অমর একুশে গ্রন্থমেলার পর্দা উঠবে আজ

আগের সংবাদ

গৌরবের পথচলার ত্রিশ বছর

পরের সংবাদ

লোকমান ও সাঈদের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২ , ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২ , ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়া এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) আলোচিত কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা এ কে এম মমিনুল হক সাঈদ ওরফে ক্যাসিনো সাঈদের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে কমিশনের নিয়মিত বৈঠকে এ চার্জশিট অনুমোদন দেয়া হয়। এ দুজনের বিরুদ্ধে ক্যাসিনো ব্যবসা, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদক সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রতিবেদনের সুপারিশের আলোকে কমিশন থেকে চার্জশিট দাখিলের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করা হবে।

দুদক জানায়, ২০১৯ সালের ২০ নভেম্বর ডিএসসিসির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বরখাস্ত হওয়া কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা এ কে এম মমিনুল হক সাঈদের বিরুদ্ধে চার কোটি ৪৭ লাখ ৬৬ হাজার ২৬১ টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগে মামলা করে দুদক। দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলাটি দায়ের করা হয়। যদিও চার্জশিটে অবৈধ সম্পদের অর্থ আরো বাড়ার তথ্য রয়েছে। চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়, আসামি সাঈদ ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ক্যাসিনো ব্যবসা পরিচালনাসহ বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা এবং অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ পাঁচ কোটি ৬০ লাখ ৩৩ হাজার ২২৪ টাকার সম্পদ অর্জন করে তা নিজ ভোগ দখলে রেখে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এছাড়া তিনি প্রায় ৭৮ লাখ ১১ হাজার ৯৭৪ টাকা সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ওমানে পাচার করে অপরাধলব্ধ আয়ের অবৈধ উৎস গোপন বা আড়াল করার চেষ্টার অভিযোগে আসামি এ কে এম মমিনুল হক সাঈদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪ (২) ও ৪ (৩) ধারায় চার্জশিট অনুমোদন দেয় দুদক।

এদিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেডের সাবেক পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর চার কোটি ৩৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুদক। তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে ছয় কোটি ৭২ লাখ ৬৩ হাজার ৫৭৩ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন করে নিজ ভোগ-দখলে রাখার অভিযোগ আনা হয়। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অস্ট্রেলিয়ায় ছেলের কাছে প্রায় ৫৭ লাখ টাকা পাচারের অভিযোগ। দুই অভিযোগে তার বিরুদ্ধে পৃথক চার্জশিট অনুমোদন দেয় দুদক।

জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর শুদ্ধি অভিযান শুরুর পর এখন পর্যন্ত ক্যাসিনোকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ও জি কে শামীমসহ শীর্ষ ২৪ জনের বিরুদ্ধে ২৩টি মামলা দায়ের করে সংস্থাটি।

রি-এমআর/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়