এবার হলিউডে পা রাখছেন আলিয়া

আগের সংবাদ

রমজানের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইফা

পরের সংবাদ

জবিতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন

প্রকাশিত: মার্চ ৮, ২০২২ , ৩:২৭ অপরাহ্ণ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২২ , ৩:৩১ অপরাহ্ণ

প্রতিবছর ৮ মার্চ বিশ্বব্যাপী নারীদের অধিকারকে সকলের সামনে তুলে ধরার জন্য পালিত হয় বিশ্ব নারী দিবস। সেই ধারাবাহিকতায় যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি উদযাপন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। মঙ্গলবার (৮ মার্চ) সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ ও ১২ টায় বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের পক্ষ থেকে পুরো ক্যাম্পাস শোভাযাত্রার মাধ্যমে প্রদক্ষিণ করা হয়।

শোভাযাত্রা শেষে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান শিপ্রা সরকার তার বক্তব্যে নারীদের সকল বাধা বিপত্তিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে, নারীরা এগিয়ে যাবে। সকল বাধা-বিপত্তিকে পিছনে ফেলে নারীই হবে আপন আলোয় উদ্ভাসিত নক্ষত্র। নারী ও পুরুষকে একই সূত্রে দেখতে চাই, তবে নারী দিবসের আলাদা গুরুত্ব সমাজে প্রতিফলিত হোক আজকের এইদিনে সেই কামনা ব্যক্ত করছি।

তিনি আরো বলেন, এ দিনটির গুরুত্বও অনেক। শুধু দিবস পালনের মাধ্যমে নারীর অধিকার সীমাবদ্ধ নয়। দিবস পালনের সঙ্গে নারীর অধিকারের যথাযথ মর্যাদা দিতে হবে। দেশের প্রতিটি সেক্টরে নারীর যোগ্যতা অনুযায়ী মূল্যায়ন করতে হবে, এটাই আমাদের চাওয়া।

এ সময় বিভাগের অধ্যাপক ড. ফারহানা জামান বলেন, নারীদেরকে তার স্বীকৃতি দিতে ভাষাগত কার্পণ্যতার বিরোধী আমি। নারীদের অবদান ও উপজীব্যকে যথাযথ মর্যাদা দিতে হবে যাতে করে তাদের অবদান সমাজ থেকে বিলীন না হয় কিংবা খাটো করে দেখা না হয়। নারী উপযোগী ও সহযোগী সমাজ ও পরিবেশ প্রত্যাশা করছি আমরা।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ, নোবিপ্রবির উপ-উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আশেক মাহমুদ, সহযোগী অধ্যাপক ড. আয়শা ডেইজি, সহযোগী অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক শিরিন সুলতানা, সহকারী অধ্যাপক মার্জিয়া রহমান, সহকারী অধ্যাপক ফেরদৌস হোসাইনসহ বিভাগীয় শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শামীমা বেগমের নেতৃত্বে হলের সকল টিউটর ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষিকাসহ নারী শিক্ষার্থীরা শোভাযাত্রা করেন। এ সময় প্রভোস্ট শামীমা বেগম বলেন, নারীরা সকল ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। তারা পিছিয়ে নেই। হলের সকল মেয়েদের মেধা যেন বিকশিত হয় তার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, প্রতিবছর একটি বিশেষ প্রতিপাদ্য গৃহীত হয় এইদিন। প্রতি বছরের মতো এ বছর আন্তর্জাতিক নারী দিবসের একটি থিম রয়েছে। এবারে জাতিসংঘ ২০২২ সালের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‘নারীর সুস্বাস্থ্য ও জাগরণ।’ এই মূল প্রতিপাদ্যের আলোকে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ বছর আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে- “টেকসই আগামীর জন্য, জেন্ডার সমতাই আজ অগ্রগণ্য।”

রি-আরএ/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়