আখাউড়া স্থলবন্দরে ঈদকে সামনে রেখে তৎপর লাগেজ পার্টি

আগের সংবাদ

রমজানেও চলবে টিকার স্বাভাবিক কার্যক্রম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

পরের সংবাদ

গাইবান্ধায় মাদক মামলায় নারীর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত: মার্চ ৩১, ২০২২ , ২:৪৫ অপরাহ্ণ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২২ , ৩:১৪ অপরাহ্ণ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় পারভীন বেগম শায়লা (৩৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) দুপুরে গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক এই আদেশ দেন। এছাড়া তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পারভীন বেগম শায়লা গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার বর্ধনকুঠি এলাকার মৃত মছির উদ্দিনের স্ত্রী। রায় ঘোষণার সময় পারভীন বেগম শায়লা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

এই মামলায় অপর চার আসামিকে খালাস প্রদান করা হয়েছে। তারা হলেন- গোবিন্দগঞ্জের মালাধর গ্রামের মো. আয়েজ উদ্দিনের ছেলে মো. বিপুল মিয়া (৪০), দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার পূর্বপাড়া এলাকার আবদুর রাজ্জাকের ছেলে মো. রমজান আলী (৪৫) ও বড়গলি এলাকার মো. ইউসুফ আলীর ছেলে মো. সাজু মিয়া (৩৫) এবং সোহাগ হাসান। আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আবু আলা মো. সিদ্দিকুল ইসলাম রিপু, হানিফ বেলাল, বেগম হেলালী ও শাহনেওয়াজ খান।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. ফারুক আহম্মেদ প্রিন্স বলেন, আসামিকে মৃত্যু পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুঁলিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ থেকে এই মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদিত হওয়ার পর রায় কার্যকর হবে। আপিল করতে মনস্থির করলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পারভীন বেগম শায়লাকে আগামী সাত দিনের মধ্যে এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল দায়ের করতে হবে। তিনি আরও বলেন, জব্দকৃত হেরোইন ধ্বংস করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ৮ ডিসেম্বর বিকেলে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি স্থলবন্দর থেকে বগুড়াগামী পায়রা মেইল বাসে কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী হেরোইন নিয়ে গোবিন্দগঞ্জের দিকে যাচ্ছিলেন। পরে গোবিন্দগঞ্জের সাপমারা ইউনিয়নের সাহেবগঞ্জ মোড়ে অবস্থান করে বাসটিকে থামালে কয়েকজন জানালা দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় বাস থেকে যাত্রীরা নেমে যাওয়ার সময় সন্দেহ হলে পারভীন বেগম শায়লার হাতে থাকা ব্যাগ তল্লাশী করে ৫০০ গ্রাম হেরোইন পাওয়া যায়।

পরে জিজ্ঞাসাবাদে পারভীন বেগম শায়লা জানান, বাসের জানালা দিয়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের সহায়তায় তিনি হেরোইন বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করে মো. বিপুল মিয়া ও মো. রমজান আলীসহ পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিরা। কিন্তু অন্য পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের নাম-ঠিকানা তিনি জানেন না বলে জানান। এই হেরোইন হিলিতে সাজু মিয়ার কাছ থেকে কিনে দেন মো. বিপুল মিয়া ও মো. রমজান আলীসহ পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিরা।

রি-এফজে/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়