মুক্তিযুদ্ধের বইমেলা ও চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন

আগের সংবাদ

সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

পরের সংবাদ

ছোট ভাইকে হত্যা মামলায় বড় ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড বহাল

প্রকাশিত: মার্চ ২৩, ২০২২ , ৫:০১ অপরাহ্ণ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২২ , ৫:০২ অপরাহ্ণ

জাতীয় পার্টির সাবেক সাংসদ করিম উদ্দীন ভরসার ছোট ছেলে খায়রুল ইসলাম ভরসা ওরফে কাজলকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় বড় ভাই কবিরুল ইসলাম ভরসার মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কবিরুলের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর রায়ের সাজা বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

আজ বুধবার (২৩ মার্চ) বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

গত মঙ্গলবার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শেষ হয়। গতকাল বুধবার একই বেঞ্চ রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন। এসময় আদালতে আসামিপক্ষে শুনানিতে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ২০০৯ সালের এপ্রিলে রাজধানীর বিজয়নগরের ব্যবসায়িক কার্যালয়ে করিম উদ্দিন ভরসার এক ছেলে খায়রুল ইসলাম ভরসা ওরফে কাজলকে গুলি করে হত্যা করেন আরেক ছেলে কবিরুল ইসলাম ভরসা। এ ঘটনায় পল্টন থানায় খায়রুলের স্ত্রীর বড়ভাই একটি হত্যা মামলা করেন।

এ মামলায় দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৬ সালের ১১ এপ্রিল ঢাকার চতুর্থ মহানগর দায়রা জজ আদালত কবিরুলের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে রায় দেন। পরে নিয়ম মোতাবেক মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। তবে আসামি কবিরুল পলাতক রয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম।

২০০৯ সালের এপ্রিলে করিমউদ্দীন ভরসার ছোট ছেলে খায়রুল ইসলাম ভরসা ওরফে কাজলকে (৩০) রাজধানীর বিজয়নগরে তার নিউ এইচ টোব্যাকো অফিসে গিয়ে গুলি করেন বড়ভাই কবিরুল ইসলাম ভরসা। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে এবং পরে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত কবিরুল সাবেক সাংসদ করিমউদ্দীনের দ্বিতীয় স্ত্রীর প্রথম ও খায়রুল তৃতীয় সন্তান। তার দুই স্ত্রীর মধ্যে প্রথম স্ত্রীর ছয় ছেলে ও চার মেয়ে এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর চার ছেলে ও দুই মেয়ে। ২০০৯ সালে হত্যকাণ্ডের পর করিমউদ্দীন ভরসা গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে খায়রুলকে গুলি করেন কবিরুল।

আর- এআই / ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়