শ্বশুড়বাড়ি ফিরতে না চাওয়ায় স্ত্রীকে এসিডে ঝলসে দেয় স্বামী

আগের সংবাদ

রাজধানীতে চালু হলো সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের ১০ স্কুল

পরের সংবাদ

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে জলকন্যার প্রদর্শনী

প্রকাশিত: মার্চ ৯, ২০২২ , ৯:৪২ অপরাহ্ণ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২২ , ১২:৫০ অপরাহ্ণ

প্রদর্শনীর নাম ‘জলকন্যা’। জলরঙে ছবি আঁকেন, এমন একঝাঁক নারী শিল্পীর দলের নাম জলকন্যা। তবে কেবল জলরঙেই নয়, অ্যাক্রিলিকের বেশ কিছু কাজও করেছেন জলকন্যারা। কর্মজীবন ও সংসার জীবনের ব্যস্ততার ফাঁকে তাঁরা ছবি আঁকেন। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে জলকন্যা আয়োজন করেছে ৪ দিনব্যাপী চিত্র প্রদর্শনী। একই সঙ্গে এ প্রদর্শনীতে শামস শিল্পাঙ্গনের শিক্ষার্থীদের ছবিও স্থান পেয়েছে। শামস শিল্পাঙ্গন একটি সংগঠন। এর কার্যক্রমের উল্লেখযোগ্য অংশ হলো একজন ব্যক্তিকে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া এবং শিশুদের স্বাধীন ও সুন্দর মননশীলতার পরিস্ফুটন ঘটানো। শামস শিল্পাঙ্গনের অধীনে পরিচালিত শামস ড্রইং সেন্টারে যে সকল শিক্ষার্থী ছবি আঁকা শিখেছে তাদের মধ্যে ৭ জন শিক্ষার্থীর চিত্রকর্ম স্থান পেয়েছে প্রদর্শনীতে।

প্রদর্শনীতে অংশ নেয়া শিল্পীরা হলেন সুপর্ণা এলিস গমেজ, তমা সাহা, সাবিয়া নাসরিন, নুসরাত জাহান তুনান, মাহফুজা বিউটি, জেনেট গমেজ, ফারজানা আলম, ফারহানা ফেরদৌসি, তানিয়া ফারাবি ও এলিনা চাকমা।

এছাড়াও শামস শিল্পাঙ্গনের পক্ষ থেকে অংশগ্রহণ করেছে ঊর্মি ক্যাথরিন গমেজ, স্টিভ ডি’ কস্তা, স্নেহা ক্যারেন গমেজ, মেরিয়্যান অয়ত্রী গমেজ, জ্যাকুলিন রিয়া রোজারিও, মেবেল এমেন্ডা গমেজ এবং অঙ্গনা ইসলাম।

মঙ্গলবার (৮ মার্চ) বিকেলে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের চিত্রশালা গ্যালারিতে প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের চেয়ারম্যান শিল্পী ড. রশীদ আমিন।

প্রদর্শনীতে জলকন্যার ১০ জন এবং শামস শিল্পাঙ্গনের ৭ জনসহ মোট ১৭ জন শিল্পীর ৪৬টি চিত্রকর্ম স্থান পেয়েছে। প্রদর্শনী চলবে ১১ মার্চ শুক্রবার পর্যন্ত। প্রতিদিন বেলা তিনটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত প্রদর্শনী ঘুরে আসা যাবে।

অনুষ্ঠনের প্রধান অতিথি ড. রশিদ আমিন তার বক্তব্যে বলেন, এটি একটি উল্লেখযোগ্য প্রদর্শনী কারন এখানে যে চিত্রকর্মীগুলো প্রদর্শিত হয়েছে তা নারী শিল্পীরা তৈরি করেছেন। বেশিরভাগ সময়ে নারী শিল্পীরা স্বীকৃতি ও সম্মান পায় না। এই প্রদর্শনী নারীদের কাজের স্বীকৃতি ও সম্মান করার প্রচেষ্টা।

জলকন্যা এবং শামস শিল্পাঙ্গনের প্রতিষ্ঠাতা সুপর্ণা এলিস গমেজ বলেন, একজন নারী শিল্পী শুধু একটি শিল্পকর্মই তৈরি করে না, তিনি তার পরিবার এবং পেশাগত দাযিত্বও পালন করেন। আন্তর্জাতিক নারী দিবস আমাদের অধিকার এবং মর্যাদার কথা মনে করিয়ে দেয়। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে আমরা সকল নারীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করছি।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়