে আচরণ করা হয়, যেন তারা বহিরাগত। তারা প্রায়শই সমাজের মধ্যে অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার হন। তাই, তারা যাতে করে স্বাবলম্বী হতে পারেন, অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারেন, সেজন্য তাদের প্রতি আমাদের এই নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তন করতে হবে এবং তাদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

ঢাকায় তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের অনুপ্রাণিত করার জন্য গত শুক্রবার (১ এপ্রিল) এক সামাজিক দায়বদ্ধতা পুরস্কার অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। শিম্যান ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের ১০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন এ্যারোমা দত্ত, শিম্যান ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের সভাপতি ডা. মো. আরিফুল হক এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব অসীম কুমার দে।

বিজিএমইএ সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক খাতে তাদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে তাদেরকে মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ করে দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এটা খুবই আশাব্যাঞ্জক যে সমাজের মূলধারায় তারা ক্রমেই সম্পৃক্ত হচ্ছেন, যদিও এদের সংখ্যা এখনও নগণ্য। তিনি বলেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্প তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। পোশাক কারখানায় কর্মসংস্থানের সুবাদে তারা মর্যাদাপূর্ণ এবং উন্নত জীবনের অধিকারী হয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, তাদের মধ্যে অনেকেই নিজেদের মেধা ও দৃঢ় অধ্যবসায়কে কাজে লাগিয়ে দক্ষ পোশাক কর্মীতে পরিণত হয়েছেন- অনেকেই কারখানায় সুপারভারজার পর্যায়ে অবস্থান তৈরি করেছেন। পোশাক কারখানায় কাজ করার মাধ্যমে এ মানুষগুলোর মধ্যে আত্মসচেতনতা তৈরি হয়েছে, তারা আর্থিকভাবে সাবলম্বী এবং সমাজের গর্বিত নাগরিক হয়েছেন।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, এ ব্যক্তিদের জীবনে সত্যিকারের পরিবর্তন আনার জন্য সকল মহল থেকে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। পোশাক শিল্পের বাইরে অন্যান্য খাতেও তাদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকা জরুরি।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।