তিন ফরম্যাটেই সেরাটা খেলবেন সাকিব: নান্নু

আগের সংবাদ

বরিশাল তৃণমূল নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আ. লীগের ভার্চুয়াল সভা শনিবার

পরের সংবাদ

৭ই মার্চের ভাষণই ছিলো স্বাধীনতার ঘোষণা: আমির হোসেন আমু

প্রকাশিত: মার্চ ১১, ২০২২ , ৭:৫৫ অপরাহ্ণ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২২ , ৭:৫৫ অপরাহ্ণ

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেছেন, “বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণই ছিলো স্বাধীনতার ঘোষণা ও স্বাধীনতা অর্জনের পথ নির্দেশনা”।

শুক্রবার (১১ মার্চ) সকালে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষ্যে ১৪ দলের আয়োজনে ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আমির হোসেন আমু বলেন, এই ভাষণ শুধু জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনেরই নয়, ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভাষণের মধ্যে অন্যতম।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু তার এই ভাষণের মধ্য দিয়ে একদিকে পাকিস্তানের ২৩ বছরের শাসন, শোষণ, নির্যাতন, নীপিড়ন, বঞ্চনার ইতিহাস তুলে ধরে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিলেন, অন্যদিকে শোষণের হাত থেকে বাঙালিকে মুক্তির পথ নির্দেশনা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি ও গেরিলা যুদ্ধের রূপরেখা তুলে ধরেন।

আমির হোসেন আমু বলেন, বঙ্গবন্ধু তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতার কারণেই বলেছিলেন আমি যদি হুকুম দিবার নাও পারি, তোমাদের যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে। তিনি পাড়া, মহল্লা, থানা ও জেলায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছিলেন। “রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেবো এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বোই, ইনশাল্লাহ” তার এমন দৃঢ়চেতা মনোবল ও ঘোষণার কারণেই পাকিস্তানী শোষণ ও শাসনের বিরূদ্ধে নিরস্ত্র বাঙালি সশস্ত্র যুদ্ধে যাওয়ার প্রেরণা পায়। বঙ্গবন্ধুর ভাষণের প্রতিটি লাইনের প্রতিটি শব্দ আন্দোলিত করে মুক্তিকামী বাঙালিকে, যার মধ্যে বাঙালি খুঁজে পায় স্বাধীনতা যুদ্ধে জয়লাভ করার সকল কলা-কৌশল। এই ভাষণ যুগে যুগে শত আন্দোলন-সংগ্রামে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

আমির হোসেন আমু বলেন, ৭ মার্চ আজ শুধু বাংলাদেশের সম্পদ নয়, ইউনেস্কোর বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যের স্বীকৃতিসহ সারা বিশ্ববাসীর কাছে শ্রেষ্ঠ ভাষণের মর্যাদা পেয়েছে। আর যারা বঙ্গবন্ধু হত্যার পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে ৭ই মার্চের ভাষণ বাজাতে দেয়নি তারা আজ ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে।

আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাসের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির (জেপি) সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সাধারণ সম্পাদক শিরিন আক্তার, বাংলাদেশ গণ আজাদী লীগের সভাপতি এস কে সিকদার, বাসদের আহবায়ক রেজাউর রশীদ খান, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেনসহ ১৪ দলের নেতারা।

রি-জেএম/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়