নিউজ ফ্ল্যাশ

আগের সংবাদ

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে গণহত্যায় অভিযুক্ত করবে যুক্তরাষ্ট্র

পরের সংবাদ

পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন, দেশে এখন শতভাগ বিদ্যুতায়ন

প্রকাশিত: মার্চ ২১, ২০২২ , ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ আপডেট: মার্চ ২১, ২০২২ , ৩:৩১ অপরাহ্ণ

এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সোমবার (২১ মার্চ) সকাল ১১টা ৫৪ মিনিটে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সশরীরে উপস্থিত থেকে দেশের সর্ববৃহৎ এ বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করেন তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে এক সুধী সমাবেশে দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়নের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় সুধী সমাবেশে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও সচিব, চীনা রাষ্ট্রদূত, বিসিপিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ইতিহাস

২০১৪ সালে বাংলাদেশ নর্থওয়েস্ট পাওয়ার কোম্পানি ও চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরশনের (সিএমসি) মধ্যে দুটি ইউনিট থেকে মোট এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের চুক্তি হয়। ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীতে কয়লাভিত্তিক এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে কয়েকদিন আগে। প্রথম ইউনিটটি ২০২০ সালের ১৫ মে প্রথম উৎপাদনে আসে। একই বছরের ডিসেম্বরে দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণকাজও শেষ হয়। কিন্তু গোপালগঞ্জ সাবস্টেশনের ধারণ ক্ষমতা কম থাকায় এবং গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকার আমিনবাজার পর্যন্ত সঞ্চালন লাইনের কাজ শেষ না হওয়ায় দ্বিতীয় ইউনিটের ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ এখনও জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়নি। এগুলোর কাজ এখনো চলছে। আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হবে।

পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প পরিচালক শাহ গোলাম মাওলা জানান, পায়রা এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র দক্ষিণাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে সবচেয়ে বড় অবদান রাখবে। এক হাজার একর জমির ওপর নির্মিত কয়লাভিত্তিক এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছিল দুই দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার। তবে পুরো টাকা খরচ হয়নি। ১০০ মিলিয়ন ডলারের মতো সাশ্রয় হয়েছে। পরিবেশবান্ধব এ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতিদিন ১৩ হাজার টন কয়লার প্রয়োজন হবে। এখন দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্মাণকাজ চলছে। আগামী ২০২৪ সালের ডিসেম্বর নাগাদ নির্মাণকাজ শেষ হলে এ প্রকল্প থেকে মোট দুই হাজার ৬৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়