দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে উস্কানি দিচ্ছে বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী

আগের সংবাদ

নায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যায় সাক্ষ্য শুরু ২০ মার্চ

পরের সংবাদ

অতিমারির কারণে এসডিজি বাস্তবায়ন পিছিয়ে যাবে: সিপিডি

প্রকাশিত: মার্চ ১০, ২০২২ , ৬:০১ অপরাহ্ণ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২২ , ৬:০১ অপরাহ্ণ

কোভিড-১৯ অতিমারি শুরু হওয়ার আগে থেকেই বাংলাদেশ বেশ কিছু টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন থেকে দূরে ছিল। অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং স্বাস্থ্য সংকটের কারণে লক্ষ্যগুলির দিকে অগ্রগতি বজায় রাখা এবং দ্রুততম করার চ্যালেঞ্জগুলো আরো তীব্র হয়েছে। যেহেতু অতিমারির প্রভাব পূর্ব-বিদ্যমান বৈষম্যের উপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে, সেহেতু এসডিজি-র প্রভাবগুলো প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উপর প্রবাহিত হয়েছে, তাদের ক্ষতির সম্মুখীন করেছে এবং কাউকে পেছনে রাখা যাবে না- এজেন্ডার মূল নীতিকে ঝুঁকিপূর্ণ করেছে।

বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ব্র্যাক সেন্টার ইন-এ ‘বাংলাদেশে এসডিজি বাস্তবায়নে অতিমারি কী প্রভাব ফেলবে?’ শীর্ষক একটি অবহিতকরণ ও পর্যালোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। নাগরিক প্ল্যাটফর্মের একটি গবেষণায় উঠে আসা বিষয় এবং আসন্ন ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের জন্য বাস্তবসমস্ত নীতি প্রস্তাব কী হতে পারে সেসব নিয়ে এ অনুষ্ঠানে আলোকপাত করা হয়।

মূল প্রতিবেদন উপস্থাপনা করেন নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) এর সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য্য। বাংলাদেশে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর দৃষ্টিকোণ থেকে এসডিজি বাস্তবায়নে অতিমারির অভিঘাত নিয়ে একটি গবেষণা পরিচালনা করেছে, যার বিষয়বস্তু এ প্রতিবেদনে আলোকপাত করা হয়।

এ গবেষণায় এসডিজির চারটি স্তম্ভ, অর্থনৈতিক, সামাজিক, পরিবেশ ও সুশাসন বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হয় এবং এর ফলাফল তাদের ঐকমতের প্রতিফলন। অর্থনীতি এবং সামাজিক স্তম্ভে সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এ দুটি পুনরুজ্জীবিত না করতে পারলে অতিমারির আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়া যাবে না। প্রভাবগুলো প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সরকারের কোনো তথ্য উপাত্ত নেই। কাজেই দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গবেষণার তথ্য একত্রিত করে এই ফলাফল উপস্থাপন করা হয়েছে।

এর থেকে বেরিয়ে আসার করনীয়, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং আয়ের সুযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের ক্রয়ক্ষমতা রক্ষায় অবিলম্বে মনোযোগ দিতে হবে। সরকারের উচিত অবিলম্বে শুল্ক এবং কর কমিয়ে দেওয়া যাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আরও সাশ্রয়ী হয় এবং “ন্যায্য মূল্যে” মৌলিক পণ্যগুলো সরবরাহ করা যায়।

রি-এমএস/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়